
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা, একনেক চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
এতে প্রকল্পের খরচ ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ টাকায়। এই ব্যয় বৃদ্ধির পুরো অর্থই প্রকল্প ঋণ থেকে মিলবে বলে জানিয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
পাবনার রূপপুরে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার (১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা) ব্যয়ে রাশিয়ার সহযোগিতায় বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে। সেখানে দুটি ইউনিটে ১২০০ মেগাওয়াট করে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ হবে ৬০ বছর। পরে তা আরও ২০ বছর বাড়ানো যাবে।
এই নির্মাণ ব্যয়ের ১০ শতাংশের অর্থায়ন করার ছিল সরকারের, বাকি ৯০ শতাংশ রাশিয়া ঋণ হিসাবে দিচ্ছিল। তবে একনেক সভায় সরকারের অর্থায়নের পরিমাণ ১৬৬ কোটি টাকা কমানো হয়েছে। তাতে সরকারের অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়াবে ২১ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকা; এতদিন যা ছিল ২২ হাজার ৫২ কোটি টাকা।
সরকার যে পরিমাণ অর্থায়ন কমাবে, তাও আসবে প্রকল্প ঋণ থেকে। এর ফলে প্রকল্পের ঋণ দাঁড়াল ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকায়; যা আগে ছিল ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা।
২০১৩ সালের অক্টোবরেই ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তি স্থাপন করেন। ২০১৭ সালের নভেম্বরে তিনি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লি ও পানি শীতলকারী ডোমের কংক্রিট ঢালাই কাজ উদ্বোধন করেন।
২০২১ সালের শুরুতে একটি ইউনিট উৎপাদনে আসার কথা থাকলেও করোনা মহামারীর জটিলতায় তা পিছিয়ে যায়। পরে ইউক্রেইন যুদ্ধসহ নানা জটিলতায় প্রকল্পের কাজ আরো বিলম্বিত হয়। সংশোধিত অনুমোদনের ফলে এর শেষ হওয়ার সময় ধরা হয়েছে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত।
আরও যেসব প্রকল্পের অনুমোদন
রূপপুরের এ প্রকল্পসহ মোট ২৫ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে একনেক সভায়। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প ১৪টি, সংশোধিত প্রকল্প ছয়টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প পাঁচটি। এসব প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকা।
এর মধ্যে একক প্রকল্প হিসেবে অর্ধেকের বেশি খরচ ঠিক করা হয়েছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে।
অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে—

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা, একনেক চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
এতে প্রকল্পের খরচ ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ টাকায়। এই ব্যয় বৃদ্ধির পুরো অর্থই প্রকল্প ঋণ থেকে মিলবে বলে জানিয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
পাবনার রূপপুরে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার (১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা) ব্যয়ে রাশিয়ার সহযোগিতায় বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে। সেখানে দুটি ইউনিটে ১২০০ মেগাওয়াট করে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ হবে ৬০ বছর। পরে তা আরও ২০ বছর বাড়ানো যাবে।
এই নির্মাণ ব্যয়ের ১০ শতাংশের অর্থায়ন করার ছিল সরকারের, বাকি ৯০ শতাংশ রাশিয়া ঋণ হিসাবে দিচ্ছিল। তবে একনেক সভায় সরকারের অর্থায়নের পরিমাণ ১৬৬ কোটি টাকা কমানো হয়েছে। তাতে সরকারের অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়াবে ২১ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকা; এতদিন যা ছিল ২২ হাজার ৫২ কোটি টাকা।
সরকার যে পরিমাণ অর্থায়ন কমাবে, তাও আসবে প্রকল্প ঋণ থেকে। এর ফলে প্রকল্পের ঋণ দাঁড়াল ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকায়; যা আগে ছিল ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা।
২০১৩ সালের অক্টোবরেই ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তি স্থাপন করেন। ২০১৭ সালের নভেম্বরে তিনি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লি ও পানি শীতলকারী ডোমের কংক্রিট ঢালাই কাজ উদ্বোধন করেন।
২০২১ সালের শুরুতে একটি ইউনিট উৎপাদনে আসার কথা থাকলেও করোনা মহামারীর জটিলতায় তা পিছিয়ে যায়। পরে ইউক্রেইন যুদ্ধসহ নানা জটিলতায় প্রকল্পের কাজ আরো বিলম্বিত হয়। সংশোধিত অনুমোদনের ফলে এর শেষ হওয়ার সময় ধরা হয়েছে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত।
আরও যেসব প্রকল্পের অনুমোদন
রূপপুরের এ প্রকল্পসহ মোট ২৫ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে একনেক সভায়। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প ১৪টি, সংশোধিত প্রকল্প ছয়টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প পাঁচটি। এসব প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকা।
এর মধ্যে একক প্রকল্প হিসেবে অর্ধেকের বেশি খরচ ঠিক করা হয়েছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে।
অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে—

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, আপনারা সারা জীবন ভারতের বিরুদ্ধে রাজনীতি করে ভারতের সঙ্গে গোপনে মিটিং করেছেন। আপনারা সারা জীবন ইসলামের নামে রাজনীতি করে লাস্টে এসে বলছেন, আমরা শরিয়া আইন চান না। আপনারা তো ভোটের জন্য এটা করে ফেলেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে। পহেলা বৈশাখে ক্যাম্পাসে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। এ সময় মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারীরা যাতায়াতের জন্য শুধুমাত্র নীলক্ষেত ও পলাশী গেট ব্যবহার করতে পার
১১ ঘণ্টা আগে
তিনি সংবিধানের ৭২ ও ৭৩ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলেন, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও ভাষণ প্রদান করেছেন, যা সংবিধানসম্মত। কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের ক্ষেত্রে এমন কোনো সুস্পষ্ট সাংবিধানিক কাঠামো বর্তমানে বিদ্যমান নেই বলে তিনি মত দেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংবিধান সংরক্ষণের জন্য ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন। কিন্তু তিনি কোন আইন বলে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পাঠালেন? এই ফরম দাখিল করার কোনো এখতিয়ার তার নেই। তিনি এটি করে শপথ ভঙ্গ ও সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে