
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিলুপ্তি সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের সরকারি আশ্বাসে চলমান কর্মবিরতি স্থগিত করেছেন এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে ২৯ মের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বর্তমান চেয়ারম্যানকে অপসারণ করার জন্য সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ। সোমবার (২৬ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।
সোমবার (২৬ মে) এনবিআর ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘বর্তমান চেয়ারম্যানের প্রতি এনবিআরের অভ্যন্তরে আস্থার চরম সংকট তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় তার নেতৃত্বে সুষ্ঠু রাজস্ব প্রশাসন পরিচালনা সম্ভব নয়। তাই জাতীয় স্বার্থে তাকে অপসারণ করা জরুরি।’
সংগঠনটি আরও জানায়, সরকারের পক্ষ থেকে এনবিআর বিলুপ্তির অধ্যাদেশ কার্যকর না করার এবং এনবিআরকে বিশেষায়িত বিভাগ হিসেবে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতিকে তারা ইতিবাচকভাবে দেখছে। রাজস্বনীতির জন্য আলাদা সংস্থা গঠনের ঘোষণাকেও স্বাগত জানানো হয়। একইসঙ্গে তারা আশা প্রকাশ করেন, রাজস্ব সংস্কার পরামর্শক কমিটির প্রতিবেদন খুব শিগগিরই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে সরকার।
সংগঠনটি আরও জানায়, ‘গত ১৪ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে আমরা কলম বিরতি ও কর্মবিরতি পালন করি। তবে আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা, রফতানি ও বাজেট কার্যক্রমকে আন্দোলনের আওতামুক্ত রাখা হয়েছিল দেশীয় স্বার্থে। এখন কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত হলেও এনবিআর চেয়ারম্যান অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তার সঙ্গে অসহযোগিতা চলবে।’
সংগঠনটি দাবি করে, এই আন্দোলনের ফলে রাজস্ব ব্যবস্থায় টেকসই সংস্কারের একটি বাস্তব ভিত্তি তৈরি হয়েছে এবং সরকারের সদর্থক প্রতিক্রিয়া আন্দোলনের যৌক্তিকতাকেই প্রমাণ করেছে।
এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে, সরকার যথাসময়ে তাদের দ্বিতীয় দাবি—চেয়ারম্যানের অপসারণ রাজস্ব প্রশাসনে আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনবে। অন্যথায় তারা নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন আরও জোরদার করার ঘোষণা দেবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিলুপ্তি সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের সরকারি আশ্বাসে চলমান কর্মবিরতি স্থগিত করেছেন এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে ২৯ মের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বর্তমান চেয়ারম্যানকে অপসারণ করার জন্য সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ। সোমবার (২৬ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।
সোমবার (২৬ মে) এনবিআর ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘বর্তমান চেয়ারম্যানের প্রতি এনবিআরের অভ্যন্তরে আস্থার চরম সংকট তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় তার নেতৃত্বে সুষ্ঠু রাজস্ব প্রশাসন পরিচালনা সম্ভব নয়। তাই জাতীয় স্বার্থে তাকে অপসারণ করা জরুরি।’
সংগঠনটি আরও জানায়, সরকারের পক্ষ থেকে এনবিআর বিলুপ্তির অধ্যাদেশ কার্যকর না করার এবং এনবিআরকে বিশেষায়িত বিভাগ হিসেবে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতিকে তারা ইতিবাচকভাবে দেখছে। রাজস্বনীতির জন্য আলাদা সংস্থা গঠনের ঘোষণাকেও স্বাগত জানানো হয়। একইসঙ্গে তারা আশা প্রকাশ করেন, রাজস্ব সংস্কার পরামর্শক কমিটির প্রতিবেদন খুব শিগগিরই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে সরকার।
সংগঠনটি আরও জানায়, ‘গত ১৪ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে আমরা কলম বিরতি ও কর্মবিরতি পালন করি। তবে আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা, রফতানি ও বাজেট কার্যক্রমকে আন্দোলনের আওতামুক্ত রাখা হয়েছিল দেশীয় স্বার্থে। এখন কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত হলেও এনবিআর চেয়ারম্যান অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তার সঙ্গে অসহযোগিতা চলবে।’
সংগঠনটি দাবি করে, এই আন্দোলনের ফলে রাজস্ব ব্যবস্থায় টেকসই সংস্কারের একটি বাস্তব ভিত্তি তৈরি হয়েছে এবং সরকারের সদর্থক প্রতিক্রিয়া আন্দোলনের যৌক্তিকতাকেই প্রমাণ করেছে।
এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে, সরকার যথাসময়ে তাদের দ্বিতীয় দাবি—চেয়ারম্যানের অপসারণ রাজস্ব প্রশাসনে আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনবে। অন্যথায় তারা নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন আরও জোরদার করার ঘোষণা দেবে।

নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্ট (এনআই অ্যাক্ট), ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় দায়ের করা চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত এক ক্রিমিনাল আপিল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি মো. বশির উল্লাহ একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ভাইভায় নম্বর বাড়লে নিয়োগে দলীয়করণ, রাজনৈতিক স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হবে—এমন অভিযোগ এনে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন তারা।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হলেও মূল আয়োজন শুরু হবে ২২ সেপ্টেম্বর। সেদিন জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেরও এ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, একদিনে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা এ বছরে এটিই সর্বোচ্চ। অর্থাৎ এ বছরে একদিনে ডেঙ্গুতে এত বেশি মানুষের মৃত্যু হয়নি, একদিনে এত বেশি রোগী হাসপাতালেও ভর্তি হননি।
১৭ ঘণ্টা আগে