
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থীর স্বল্পতা, বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতা, অনলাইনে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা এবং কিছু প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। তবে নির্বাচন সামগ্রিকভাবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে অনেকাংশে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল এবং মৌলিক স্বাধীনতা মোটামুটি সম্মানিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন মিশনের কর্মকর্তারা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব মূল্যায়ন তুলে ধরেন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস।
তিনি বলেন, স্থানীয়ভাবে কিছু রাজনৈতিক সহিংসতা এবং অনলাইনে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। একই সঙ্গে নারীদের জন্য সীমিত রাজনৈতিক পরিসর তাদের অংশগ্রহণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নারী অংশগ্রহণ কম হওয়াকে বড় হতাশা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, মোট প্রার্থীর মাত্র ৪ শতাংশ নারী ছিলেন। পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা, বৈষম্য, অনলাইন হয়রানি ও চরিত্রহনন নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের পথে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। পাশাপাশি আদিবাসী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং জনপরিসরে ধর্মীয় বক্তব্যের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে বলে জানান তিনি।
সহিংসতার প্রসঙ্গে ইভার্স ইজাবস বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অন্তত ৫৬টি সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া গেছে, যাতে শতাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটে। নারী প্রচারকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও সম্পত্তিতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পরিপন্থি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট প্রতিনিধি দলের প্রধান টোমাস জেদকোভস্কি বলেন, সামগ্রিকভাবে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হলেও কিছু এলাকায় সহিংসতা এবং নারীদের সীমিত অংশগ্রহণ উদ্বেগজনক। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে এসব বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থীর স্বল্পতা, বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতা, অনলাইনে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা এবং কিছু প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। তবে নির্বাচন সামগ্রিকভাবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে অনেকাংশে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল এবং মৌলিক স্বাধীনতা মোটামুটি সম্মানিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন মিশনের কর্মকর্তারা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব মূল্যায়ন তুলে ধরেন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস।
তিনি বলেন, স্থানীয়ভাবে কিছু রাজনৈতিক সহিংসতা এবং অনলাইনে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। একই সঙ্গে নারীদের জন্য সীমিত রাজনৈতিক পরিসর তাদের অংশগ্রহণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নারী অংশগ্রহণ কম হওয়াকে বড় হতাশা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, মোট প্রার্থীর মাত্র ৪ শতাংশ নারী ছিলেন। পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা, বৈষম্য, অনলাইন হয়রানি ও চরিত্রহনন নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের পথে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। পাশাপাশি আদিবাসী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং জনপরিসরে ধর্মীয় বক্তব্যের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে বলে জানান তিনি।
সহিংসতার প্রসঙ্গে ইভার্স ইজাবস বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অন্তত ৫৬টি সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া গেছে, যাতে শতাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটে। নারী প্রচারকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও সম্পত্তিতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পরিপন্থি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট প্রতিনিধি দলের প্রধান টোমাস জেদকোভস্কি বলেন, সামগ্রিকভাবে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হলেও কিছু এলাকায় সহিংসতা এবং নারীদের সীমিত অংশগ্রহণ উদ্বেগজনক। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে এসব বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

সকাল থেকেই ছিল বরেণ্য এই অধ্যাপককে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর আনুষ্ঠানিকতা। প্রথমে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সহকর্মী, শিক্ষার্থী, লেখক, সাহিত্যিক ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানেই অনুষ্ঠিত হয় প্রথম জানাজা।
১৮ ঘণ্টা আগে
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, আকবরশাহ, বিজয়নগর, শান্তিনগর, বেলতলীঘোনা, টাংকির পাহাড়, পাহাড়িকা, মিয়ার পাহাড়, মতিঝর্ণা, লালখান বাজারের পোড়া কলোনি, আমবাগান, উত্তর হালিশহরসহ একাধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ করা হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
শরীয়তপুরের জাজিরায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দুই আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ ও ক্ষোভের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, বিল বেড়ে যাওয়ার পেছনে মিটারের কোনো ত্রুটি নয়; বরং নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়া, বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং উচ্চ স্ল্যাবে বিল গণনাই মূল কারণ।
২০ ঘণ্টা আগে