
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় ৯৪ লক্ষ শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান।
সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আজ মঙ্গলবার এক ব্রিফিংয়ে ড. জাহেদ এসব তথ্য জানান।
সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি তৎপরতা আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে জানিয়ে ড. জাহেদ উর রহমান বলেন, হাম ও রুবেলা নির্মূলে চলমান বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গত ২৭ এপ্রিল (সোমবার) সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট ৯৪ লাখ ২৩ হাজার ৭৯৯ জন শিশুকে টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছু শিশুর প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “প্রতিরোধযোগ্য এই রোগে একটি শিশুর মৃত্যুও অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।” তিনি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে এবং সরকারের অবহেলায় যেন আর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
ড. জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির দায়ভার সরকারের ওপর না থাকলেও প্রতিটি নাগরিকের জীবনের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি জানান: হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম দেশজুড়ে বিরতিহীনভাবে চলবে। টিকার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য রোগের ক্ষেত্রে শতভাগ সাফল্য অর্জনে কাজ করছে সরকার। কোনো এলাকা যেন টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
উপদেষ্টা শিশুদের অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যে রোগগুলো টিকার মাধ্যমে সহজে প্রতিরোধ করা সম্ভব, সেগুলোর ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে। দেশের প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
হামের প্রকোপ মোকাবিলায় সরকারের এই বিশাল টিকাদান কর্মসূচি মূলত শিশু মৃত্যুহার শূন্যে নামিয়ে আনার একটি বড় পদক্ষেপ। ৯৪ লাখের বেশি শিশুকে ইতোমধ্যে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে এবং এই কার্যক্রম আরও বেগবান করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
রাজনীতি/একে

দেশে হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় ৯৪ লক্ষ শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান।
সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আজ মঙ্গলবার এক ব্রিফিংয়ে ড. জাহেদ এসব তথ্য জানান।
সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি তৎপরতা আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে জানিয়ে ড. জাহেদ উর রহমান বলেন, হাম ও রুবেলা নির্মূলে চলমান বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গত ২৭ এপ্রিল (সোমবার) সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট ৯৪ লাখ ২৩ হাজার ৭৯৯ জন শিশুকে টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছু শিশুর প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “প্রতিরোধযোগ্য এই রোগে একটি শিশুর মৃত্যুও অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।” তিনি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে এবং সরকারের অবহেলায় যেন আর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
ড. জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির দায়ভার সরকারের ওপর না থাকলেও প্রতিটি নাগরিকের জীবনের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি জানান: হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম দেশজুড়ে বিরতিহীনভাবে চলবে। টিকার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য রোগের ক্ষেত্রে শতভাগ সাফল্য অর্জনে কাজ করছে সরকার। কোনো এলাকা যেন টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
উপদেষ্টা শিশুদের অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যে রোগগুলো টিকার মাধ্যমে সহজে প্রতিরোধ করা সম্ভব, সেগুলোর ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে। দেশের প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
হামের প্রকোপ মোকাবিলায় সরকারের এই বিশাল টিকাদান কর্মসূচি মূলত শিশু মৃত্যুহার শূন্যে নামিয়ে আনার একটি বড় পদক্ষেপ। ৯৪ লাখের বেশি শিশুকে ইতোমধ্যে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে এবং এই কার্যক্রম আরও বেগবান করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
রাজনীতি/একে

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশের নদীগুলোকে দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। এ বিষয়গুলো আমাদের ঠিক করতে হবে এবং পরিবর্তন আমাদেরই আনতে হবে। আমরা যে বড় বড় দামি গাড়িতে চড়ি, তা সব জনগণের করের টাকায়। তাই জনগণের সমস্যার সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।’
১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে কেউ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবে না। আমরা মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ন্যায়বিচার থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না।
২ ঘণ্টা আগে
খনি থেকে ইউরেনিয়াম উত্তোলনের পর একাধিক ধাপে তা প্রক্রিয়াজাত করে পারমাণবিক জ্বালানিতে রূপান্তর করা হয়। প্রথমে ইউরেনিয়াম আকরিক পরিশোধন করে তৈরি করা হয় ‘ইয়েলো কেক’, এরপর সেটিকে রূপান্তর ও সমৃদ্ধকরণের মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য জ্বালানিতে পরিণত করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে রাশিয়ার কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তার প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রোসাটম মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ বাংলাদেশের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের যাত্রায় রাশিয়ার
৩ ঘণ্টা আগে