সরকারে নিয়োজিতদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট চাওয়া দণ্ডনীয়: ইসি

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২১: ৪৭
নির্বাচন কমিশন

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিয়োজিত ব্যক্তিরা গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারলেও ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ ভোটের পক্ষে ভোট দিতে আহ্বান জানাতে পারবেন না। কোনো কর্মকর্তা যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে কাউকে আহ্বান জানান, তার এ কাজ হবে দণ্ডনীয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের গণভোটের সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ ধরনের কার্যক্রম গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে, যা গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ বিধান অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে চিঠিতে।

ইসির চিঠিতে গণভোট অধ্যাদেশের যে ২১ ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তাতে বলা আছে— ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুযায়ী যেসব কাজ অপরাধ ও নির্বাচনি আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসাবে গণ্য, একই ধরনের কাজ গণভোটের ক্ষেত্রেও যতদূর প্রযোজ্য, অপরাধ ও আচরণবিধির লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে। এমন ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান প্রয়োগ করে এখতিয়ারসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ওই অপরাধের বিচার ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

অন্যদিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৮৬ ধারায় বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে তার সরকারি পদমর্যাদার অপব্যবহার করলে তিনি সর্বোচ্চ পাচ বছর ও সর্বনিম্ন এক বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের গণভোট নেওয়া হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে এ গণভোট নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে প্রচার করতে বলা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়ে প্রচারও করা হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ সরকারের উপদেষ্টারা সরাসরি ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইছেন। সরকারি প্রতিষ্ঠানের বাইরে আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানও প্রচারে অংশ নিচ্ছে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হলেন ৪০ কর্মকর্তা

বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৪০ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।

৫ ঘণ্টা আগে

সাংবাদিকরা পর্যবেক্ষণ করলে নির্বাচনে স্বচ্ছতা থাকবে: সিইসি

এ সময়, সাংবাদিক নীতিমালা সংশোধন ও ভোট পর্যবেক্ষণের পাস দেয়ার অনলাইন পদ্ধতি বাতিল করে তা সহজ করার আহ্বান জানান সাংবাদিক নেতারা।

৭ ঘণ্টা আগে

সংঘর্ষে জামায়াত নেতার মৃত্যু: জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি সরকারের

নির্বাচনী প্রচারণায় ভোটারদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে সম্পৃক্ত হওয়াই কাম্য। মূলত শান্ত পরিবেশ, শৃঙ্খলা এবং গণতান্ত্রিক আচরণের ওপরই জাতির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল।

১১ ঘণ্টা আগে

ঘরে বসেই সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণের আবেদন, সময়সীমাও বাড়াল

সংশোধিত বিধিমালায় এই পরিবর্তন যুক্ত করা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি অথবা নিহতের পরিবারের সদস্যরা দুর্ঘটনার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

১২ ঘণ্টা আগে