নাট্যপাড়ায় সপরিবারে নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর নাট্যপাড়ায় সপরিবারে হাজির হয়ে শিশুতোষ নাটক উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বেইলি রোডের একটি থিয়েটারে শিশুতোষ নাটক ‘কবি চিতাবাঘ’ উপভোগ করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ব্যস্ত সূচির মাঝেও কিছুটা সময় বের করে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে নাটকটি দেখতে যান।

এর আগে গত ৩ এপ্রিল কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভারে অবস্থিত স্টার সিনেপ্লেক্সে একটি চলচ্চিত্র উপভোগ করেছিলেন তারেক রহমান।

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর এই ধারাবাহিক অংশগ্রহণ দেশের শিল্প-সংস্কৃতির অঙ্গনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সংস্কৃতিকর্মীরা।

তারা বলছেন, খোদ সরকারপ্রধানের থিয়েটার ও সিনেমায় উপস্থিতি সাধারণ দর্শকদেরও বিনোদনের সুস্থ ধারায় উৎসাহিত করবে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

রেশমের হারানো গৌরব ফেরাতে কাজ করছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, রাজশাহী সিল্ক (রেশম) শুধু একটি অঞ্চলের নয়, এটি সারা বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও গৌরবের প্রতীক। তাই এই শিল্পের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে এবং শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকার ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে।

৭ ঘণ্টা আগে

শিক্ষাখাতে বাজেট বৃদ্ধি, কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব-জবাবদিহিতার তাগিদ শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামী দিনে শিক্ষাখাতে বাজেট আরও বৃদ্ধি পাবে। তবে এই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সঠিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে তিনি কারিগরি শিক্ষাকে দেশের উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করে এ খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

৮ ঘণ্টা আগে

এসএসসি পরীক্ষায় লোডশেডিং রোধে বিদ্যুৎ বিভাগকে চিঠি দেবেন শিক্ষামন্ত্রী

আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলাকালে লোডশেডিং বন্ধে বিদ্যুৎ বিভাগকে চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, পরীক্ষা চলাকালে যেন সারা দেশে কোনো লোডশেডিং না হয়, সেজন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে বিশেষ চিঠি দেবো। আশা করি, লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি থেকে পরীক্ষার্থীরা মুক্তি পাবে।

১০ ঘণ্টা আগে

দেড় বছর ধরে শেখ হাসিনা কেন দিল্লিতে, প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, মোদি সরকার জনস্বার্থের চেয়ে কর্পোরেট স্বার্থকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের করের টাকা ব্যয় করে একজন বিদেশি নেতাকে আশ্রয় দেওয়ার চেয়ে দেশের বেকারত্ব ও মূল্যবৃদ্ধি মোকাবিলায় সরকারের বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

১০ ঘণ্টা আগে