
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সব ধরনের হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবিতে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির সামনে অবস্থান এবং প্রদীপ প্রজ্বলন কর্মসূচি পালিত পালনকালে জাতীয় পুরষ্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার সন্ধ্যয় এ ঘটনা ঘটে।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। একপর্যায়ে আগুন দেওয়া হয় বাড়িটিতে। ফলে বাড়িটি পুড়ে গিয়ে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।
বুধবার বিকেলে রোকয়া প্রাচীর নেতৃত্ব বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বেশকিছু মানুষ বাড়িটির সামনে যান। এরপর সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন রোকেয়া প্রাচী। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সব ধরনের হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবি জানান তিনি।
এরপর সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতির সামনে মোমবাতি প্রজ্বলন ও এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
এ সময় রোকেয়া প্রাচী বলেন, আজ আমরা সবাই এখানে আজ একত্রিত হয়েছি; কারণ বাংলাদেশ পুড়েছে। আমরা সবাই একত্রিত হয়েছি কারণ আমাদের ১৯৭১ পুড়েছে। আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি কারণ আমাদের বঙ্গবন্ধু ছবি পুড়েছে, ধানমণ্ডি ৩২ পুড়েছে৷ আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি বাংলাদেশ পুড়েছে বলে। আমরা এখানে কোনো রাজনীতির কথা বলতে আসিনি। বাংলাদেশ আমাদের সবার।
তিনি বলেন, আমরা এখানে শোক প্রকাশ করতে এসেছি শান্তিপূর্ণভাবে। আমরা বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করি। তিনি আমাদের জন্য এই বাংলাদেশ দিয়েছেন, সংবিধান দিয়েছেন। এই বত্রিশ যখন পুড়েছে তখন আমাদের মনে হয়েছে আমরা পুড়েছি। আমরা ধানমন্ডি ৩২ এ দাঁড়িয়ে সারাবিশ্বের এই মহানায়কের কাছে ক্ষমা চাইছি, আমরা লজ্জিত, বাঙালি জাতি আজ লজ্জিত।
তবে এর কিছুক্ষণ পরই একদল দুর্বৃত্ত তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় মারধর করা হয় রোকেয়া প্রাচীকে। প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, হামলাকারীদের অনেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
এদিকে, হামলার ঘটনার খবরে দ্রুত সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সব ধরনের হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবিতে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির সামনে অবস্থান এবং প্রদীপ প্রজ্বলন কর্মসূচি পালিত পালনকালে জাতীয় পুরষ্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার সন্ধ্যয় এ ঘটনা ঘটে।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। একপর্যায়ে আগুন দেওয়া হয় বাড়িটিতে। ফলে বাড়িটি পুড়ে গিয়ে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।
বুধবার বিকেলে রোকয়া প্রাচীর নেতৃত্ব বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বেশকিছু মানুষ বাড়িটির সামনে যান। এরপর সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন রোকেয়া প্রাচী। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সব ধরনের হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবি জানান তিনি।
এরপর সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতির সামনে মোমবাতি প্রজ্বলন ও এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
এ সময় রোকেয়া প্রাচী বলেন, আজ আমরা সবাই এখানে আজ একত্রিত হয়েছি; কারণ বাংলাদেশ পুড়েছে। আমরা সবাই একত্রিত হয়েছি কারণ আমাদের ১৯৭১ পুড়েছে। আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি কারণ আমাদের বঙ্গবন্ধু ছবি পুড়েছে, ধানমণ্ডি ৩২ পুড়েছে৷ আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি বাংলাদেশ পুড়েছে বলে। আমরা এখানে কোনো রাজনীতির কথা বলতে আসিনি। বাংলাদেশ আমাদের সবার।
তিনি বলেন, আমরা এখানে শোক প্রকাশ করতে এসেছি শান্তিপূর্ণভাবে। আমরা বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করি। তিনি আমাদের জন্য এই বাংলাদেশ দিয়েছেন, সংবিধান দিয়েছেন। এই বত্রিশ যখন পুড়েছে তখন আমাদের মনে হয়েছে আমরা পুড়েছি। আমরা ধানমন্ডি ৩২ এ দাঁড়িয়ে সারাবিশ্বের এই মহানায়কের কাছে ক্ষমা চাইছি, আমরা লজ্জিত, বাঙালি জাতি আজ লজ্জিত।
তবে এর কিছুক্ষণ পরই একদল দুর্বৃত্ত তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় মারধর করা হয় রোকেয়া প্রাচীকে। প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, হামলাকারীদের অনেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
এদিকে, হামলার ঘটনার খবরে দ্রুত সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঘরের ভেতর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল করে পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে দুপুরের দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রুবেলের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে।
৬ ঘণ্টা আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ৫ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত অথবা সন্নিহিত সময়ে সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন ভারতের মেঘালয়, আসাম, বরাক অববাহিকা, ত্রিপুরা ও মিয়ানমারের পার্বত্য ও উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় ১০০ থেকে ১৫০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও মোট বৃষ্টিপ
৭ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে তাদের অবসর প্রদান করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৪ ডিআইজি, ১৭ অতিরিক্ত ডিআইজি এবং ২ পুলিশ সুপার রয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আজ বিকেলে রাজধানীতে ৮৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
৮ ঘণ্টা আগে