
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পাঠ্যবই নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ও প্রকাশ্যে পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরিচ্যুত হওয়া শিক্ষক আসিফ মাহতাবের পক্ষে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এক বিবৃতিতে নিন্দা জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সরকার নীতি-আদর্শহীন শিক্ষা কারিকুলাম জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের চরিত্র ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষা কারিকুলামের বিরুদ্ধে শিক্ষাবিদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বিবৃতি দিয়ে এই কারিকুলাম সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে। সরকার তার তোয়াক্কা না করে জাতির ঘাড়ে একটি অনৈতিক শিক্ষা ব্যবস্থা চাপিয়ে দিচ্ছে। এরই প্রেক্ষাপটে ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মাহতাব একজন আদর্শবান শিক্ষকের মতোই ভূমিকা পালন করেছেন। আসিফ তার বিবেকের তাড়নায় সমকামিতার বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন। তার এই দৃঢ় ভূমিকার কারণে আমি তাঁকে মুবারকবাদ জানাচ্ছি। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে চাকরিচ্যুত করে মূলত জাতিসত্তাবিরোধী শিক্ষা কারিকুলামের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আসিফ মাহতাব যে সাহসী ও দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন, তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে দেশের শিক্ষক সমাজ, আলেম-ওলামা, ছাত্র-অভিভাবক ও আপামর জনতাকে এগিয়ে আসতে হবে। এটি আসিফ মাহতাবের ব্যক্তিগত কোনো ইস্যু নয়। এটি একটি জাতীয় ইস্যু। জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনৈতিক শিক্ষা দিয়ে তাদের চরিত্র ধ্বংস করে দেওয়া হবে, আর দেশের ইসলামপ্রিয় জনতা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তামাশা দেখবে তা মনে করলে ভুল করা হবে।’
এতে আরও বলা হয়, ‘সরকারের আত্মঘাতী শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার জন্য আমি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশবাসী সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে আসিফ মাহতাবকে চাকরিচ্যুত করার অন্যায় আদেশ প্রত্যাহার করে অবিলম্বে তাঁকে পুনর্বহাল করার জন্য ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

পাঠ্যবই নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ও প্রকাশ্যে পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরিচ্যুত হওয়া শিক্ষক আসিফ মাহতাবের পক্ষে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এক বিবৃতিতে নিন্দা জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সরকার নীতি-আদর্শহীন শিক্ষা কারিকুলাম জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের চরিত্র ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষা কারিকুলামের বিরুদ্ধে শিক্ষাবিদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বিবৃতি দিয়ে এই কারিকুলাম সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে। সরকার তার তোয়াক্কা না করে জাতির ঘাড়ে একটি অনৈতিক শিক্ষা ব্যবস্থা চাপিয়ে দিচ্ছে। এরই প্রেক্ষাপটে ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মাহতাব একজন আদর্শবান শিক্ষকের মতোই ভূমিকা পালন করেছেন। আসিফ তার বিবেকের তাড়নায় সমকামিতার বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন। তার এই দৃঢ় ভূমিকার কারণে আমি তাঁকে মুবারকবাদ জানাচ্ছি। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে চাকরিচ্যুত করে মূলত জাতিসত্তাবিরোধী শিক্ষা কারিকুলামের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আসিফ মাহতাব যে সাহসী ও দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন, তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে দেশের শিক্ষক সমাজ, আলেম-ওলামা, ছাত্র-অভিভাবক ও আপামর জনতাকে এগিয়ে আসতে হবে। এটি আসিফ মাহতাবের ব্যক্তিগত কোনো ইস্যু নয়। এটি একটি জাতীয় ইস্যু। জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনৈতিক শিক্ষা দিয়ে তাদের চরিত্র ধ্বংস করে দেওয়া হবে, আর দেশের ইসলামপ্রিয় জনতা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তামাশা দেখবে তা মনে করলে ভুল করা হবে।’
এতে আরও বলা হয়, ‘সরকারের আত্মঘাতী শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার জন্য আমি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশবাসী সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে আসিফ মাহতাবকে চাকরিচ্যুত করার অন্যায় আদেশ প্রত্যাহার করে অবিলম্বে তাঁকে পুনর্বহাল করার জন্য ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় রিপোর্টের ভিত্তিতে গতকাল তাদের ৭ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সাথে এসব অঞ্চলে বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি টর্নেডো দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রে। তবে বাংলাদেশও টর্নেডোপ্রবণ দেশগুলোর একটি। বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী টর্নেডোর ঘটনাও ঘটেছে বাংলাদেশে। ১৯৮৯ সালের ২৬ এপ্রিল মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর ও সাটুরিয়া উপজেলায় এই ভয়াবহ টর্নেডো আঘাত হানে, যা ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ টর্নেডো হিসেবে স্বীকৃত।
১৯ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, গ্রামে মাসে ৭৫ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় না। এ কারণে যারা মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তাদের জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। প্রান্তিক মানুষ যাতে কষ্ট না পান, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
১ দিন আগে