
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পথে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু করার অঙ্গীকার রয়েছে। তাই সে ব্যাপারে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। এখন অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রাক-প্রস্তুতির কাজও এগিয়ে যাচ্ছে।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে ঈদযাত্রার নিরাপত্তা নিয়ে এক প্রস্তুতিমূলক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ সহজ করতে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হয়। ২০২২ সালের ২৫ জুন এ সেতু উদ্বোধন করেন ওই সময়কার প্রধানমন্ত্রী জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা। মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে সংযুক্ত করে এই সেতু গড়ে উঠেছে।
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের দাবিও দীর্ঘদিনের। মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার সঙ্গে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়াকে সংযুক্ত করে এই সেতু নির্মাণের দাবি রয়েছে। আবার এর সঙ্গে পাটুরিয়া থেকে পাবনার কাজিরহাটকে সংযুক্ত করে ইংরেজি বর্ণমালার ‘ওয়াই’ আকৃতিতে এই সেতু নির্মাণের দাবিও রয়েছে।
সব মিলিয়ে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর জন্য তিনটি প্রস্তাব রয়েছে বলে জানান সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি এই মুহূর্তে বলব, আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলেছি। ফিজিবিলিটি স্টাডি (সম্ভাব্যতা সমীক্ষা) অলরেডি কমপ্লিট। অর্থায়নের জায়গাটা নিয়ে ভাবছি এবং এটা নিয়ে আমরা কথা বলছি।
কেবল দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নয়, দীর্ঘদিন ধরে জনদাবি থাকা আরও কয়েকটি সেতু নির্মাণও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল। তিনি জানান, দ্বিতীয় যমুনা সেতু ও বরিশাল-ভোলা সেতু রয়েছে এ তালিকায়।
এর আগে ২০০২ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে পদ্মা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হয়েছিল বলে জানান শেখ রবিউল আলম। পরে শেখ হাসিনার আমলে এর নির্মাণের সময় দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, অর্থের অপচয় হয়েছে। আমি যতটুকু বুঝি, দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু তারপরও পদ্মা সেতুটা হয়েছে। অর্থের ব্যয় কমানো যেত, আরও স্বচ্ছতার সঙ্গে খরচ করা যেত। সেটাই জনগণের দাবি ছিল। কিন্তু করা যায়নি।
যারা পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থের ব্যয় কমাতে পারেনি, তাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং যারা এ প্রকল্পে অর্থের অপচয় করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা চলমান রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পথে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু করার অঙ্গীকার রয়েছে। তাই সে ব্যাপারে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। এখন অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রাক-প্রস্তুতির কাজও এগিয়ে যাচ্ছে।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে ঈদযাত্রার নিরাপত্তা নিয়ে এক প্রস্তুতিমূলক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ সহজ করতে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হয়। ২০২২ সালের ২৫ জুন এ সেতু উদ্বোধন করেন ওই সময়কার প্রধানমন্ত্রী জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা। মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে সংযুক্ত করে এই সেতু গড়ে উঠেছে।
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের দাবিও দীর্ঘদিনের। মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার সঙ্গে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়াকে সংযুক্ত করে এই সেতু নির্মাণের দাবি রয়েছে। আবার এর সঙ্গে পাটুরিয়া থেকে পাবনার কাজিরহাটকে সংযুক্ত করে ইংরেজি বর্ণমালার ‘ওয়াই’ আকৃতিতে এই সেতু নির্মাণের দাবিও রয়েছে।
সব মিলিয়ে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর জন্য তিনটি প্রস্তাব রয়েছে বলে জানান সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি এই মুহূর্তে বলব, আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলেছি। ফিজিবিলিটি স্টাডি (সম্ভাব্যতা সমীক্ষা) অলরেডি কমপ্লিট। অর্থায়নের জায়গাটা নিয়ে ভাবছি এবং এটা নিয়ে আমরা কথা বলছি।
কেবল দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নয়, দীর্ঘদিন ধরে জনদাবি থাকা আরও কয়েকটি সেতু নির্মাণও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল। তিনি জানান, দ্বিতীয় যমুনা সেতু ও বরিশাল-ভোলা সেতু রয়েছে এ তালিকায়।
এর আগে ২০০২ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে পদ্মা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হয়েছিল বলে জানান শেখ রবিউল আলম। পরে শেখ হাসিনার আমলে এর নির্মাণের সময় দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, অর্থের অপচয় হয়েছে। আমি যতটুকু বুঝি, দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু তারপরও পদ্মা সেতুটা হয়েছে। অর্থের ব্যয় কমানো যেত, আরও স্বচ্ছতার সঙ্গে খরচ করা যেত। সেটাই জনগণের দাবি ছিল। কিন্তু করা যায়নি।
যারা পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থের ব্যয় কমাতে পারেনি, তাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং যারা এ প্রকল্পে অর্থের অপচয় করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা চলমান রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রস্তুতিতে সুন্দর আগামী গড়ি’ আমাদের জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান
৪ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল (শনিবার, ১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ (শুক্রবার, ১০ জুলাই) এক বাণীতে এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
৫ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১২৮ জনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে হামের সুনির্দিষ্ট উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯০১ জন। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়ে
৫ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, জুলাই জাদুঘর পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। শিগগিরই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে।
৬ ঘণ্টা আগে