সংসদ অধিবেশন

ইসলামী ব্যাংকে ‘অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ’ বন্ধ চায় জামায়াত, সরকার বলছে ‘যথাযথ প্রক্রিয়া’ চলমান

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১০ জুন ২০২৬, ০২: ০৩
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে আলোচনা করেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (বাঁয়ে), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ (মাঝে) ও বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান (ডানে)। ছবি: ভিডিও থেকে

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে জাতীয় সংসদ অধিবেশ দীর্ঘ আলোচনা করেছে সরকারি দল বিএনপি ও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। উত্তাপ ছড়ানো আলোচনায় জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সরকারি হস্তক্ষেপ ব্যাংকটির প্রতি আস্থা নষ্ট করছে। ব্যাংকটিতে ‘অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ’ বন্ধ দাবি করেছে দলটি।

অন্যদিকে অর্থমন্ত্রী দাবি করেছেন, একটি ব্যাংকটির প্রতি জনঅনাস্থা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। ব্যাংকটিকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য ‘যথাযথ প্রক্রিয়া’ চলমান রয়েছে। একই ইস্যুতে কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও। তিনি বিরোধী দলকে আশ্বস্ত করেছেন, ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ঘিরে যেসব অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, সবগুলোর যথাযথ তদন্ত হবে।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের শেয়ার তাদের কথিত প্রকৃত মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনায় ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে জাতীয় সংসদে বিধি ৬৮ অনুযায়ী বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান ‘জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ’ আকারে বিষয়টি উত্থাপন করেন।

জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ৬৮ ধারা অনুযায়ী জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনার জন্য সংসদে নোটিশ দেওয়া যায়। নোটিশটি গৃহীত হলে স্পিকার আলোচনার সময় ঠিক করে দেন। মঙ্গলবার বিরোধী দলীয় নেতার নোটিশের পর এই বিধি অনুযায়ীই ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে সরকারি ও বিরোধী দলের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য আলোচনা করেন।

কী বলছে জামায়াত

নোটিশের ওপর আলেঅচনায় অংশ নিয়ে জামায়াত থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি নূরন্নেসা সিদ্দিকা বলেন, ইসলামী ব্যাংক ধ্বংস করে দেশের অর্থব্যবস্থাকে ধ্বংস করার নীলনকশা করা হয়েছিল।

জামায়াত থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের আরেক এমপি মারদিয়া মমতাজ বলেন, নতুন চেয়ারম্যান দেওয়ার পর গ্রাহকদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। সাত দিনে চার হাজার ২০০ কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে এবং ব্যাংকটি তারল্য সংকটে পড়েছে।

বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত ঘটনাপ্রবাহ, মালিকানা পরিবর্তন, ঋণ বিতরণ, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একটি সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা যেতে পারে। এই কমিটি সবকিছু পর্যালোচনা করে সংসদে রিপোর্ট দেবে। এরপর প্রয়োজন হলে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক বা সংসদ একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

নোটিশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, স্বৈরাচারী শাসনামলের পতনের পর ইসলামী ব্যাংক ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল এবং গ্রাহকের আস্থা ফিরে পাচ্ছিল। নতুন করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিয়ে ব্যাংকটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে এবং এতে ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ইসলামী ব্যাংক কোনো একটি রাজনৈতিক দলের নয়, এর গ্রাহক সব দল, ধর্ম ও শ্রেণির মানুষ।

ব্যাংকের শেয়ার পুনরায় প্রকৃত মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইন অনুযায়ী বোর্ড পুনর্গঠনের দাবি করেন জানান নোটিশদাতা বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, এস আলম গ্রুপের মাধ্যমে ব্যাংকটি দখল করা হয়েছিল এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকটিতে যাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তার অতীত নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন আছে।

গ্রাহকদের আস্থা নষ্ট হলে শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়, পুরো ব্যাংকিং খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ইসলামী ব্যাংক যদি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি মাটির সঙ্গে মিশে যাবে।

ঋণ, সিএসআর তহবিল, নিয়োগ— সবকিছুর তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ইসলামী ব্যাংক সংক্রান্ত সব অভিযোগ গভীরভাবে তদন্ত করা উচিত। নাবিল গ্রুপকে এলসির বিপরীতে ৭০০ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছিল, যার অর্থ পরে ব্যাংকে ফেরত আসেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) তহবিলের ব্যবহার, নিয়োগ প্রক্রিয়া, ঋণ বিতরণ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

মন্ত্রী দাবি করেন, ব্যাংক অধিগ্রহণের পর প্রায় ৯ হাজার কর্মীকে যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং প্রায় ছয় হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সব ধরনের অভিযোগ— ঋণ অনুমোদন, সিএসআর তহবিল ব্যবহার, নিয়োগ প্রক্রিয়া, নির্বাচনি অর্থায়ন ও অর্থপাচার— সবকিছুর তদন্ত হওয়া উচিত।

এস আলম গ্রুপসহ পূর্ববর্তী ও অন্তর্বর্তী প্রশাসনের সময়ের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তদন্তের দাবি সালাহউদ্দিন আহমদ। ইসলামী ব্যাংকে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি এবং ‘দোষ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি নির্দোষ’ নীতির আওতায় তিনি দায়িত্ব পালনের অধিকার রাখেন।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে চলমান আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে ধর্মীয় আবেগ তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়। মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়। সুতরাং সবকিছুতে ইসলামের ওপর হাত দেওয়া হয়েছে বলে প্রচার করা ঠিক নয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, নাবিল গ্রুপ নির্বাচনের আগে ৭০০ কোটি টাকা নিয়েছে, সেই বন্ডেজ বিক্রি করে টাকা আর ফেরত দেয়নি, এই টাকারও কোনো হদিস মিলে নাই। দুষ্টলোকেরা বলেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে ব্যয় করেছে এই টাকা। আমি নাম নিতে চাচ্ছি না, এগুলো তদন্ত হবে, কোথায় গেছে সেই টাকা। মানুষ জানুক। আরডিএস (রুবাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম) প্রকল্পে ১১ হাজার কোটি টাকা নির্বাচন পর্যন্ত ব্যয় করা হয়েছে। সেই টাকার কোনো হদিস নাই। কোথায় ব্যয় হয়েছে, তদন্ত হবে সব।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, যাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, তাদের ব্যাপারে তদন্ত হোক কোনো ইনজাস্টিস হলো কি না। আবার নতুন যাদের নিয়োগ করা হয়েছে তাদের ব্যাপারেও তদন্ত হোক, রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ হয়েছে কি না। আপনারা বলেছেন, আপনারা প্রয়োজনে বুক পেতে দেবেন টিয়ারগ্যাসের সামনে গ্রাহকদের আমানত রক্ষায়। শুধু আপনারা নয়, আমরাও প্রয়োজন হলে বুক পেতে দেবো টিয়ারগ্যাসের সামনে গ্রাহকদের আমানত রক্ষার জন্য। কথা দিলাম।

কিছু গোষ্ঠী জনআস্থা নষ্ট করতে কাজ করছে: অর্থমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সৃষ্ট উদ্বেগ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিশ্বের কোথাও এমন নজির নেই, যেখানে চেয়ারম্যান নিয়োগের কারণে গ্রাহকেরা টাকা তুলে নেয়। গ্রাহক দেখে তার টাকা নিরাপদ কি না, সে টাকা ফেরত পাবে কি না। চেয়ারম্যান কে, সেটা তার বিবেচনার বিষয় না।

মন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা বের হওয়ার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী জড়িত নয় বলে বিরোধী দলীয় নেতা যে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন, একই দাবি সালমান এফ রহমান বা এস আলমও করতে পারেন। কারণ তারা তো নিজের নামে কেউ টাকা নেয়নি।

ইসলামী ব্যাংকটির চারপাশে বিক্ষোভ ও আন্দোলনের মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে এবং কিছু গোষ্ঠী জনআস্থা নষ্ট করতে কাজ করছে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। তার পর্যবেক্ষণ, ইসলামী ব্যাংক ঘিরে আন্দোলন, ব্যাংকের ভেতরে-বাইরে বিক্ষোভ এবং আমানত প্রত্যাহারের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। যারা টাকা তুলে নিচ্ছে, তারা ইসলামী ব্যাংককে বিপদে ফেলতে চায়। এর পেছনে ‘কিছু শক্তি’র হাত আছে।

ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ‘প্রকৃত মালিক’দের ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তোলা হয় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে। এর জবাব দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমানে সেই প্রক্রিয়ার মধ্যেই কাজ করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আইনের অধীনে যেসব পরিবর্তন আনার ক্ষমতা রাখে, সেগুলোই করছে। যেখানে তারা মনে করছে গ্রাহক, আমানতকারী ও শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, সেখানে হস্তক্ষেপ করছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাংকের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা কাঠামোকে যথাযথ মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ করছে এবং সবাইকে এ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে চলতে দেওয়ার আহ্বান জানান আমীর খসরু। বলেন, সরকার ব্যাংক খাত সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক আইন অনুযায়ী স্বাধীনভাবে তার নিয়ন্ত্রক দায়িত্ব পালন করছে।

দেশে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে সরকার কোনো আপস করবে না জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপি আর্থিক শৃঙ্খলায় বিশ্বাস করে এবং কোনো অবস্থাতেই এতে আপস করবে না। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় ছিল, তখনই সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সুশৃঙ্খল আর্থিক ব্যবস্থাপনা বজায় রেখেছে। যখন আমরা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ ও আর্থিক শৃঙ্খলার কথা বলি তখন শুধু বলি না, আমরা তা বাস্তবায়নও করি।

আমীর খসরু বলেন, অর্থনীতির প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ব্যাংকিং খাতকে শক্তিশালী করার জন্য আর্থিক শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যখন সরকার পূর্ববর্তী প্রশাসনের রেখে যাওয়া দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। অতীতে বিএনপি সরকার শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক ভিত্তি বজায় রেখেছে। স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আর্থিক খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। বিএনপি ছাড়া এই গুরুত্ব আর কেউ ভালো বোঝে না। আমরা একটি স্থিতিশীল বাংলাদেশ চাই। এর জন্য প্রয়োজন একটি শৃঙ্খলাপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য আর্থিক ব্যবস্থা।

কেন ইসলামী ব্যাংক নিয়ে এত আলোচনা

আওয়ামী লীগের শাসনামলে ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপের কর্ণধার এস আলম তথা সাইফুল ইসলাম নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন ইসলামী ব্যাংক। তিনি নিজে ব্যাংকটির কোনো পদে না থাকলেও ছেলেকে চেয়ারম্যান বানিয়েছিলেন। জুলাই অভ্যুত্থানের পর হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার ও নানা ধরনের আর্থিক দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে এস আলম দেশ ছাড়েন। ইসলামী ব্যাংকও তার দখলমুক্ত হয়।

প্রায় দুই বছর পর গত ২৪ মে ঈদুল আজহার আগের শেষ কর্মদিবসে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জোবায়দুর রহমান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খান পদত্যাগ করেন। সেদিনই নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে নিয়োগ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবস থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ইসলামী ব্যাংকটির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন একদল ব্যক্তি। ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ব্যানারে তারা টানা কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ করেন।

এর মধ্যে খবর আসে, গত কয়েকদিনে ব্যাংকটি থেকে গ্রাহকরা তিন হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছে। ইসলামী ব্যাংক তারল্য সংকট মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে বলে মঙ্গলবার খবরও আসে গণমাধ্যমে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার সংসদে ৬৮ ধারায় জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে আলোচনার জন্য নোটিশ দিয়েছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যক্তিগত পরিচয়ে যে কেউ অংশ নিতে পারবেন’

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, যেহেতু আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে, সে কারণে আওয়ামী লীগের পদ-পদবী ব্যবহার করে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই।

১৪ ঘণ্টা আগে

সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক স্বাধীন সচিবালয় করার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত থাকবে। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য আগামী ১৬ জুন নির্ধারণ করেছে

১৪ ঘণ্টা আগে

কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে কচুক্ষেতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

পুলিশ জানিয়েছে, কচুক্ষেত তামান্না কমপ্লেক্সে অবস্থিত 'ইউনিফর্ম টেক্সটাইল' নামের কারখানাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মীরা প্রথমে নেমে সড়কের একপাশে অবরোধ করে মানববন্ধন করে। এর কিছুসময় পর তারা দুই পাশেই অবস্থান নিলে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে অফিস শুরুর সময়ে যানজটে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।

১৪ ঘণ্টা আগে

ঢাকায় বাড়তে পারে তাপমাত্রা, বিভিন্ন জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।

১৫ ঘণ্টা আগে