
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস সামনে রেখে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। একই সঙ্গে তিনি দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছাসহ এ চিঠি পাঠান ভারতের রাষ্ট্রপতি।
চিঠিতে দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, ‘ভারতের সরকার, জনগণ ও আমার পক্ষ থেকে জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আমি আপনাকে এবং বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।’
দুই দেশের গভীর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশ একটি অভিন্ন ইতিহাস, গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং দীর্ঘস্থায়ী ভাষাগত ঐতিহ্যের মাধ্যমে আবদ্ধ, যা আমাদের ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্বের ভিত্তি গড়ে তুলেছে।’
দ্রৌপদী মুর্মু আরও বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে দুই দেশ সংযোগ, বাণিজ্য, উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ ও শিক্ষাসহ প্রধান খাতগুলোতে জনমুখী উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, যা সীমান্তের উভয় পাশে নাগরিকদের জন্য বাস্তব সুফল বয়ে এনেছে।’
ভারতের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে দেশটির রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দ্বিপাক্ষিক অংশীদারি আরও জোরদার করতে এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।’
চিঠির শেষে তিনি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে শুভকামনা জানান।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস সামনে রেখে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। একই সঙ্গে তিনি দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছাসহ এ চিঠি পাঠান ভারতের রাষ্ট্রপতি।
চিঠিতে দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, ‘ভারতের সরকার, জনগণ ও আমার পক্ষ থেকে জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আমি আপনাকে এবং বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।’
দুই দেশের গভীর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশ একটি অভিন্ন ইতিহাস, গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং দীর্ঘস্থায়ী ভাষাগত ঐতিহ্যের মাধ্যমে আবদ্ধ, যা আমাদের ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্বের ভিত্তি গড়ে তুলেছে।’
দ্রৌপদী মুর্মু আরও বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে দুই দেশ সংযোগ, বাণিজ্য, উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ ও শিক্ষাসহ প্রধান খাতগুলোতে জনমুখী উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, যা সীমান্তের উভয় পাশে নাগরিকদের জন্য বাস্তব সুফল বয়ে এনেছে।’
ভারতের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে দেশটির রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দ্বিপাক্ষিক অংশীদারি আরও জোরদার করতে এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।’
চিঠির শেষে তিনি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে শুভকামনা জানান।

একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বাধীনতার সেই লক্ষ্য সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
জিনোমিকস ব্যবহার করে বিশ্বের বৃহত্তম টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য সেঁজুতি সাহাকে এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের ২০২৫ সালের টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন কর্মসূচিতে তার গবেষণা ও তথ্যভিত্তিক কাজ এরই মধ্যে চার কোটির বেশি শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে সহায়তা করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ায় জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে