
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকার ঘোষিত বেতন কমিশনের (পে-স্কেল) গেজেট প্রকাশ ও ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করাসহ পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নে দেশব্যাপী ধারাবাহিক সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ।
আজ শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর ১৫, আবদুল গণি রোডে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। পূর্বঘোষিত প্রেসক্লাব অভিমুখে শোভাযাত্রা, কর্মচারী সমাবেশ এবং আগামী ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি পরিবর্তন করে নতুন এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য দেন সংগঠনের নীতি-নির্ধারণী কাউন্সিলের চেয়ারম্যান নোমানুজ্জামান আজাদ। লিখিত বক্তব্য পাঠ ও পরিবর্তিত কর্মসূচি ঘোষণা করেন মহাসচিব বদরুল আলম সবুজ। প্রশ্নোত্তর পর্বে বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আজিম।
লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের নেতারা বলেন, তাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করেছিল। সর্বশেষ বাজেট অধিবেশনে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন বেতন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব পাস হওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এখনো বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
তারা বলেন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বিশেষ করে নিম্ন আয়ের সরকারি কর্মচারীরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে কর্মচারীদের ক্ষোভ ও হতাশা দূর করতে অবিলম্বে বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ এবং তা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।
সংগঠনের নেতারা জানান, গত ২৯ জুলাই সমন্বয় পরিষদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি অনির্ধারিত সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বেতন কমিশনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন এবং এ বিষয়ে ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার সঙ্গে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। একই বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ২৬ জুলাই সভাপতি ও মহাসচিবের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাতের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে পরিবর্তন এনে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান নেতারা।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৫ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বিভাগীয় পর্যায়ে দপ্তরে দপ্তরে গণসংযোগ, কর্মচারী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৬ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে কর্মচারী সমাবেশ, গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা সরকারের প্রতি পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো—
১. সরকার ঘোষিত বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ করে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে তা কার্যকর করতে হবে।
২. টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, শতভাগ পেনশন ব্যবস্থা চালু, প্রশাসনিক ও আর্থিক বৈষম্য দূরীকরণ, সচিবালয়ের মতো অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন এবং জাতীয় সার্ভিস কমিশন ও স্থায়ী বেতন কমিশন গঠন করতে হবে।
৩. ওয়ার্কচার্জ, কন্টিনজেন্ট পেইড, মাস্টাররোল ও দৈনিক মজুরিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত সব অস্থায়ী কর্মচারীকে নিয়মিত করতে হবে এবং ন্যায্যমূল্যে মানসম্মত রেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. সচিবালয়ের মতো সমকাজে সমবেতন ও পদবির সমতা নিশ্চিত করতে হবে। আউটসোর্সিং নিয়োগপ্রথা বাতিল করে কর্মরতদের শূন্য রাজস্ব পদে নিয়োগ দিতে হবে এবং সব পর্যায়ের ব্লকপোস্টে পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন ৮৭ ও ৯৮ অনুযায়ী সব সরকারি দপ্তরের কর্মচারীদের ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
নেতারা বলেন, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় নির্বাচিত বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি তাদের আহ্বান, অবিলম্বে বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ করে তা বাস্তবায়ন করা হোক। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘোষিত সাংগঠনিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে সরকারি কর্মচারীদের প্রতি অংশগ্রহণের আহ্বান জানান মহাসচিব বদরুল আলম সবুজ। উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেন সভাপতি মোহাম্মদ আজিম।
এ সময় কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে কুতুব উদ্দিন সেলিম, মো. সেলিম ভূঁইয়া, মো. রোকনুজ্জামান, জিল্লুর রহমান খান, মো. দেলোয়ার হোসেন, ফাহমিদা আক্তার ইলা, ইমরুল কায়েশ পলাশ, মো. আলাউদ্দীন, কামাল হোসেন শিকদার, এম এ আউয়াল, সৈয়দ আজগর আলী এবং মো. আলাউদ্দীন আহম্মেদ মোল্লাসহ সংগঠনের অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ এবং সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে অব্যাহত থাকবে।

সরকার ঘোষিত বেতন কমিশনের (পে-স্কেল) গেজেট প্রকাশ ও ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করাসহ পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নে দেশব্যাপী ধারাবাহিক সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ।
আজ শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর ১৫, আবদুল গণি রোডে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। পূর্বঘোষিত প্রেসক্লাব অভিমুখে শোভাযাত্রা, কর্মচারী সমাবেশ এবং আগামী ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি পরিবর্তন করে নতুন এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য দেন সংগঠনের নীতি-নির্ধারণী কাউন্সিলের চেয়ারম্যান নোমানুজ্জামান আজাদ। লিখিত বক্তব্য পাঠ ও পরিবর্তিত কর্মসূচি ঘোষণা করেন মহাসচিব বদরুল আলম সবুজ। প্রশ্নোত্তর পর্বে বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আজিম।
লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের নেতারা বলেন, তাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করেছিল। সর্বশেষ বাজেট অধিবেশনে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন বেতন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব পাস হওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এখনো বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
তারা বলেন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বিশেষ করে নিম্ন আয়ের সরকারি কর্মচারীরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে কর্মচারীদের ক্ষোভ ও হতাশা দূর করতে অবিলম্বে বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ এবং তা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।
সংগঠনের নেতারা জানান, গত ২৯ জুলাই সমন্বয় পরিষদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি অনির্ধারিত সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বেতন কমিশনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন এবং এ বিষয়ে ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার সঙ্গে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। একই বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ২৬ জুলাই সভাপতি ও মহাসচিবের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাতের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে পরিবর্তন এনে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান নেতারা।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৫ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বিভাগীয় পর্যায়ে দপ্তরে দপ্তরে গণসংযোগ, কর্মচারী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৬ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে কর্মচারী সমাবেশ, গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা সরকারের প্রতি পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো—
১. সরকার ঘোষিত বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ করে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে তা কার্যকর করতে হবে।
২. টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, শতভাগ পেনশন ব্যবস্থা চালু, প্রশাসনিক ও আর্থিক বৈষম্য দূরীকরণ, সচিবালয়ের মতো অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন এবং জাতীয় সার্ভিস কমিশন ও স্থায়ী বেতন কমিশন গঠন করতে হবে।
৩. ওয়ার্কচার্জ, কন্টিনজেন্ট পেইড, মাস্টাররোল ও দৈনিক মজুরিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত সব অস্থায়ী কর্মচারীকে নিয়মিত করতে হবে এবং ন্যায্যমূল্যে মানসম্মত রেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. সচিবালয়ের মতো সমকাজে সমবেতন ও পদবির সমতা নিশ্চিত করতে হবে। আউটসোর্সিং নিয়োগপ্রথা বাতিল করে কর্মরতদের শূন্য রাজস্ব পদে নিয়োগ দিতে হবে এবং সব পর্যায়ের ব্লকপোস্টে পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন ৮৭ ও ৯৮ অনুযায়ী সব সরকারি দপ্তরের কর্মচারীদের ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
নেতারা বলেন, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় নির্বাচিত বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি তাদের আহ্বান, অবিলম্বে বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ করে তা বাস্তবায়ন করা হোক। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘোষিত সাংগঠনিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে সরকারি কর্মচারীদের প্রতি অংশগ্রহণের আহ্বান জানান মহাসচিব বদরুল আলম সবুজ। উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেন সভাপতি মোহাম্মদ আজিম।
এ সময় কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে কুতুব উদ্দিন সেলিম, মো. সেলিম ভূঁইয়া, মো. রোকনুজ্জামান, জিল্লুর রহমান খান, মো. দেলোয়ার হোসেন, ফাহমিদা আক্তার ইলা, ইমরুল কায়েশ পলাশ, মো. আলাউদ্দীন, কামাল হোসেন শিকদার, এম এ আউয়াল, সৈয়দ আজগর আলী এবং মো. আলাউদ্দীন আহম্মেদ মোল্লাসহ সংগঠনের অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ এবং সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে অব্যাহত থাকবে।

খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
এমএসএফের পর্যবেক্ষণ বলছে, মোট অপরাধের সংখ্যা কমলেও নির্যাতনের ধরন এখন আরও বেশি নৃশংস ও জটিল রূপ নিয়েছে। সংস্থাটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাই মাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৯০টি। জুনে এ সংখ্যা ছিল ৬৮টি। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ।
১৬ ঘণ্টা আগে
বসুন্ধরা গ্রুপ ও ভিশনকেয়ার ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছে উন্নতমানের চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে