
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ধলেশ্বরী টোলপ্লাজায় বাস চাপায় ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার বাস চালক মো. নুরুদ্দীন আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে দাবি করা হয়েছে, তার বাসের ব্রেক ফেল করেছিল। তিনি ইচ্ছে করে ধাক্কা দেননি।
এর আগে চালক মাদকাসক্ত ছিলেন কি না সেটার জন্য তার ডোপটেস্ট করা হয়েছে। এছাড়া এ মামলায় গ্রেপ্তার অপর আসামি ডাব্লিউ বেপারীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রবিবার তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মুন্সীগঞ্জের হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মো. আব্দুর রহমান আসামি নুরুদ্দিনেরজবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপর আসামি ডাব্লিউকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। পরে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মুজাহিদুল ইসলামের আদালত আসামি নুরুউদ্দিনের জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একইসঙ্গে একই আদালত অপর আসামি ডাব্লিউকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে বাসচালক নুরুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গত শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মাদারীপুরের শিবচর থেকে ডাব্লিউকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ ডিসেম্বর মামলার বাদী নরুল আমিনের বোনের পরিবার প্রাইভেটকারে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ যাওয়ার পথে ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় টোল দেওয়ার জন্য বেলা সোয়া ১১ টার দিকে অপেক্ষায় ছিল। তাদের বহনকৃত গাড়ীর সামনে মোটরসাইকেলে এক ভদ্রলোক তার স্ত্রী ও সন্তানসহ টোল প্রদান করছিল। বেপারী পরিবহন সামনে থাকায় ও মোটর সাইকেলটি টোল দেওয়ার সময় প্রাইভেটকারকে পিছন দিক হতে দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে বেপারী পরিবহন ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেটি দুমড়ো মুচড়ে যায়। প্রাইভেট কারে থাকা একই পরিবারের ৪ জনসহ ৬ জন নিহত হন। তারা হলেন-মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নন্দনকোনা গ্রামের বাসিন্দা ও দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারের মালিক নুর আলমের স্ত্রী আমেনা আক্তার, তাঁর বড় মেয়ে ইসরাত জাহান, ছোট মেয়ে রিহা মনি, ইসরাত জাহানের ছেলে আইয়াজ হোসেন, মোটরসাইকেলের চালক সুমন মিয়ার স্ত্রী রেশমা আক্তার ও তাঁর ছেলে মো. আবদুল্লাহ।
এ ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন প্রাইভেট কারের মালিক নুর আলম, তাঁর বোন ফাহমিদা আক্তার, প্রাইভেট কারের চালক হাবিবুর রহমান ও মোটরসাইকেলের চালক সুমন মিয়া। এ ঘটনায় গত ২৮ ডিসেম্বর নিহত আমেনা আক্তারের ভাই মো. নরুল আমিন বাদী হয়ে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা বাস চালক, হেল্পার, বাসের মালিক ও ব্যাপারী পরিবহন ব্যানার কর্তৃপক্ষ।

ধলেশ্বরী টোলপ্লাজায় বাস চাপায় ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার বাস চালক মো. নুরুদ্দীন আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে দাবি করা হয়েছে, তার বাসের ব্রেক ফেল করেছিল। তিনি ইচ্ছে করে ধাক্কা দেননি।
এর আগে চালক মাদকাসক্ত ছিলেন কি না সেটার জন্য তার ডোপটেস্ট করা হয়েছে। এছাড়া এ মামলায় গ্রেপ্তার অপর আসামি ডাব্লিউ বেপারীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রবিবার তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মুন্সীগঞ্জের হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মো. আব্দুর রহমান আসামি নুরুদ্দিনেরজবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপর আসামি ডাব্লিউকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। পরে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মুজাহিদুল ইসলামের আদালত আসামি নুরুউদ্দিনের জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একইসঙ্গে একই আদালত অপর আসামি ডাব্লিউকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে বাসচালক নুরুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গত শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মাদারীপুরের শিবচর থেকে ডাব্লিউকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ ডিসেম্বর মামলার বাদী নরুল আমিনের বোনের পরিবার প্রাইভেটকারে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ যাওয়ার পথে ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় টোল দেওয়ার জন্য বেলা সোয়া ১১ টার দিকে অপেক্ষায় ছিল। তাদের বহনকৃত গাড়ীর সামনে মোটরসাইকেলে এক ভদ্রলোক তার স্ত্রী ও সন্তানসহ টোল প্রদান করছিল। বেপারী পরিবহন সামনে থাকায় ও মোটর সাইকেলটি টোল দেওয়ার সময় প্রাইভেটকারকে পিছন দিক হতে দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে বেপারী পরিবহন ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেটি দুমড়ো মুচড়ে যায়। প্রাইভেট কারে থাকা একই পরিবারের ৪ জনসহ ৬ জন নিহত হন। তারা হলেন-মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নন্দনকোনা গ্রামের বাসিন্দা ও দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারের মালিক নুর আলমের স্ত্রী আমেনা আক্তার, তাঁর বড় মেয়ে ইসরাত জাহান, ছোট মেয়ে রিহা মনি, ইসরাত জাহানের ছেলে আইয়াজ হোসেন, মোটরসাইকেলের চালক সুমন মিয়ার স্ত্রী রেশমা আক্তার ও তাঁর ছেলে মো. আবদুল্লাহ।
এ ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন প্রাইভেট কারের মালিক নুর আলম, তাঁর বোন ফাহমিদা আক্তার, প্রাইভেট কারের চালক হাবিবুর রহমান ও মোটরসাইকেলের চালক সুমন মিয়া। এ ঘটনায় গত ২৮ ডিসেম্বর নিহত আমেনা আক্তারের ভাই মো. নরুল আমিন বাদী হয়ে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা বাস চালক, হেল্পার, বাসের মালিক ও ব্যাপারী পরিবহন ব্যানার কর্তৃপক্ষ।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় তৎকালীন উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল, অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।
১৬ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ আগস্ট একই ঘটনায় র্যাব-২ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল। তবে তাদের এ ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে দ্বিতীয় পর্যায়ের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে নতুন করে ওই দুজনকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার
১৬ ঘণ্টা আগে
উলামায়ে কেরাম বিলটির উদ্দেশ্য হিসেবে ‘পিতা-মাতা, প্রবীণ ব্যক্তি ও দাতার জীবদ্দশার ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার সুরক্ষা’কে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তবে মুসলিম নাগরিকদের সম্পত্তি হস্তান্তর, হেবা, ওসিয়ত ও মিরাস কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক বিধানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় নতুন ব্যবস্থায় সম্ভাব্য শরয়ি জটিলতা নিয়ে তা
১৭ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে আমলে নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
১৭ ঘণ্টা আগে