
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশে বর্তমানে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৪০ হাজারে, যা আগের বছর থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার বেশি। গত বছর এই সময়ে বেকারের পরিমাণ ছিল ২৫ লাখ। ২০১৬ সালের পর গত ৮ বছরের মধ্যে এবারই বেকারের সংখ্যা সর্বোচ্চ।
বুধবার (২৮ আগস্ট) Quarterly Labour Force Survey ২০২৪ এর চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
বিবিএস এর তথ্যমতে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক তথা এপ্রিল-জুন সময়ে দেশে বেকারত্বের হার দাঁড়িয়েছে ৩.৬৫ শতাংশে, যা আগের বছরের একই সময়ে ৩.৪১ শতাংশের তুলনায় ০.২৪ শতাংশ বেশি।
আর লিঙ্গ ভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পুরুষদের মধ্যে গত তিন মাসে বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৮৫ শতাংশে, যা গত ১৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এই প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত এক বছরে দেশে ১০ লাখ ৭০ হাজার কর্মসংস্থান কমেছে। কাজের সংস্থান না থাকায় শ্রমবাজারে অংশ নেয়া মানুষের সংখ্যাও কমেছে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার।
গত এক বছরে কৃষি খাতে ২ লাখ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান কমে আসার বিপরীতে শিল্প খাতে বেড়েছে প্রায় দুই লাখ কর্মসংস্থান। তবে এককভাবে সেবা খাতে প্রায় ১০ লাখ ৪০ হাজার কর্ম কমেছে বলে জানিয়েছে বিবিএস।
গত কয়েক বছরে সামষ্টিক অর্থনীতিতে বিভিন্ন জটিলতা, ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির কারণে অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে আস ও বিভিন্ন সংকটের কারণে কর্মসংস্থান কমছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৩ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার মানুষ নিয়োজিত করে কৃষি খাত এখনও কর্মসংস্থানে শীর্ষে রযেছে। এ খাতে নিয়োজিত আছেন ৪৪ শতাংশ মানুষ। এর বাইরে শিল্প খাতে ১৮ শতাংশ ও সেবা খাতে ৩৮ শতাংশ মানুষ নিয়োজিত আছেন।
প্রতিবেদনে আরো দেখা গেছে, এপ্রিল-জুন সময়ে দেশে কর্মে নিয়োজিত মানুষের সংখ্যা ৬ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজারে নেমে এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭ কোটি ৭ লাখ ১০ হাজার। এ হিসাবে এক বছরে কর্মসংস্থান কমেছে প্রায় ১০ লাখ ৭০ হাজার। এর মধ্যে পুরুষদের ৩ লাখ ৩০ হাজার ও নারীদের ৭ লাখ ৪০ হাজার কাজ কমেছে বলে জানিয়েছে বিবিএস। এক বছরে কাজ হারানো মানুষের প্রায় ৬৯ শতাংশই নারী।
পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, গত এক বছরে দেশে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কমে শ্রমশক্তির আকার দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ২২ লাখ ৮০ হাজারে। গত বছরের একই সময়ে শ্রমশক্তির আকার ছিল ৭ কোটি ৩২ লাখ ১০ হাজার।
গত এক বছরে ১ লাখ ৫০ হাজার পুরুষ ও ৭ লাখ ৮০ হাজার নারী শ্রম বাজার ছেড়েছেন। এ হিসাবে শ্রমবাজার ছেড়ে দেয়াা মানুষের প্রায় ৮৪ শতাংশই নারী।
বিবিএস সূত্র জানায়, সপ্তাহে মাত্র এক ঘন্টা কাজ করলেই আন্তর্জাতিক শ্রমসংস্থার হিসাবে তাকে কর্মে নিযোজিত হিসেবে গণ্য করা হয়। তাছাড়া কেউ এক মাস কাজ না খোজলেই বেকারের তালিকায় না দেখিয়ে তাকে কর্ম বাজারের বাইরে দেখানো হয়। এ ধরনের প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার মানুষকে যোগ করলে দেশে প্রকৃত বেকারের সংখ্যা কযেক গুণ বাড়বে।
এই বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাাপক ও সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান বলেন, দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে আসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলন ও আগস্টের বিপ্লব। বেসরকারি খাতে কাজের পর্যাপ্ত ও আকর্ষনীয় সুযোগ থাকলে সরকারি চাকুরীর জন্যে এত বড় আন্দোলনের যৌক্তিকতা ছিল না।
তিনি আরও বলেন, কয়েক বছর ধরে ব্যাাংকিং খাতে অস্থিরতা, বিনিয়োগে খরা, বাড়তি মূল্যস্ফীতি, অভ্যন্তরীণ সামষ্টিক চাহিদায় ধ্বসের কারণে কর্মসংস্থান কমেছে। আমাদের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৭ শতাংশই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের এবং এই উদ্যোগুলো মূলত সেবা খাতের আত্মকর্মসংস্থান ও ছোট শিল্প প্রতিষ্ঠান। নিয়ম-নীতি পরিপালনের বাধ্যবাধকতা না থাকায় এসব খাতেই কর্মচ্যুতির ঘটনা বেশি ঘটছে।
এছাড়া, অর্থনীতি পুনরোদ্ধারে যথাযথ উদ্যোগ নেয়া না হলে অন্যান্য খাতেও এই ব্যাধি প্রকট আকার ধারণ ও ডিসেন্ট কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে যুব সম্প্রদায়ের ভাগ্য উন্নয়ন চলতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়াবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশে বর্তমানে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৪০ হাজারে, যা আগের বছর থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার বেশি। গত বছর এই সময়ে বেকারের পরিমাণ ছিল ২৫ লাখ। ২০১৬ সালের পর গত ৮ বছরের মধ্যে এবারই বেকারের সংখ্যা সর্বোচ্চ।
বুধবার (২৮ আগস্ট) Quarterly Labour Force Survey ২০২৪ এর চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
বিবিএস এর তথ্যমতে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক তথা এপ্রিল-জুন সময়ে দেশে বেকারত্বের হার দাঁড়িয়েছে ৩.৬৫ শতাংশে, যা আগের বছরের একই সময়ে ৩.৪১ শতাংশের তুলনায় ০.২৪ শতাংশ বেশি।
আর লিঙ্গ ভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পুরুষদের মধ্যে গত তিন মাসে বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৮৫ শতাংশে, যা গত ১৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এই প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত এক বছরে দেশে ১০ লাখ ৭০ হাজার কর্মসংস্থান কমেছে। কাজের সংস্থান না থাকায় শ্রমবাজারে অংশ নেয়া মানুষের সংখ্যাও কমেছে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার।
গত এক বছরে কৃষি খাতে ২ লাখ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান কমে আসার বিপরীতে শিল্প খাতে বেড়েছে প্রায় দুই লাখ কর্মসংস্থান। তবে এককভাবে সেবা খাতে প্রায় ১০ লাখ ৪০ হাজার কর্ম কমেছে বলে জানিয়েছে বিবিএস।
গত কয়েক বছরে সামষ্টিক অর্থনীতিতে বিভিন্ন জটিলতা, ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির কারণে অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে আস ও বিভিন্ন সংকটের কারণে কর্মসংস্থান কমছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৩ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার মানুষ নিয়োজিত করে কৃষি খাত এখনও কর্মসংস্থানে শীর্ষে রযেছে। এ খাতে নিয়োজিত আছেন ৪৪ শতাংশ মানুষ। এর বাইরে শিল্প খাতে ১৮ শতাংশ ও সেবা খাতে ৩৮ শতাংশ মানুষ নিয়োজিত আছেন।
প্রতিবেদনে আরো দেখা গেছে, এপ্রিল-জুন সময়ে দেশে কর্মে নিয়োজিত মানুষের সংখ্যা ৬ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজারে নেমে এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭ কোটি ৭ লাখ ১০ হাজার। এ হিসাবে এক বছরে কর্মসংস্থান কমেছে প্রায় ১০ লাখ ৭০ হাজার। এর মধ্যে পুরুষদের ৩ লাখ ৩০ হাজার ও নারীদের ৭ লাখ ৪০ হাজার কাজ কমেছে বলে জানিয়েছে বিবিএস। এক বছরে কাজ হারানো মানুষের প্রায় ৬৯ শতাংশই নারী।
পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, গত এক বছরে দেশে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কমে শ্রমশক্তির আকার দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ২২ লাখ ৮০ হাজারে। গত বছরের একই সময়ে শ্রমশক্তির আকার ছিল ৭ কোটি ৩২ লাখ ১০ হাজার।
গত এক বছরে ১ লাখ ৫০ হাজার পুরুষ ও ৭ লাখ ৮০ হাজার নারী শ্রম বাজার ছেড়েছেন। এ হিসাবে শ্রমবাজার ছেড়ে দেয়াা মানুষের প্রায় ৮৪ শতাংশই নারী।
বিবিএস সূত্র জানায়, সপ্তাহে মাত্র এক ঘন্টা কাজ করলেই আন্তর্জাতিক শ্রমসংস্থার হিসাবে তাকে কর্মে নিযোজিত হিসেবে গণ্য করা হয়। তাছাড়া কেউ এক মাস কাজ না খোজলেই বেকারের তালিকায় না দেখিয়ে তাকে কর্ম বাজারের বাইরে দেখানো হয়। এ ধরনের প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার মানুষকে যোগ করলে দেশে প্রকৃত বেকারের সংখ্যা কযেক গুণ বাড়বে।
এই বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাাপক ও সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান বলেন, দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে আসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলন ও আগস্টের বিপ্লব। বেসরকারি খাতে কাজের পর্যাপ্ত ও আকর্ষনীয় সুযোগ থাকলে সরকারি চাকুরীর জন্যে এত বড় আন্দোলনের যৌক্তিকতা ছিল না।
তিনি আরও বলেন, কয়েক বছর ধরে ব্যাাংকিং খাতে অস্থিরতা, বিনিয়োগে খরা, বাড়তি মূল্যস্ফীতি, অভ্যন্তরীণ সামষ্টিক চাহিদায় ধ্বসের কারণে কর্মসংস্থান কমেছে। আমাদের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৭ শতাংশই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের এবং এই উদ্যোগুলো মূলত সেবা খাতের আত্মকর্মসংস্থান ও ছোট শিল্প প্রতিষ্ঠান। নিয়ম-নীতি পরিপালনের বাধ্যবাধকতা না থাকায় এসব খাতেই কর্মচ্যুতির ঘটনা বেশি ঘটছে।
এছাড়া, অর্থনীতি পুনরোদ্ধারে যথাযথ উদ্যোগ নেয়া না হলে অন্যান্য খাতেও এই ব্যাধি প্রকট আকার ধারণ ও ডিসেন্ট কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে যুব সম্প্রদায়ের ভাগ্য উন্নয়ন চলতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়াবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ, সরাসরি বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ- সবই বাংলাদেশে আসছে। বাজেট প্রথমত বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলের যে সম্ভাবনা আছে, সেটিকে মাথায় রেখে বাজেট করা হয়েছে এবং সেই সম্ভাবনাগুলো কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হ
৮ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, “যে কারণে এত মানুষ জীবন দিয়েছে, সেই জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে সরকার। আইন অনুযায়ী, অন্যায়কারী এবং হত্যাকারীদের বিচার করা হবে। বিচারের নামে যেন কারও প্রতি অবিচার না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে”
৯ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘জগতের সব ধরনের বৈচিত্র্য, ভিন্নমত ও আদর্শের অবাধ আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই কেবল শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান সম্ভব; আর সেজন্য প্রয়োজন মুক্ত ও দায়িত্বশীল বুদ্ধিচর্চা।’
১০ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার সকালে ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’-এর কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আ ন ম আয়াস, কেন্দ্রীয় সংগঠক তুহিন ফরাজী এবং কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মুহাম্মদ শাহ্ আলম বাদশা এ অভিযোগ দায়ের করেন।
১১ ঘণ্টা আগে