
কুমিল্লা প্রতিনিধি

ঈদুল আজহার কোরবানির চামড়া নিয়ে হতাশ ব্যবসায়ীরা। সিন্ডিকেটের কবলে পড়ায় কুমিল্লাসহ সারা দেশে গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকায়, আর ছাগলের চামড়া নেমেছে ৩০-৫০ টাকায়। সরকার নির্ধারিত দাম থাকলেও বাস্তবে তার ধারেকাছে নেই।
কুমিল্লা নগরীর ধর্মপুর, কান্দিরপাড় ও চকবাজার এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানান, এবার বড় গরুর চামড়া সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা, মাঝারি ১৫০ টাকা, ছোট ১০ টাকা। ছাগলের চামড়া ৫০ টাকার বেশি দিতে চাইছে না কেউ।
দেবীদ্বারের একটি মাদ্রাসার সুপার বলেন, গতবার ১২০০ টাকায় বিক্রি করা গরুর চামড়া এবার ২৫০ টাকায়ও কেউ নিতে চায় না। এই টাকায় এতিমদের এক সপ্তাহের খাবারও হয় না।
শুধু কুমিল্লা নয়, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনাসহ সারা দেশের চিত্র প্রায় একই। রাজধানীর অনেক চামড়া বিক্রেতার অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় তারা প্রতি চামড়ায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কম পেয়েছেন। পাশাপাশি আগের বছরের মতোই ব্যবসায়ীরা ছাগলের চামড়া কেনায় তেমন আগ্রহ দেখাননি।
হাতিরপুল এলাকার মাদ্রাসা থেকে চামড়া সংগ্রহ করে আনা দুই ছাত্র বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে প্রতি পিস সাড়ে ৩০০ টাকা করে ১০টি গরুর চামড়া বিক্রি করেন।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ট্যানারিগুলো কম দামে কিনছে, বিদেশে চাহিদা কম, তাই বেশি দিতে পারছে না। কিন্তু ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, এটি পরিকল্পিত সিন্ডিকেট। স্থানীয় পর্যায়ে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কম দামে চামড়া কিনে বড় ব্যবসায়ীরা মজুত করে দাম নিয়ন্ত্রণ করছে।
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক নেতা বলেন, আমরা সরকার নির্ধারিত দামেই কিনছি। মধ্যস্বত্বভোগীরাই দাম ফেলে দিচ্ছে।
সরকার চলতি বছর ঢাকার বাইরে গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছিল প্রতি বর্গফুট ৪৭-৫২ টাকা, ছাগলের চামড়া ১৮-২০ টাকা। সেই হিসাবে একটি বড় গরুর চামড়ার দাম ১৮০-২২০০ টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে তা পাওয়া যাচ্ছে না ১০ ভাগের এক ভাগও।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সিন্ডিকেট ঠেকাতে বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত দাম কমানো বা ক্রেতাকে হয়রানি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চামড়া শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংরক্ষণ ও দ্রুত রপ্তানির ব্যবস্থা না হলে প্রতি বছর কোটি টাকার জাতীয় সম্পদ নষ্ট হবে। আর ক্ষতিগ্রস্ত হবে মাদ্রাসা-এতিমখানার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো, যারা এই আয়ের ওপর নির্ভরশীল।

ঈদুল আজহার কোরবানির চামড়া নিয়ে হতাশ ব্যবসায়ীরা। সিন্ডিকেটের কবলে পড়ায় কুমিল্লাসহ সারা দেশে গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকায়, আর ছাগলের চামড়া নেমেছে ৩০-৫০ টাকায়। সরকার নির্ধারিত দাম থাকলেও বাস্তবে তার ধারেকাছে নেই।
কুমিল্লা নগরীর ধর্মপুর, কান্দিরপাড় ও চকবাজার এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানান, এবার বড় গরুর চামড়া সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা, মাঝারি ১৫০ টাকা, ছোট ১০ টাকা। ছাগলের চামড়া ৫০ টাকার বেশি দিতে চাইছে না কেউ।
দেবীদ্বারের একটি মাদ্রাসার সুপার বলেন, গতবার ১২০০ টাকায় বিক্রি করা গরুর চামড়া এবার ২৫০ টাকায়ও কেউ নিতে চায় না। এই টাকায় এতিমদের এক সপ্তাহের খাবারও হয় না।
শুধু কুমিল্লা নয়, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনাসহ সারা দেশের চিত্র প্রায় একই। রাজধানীর অনেক চামড়া বিক্রেতার অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় তারা প্রতি চামড়ায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কম পেয়েছেন। পাশাপাশি আগের বছরের মতোই ব্যবসায়ীরা ছাগলের চামড়া কেনায় তেমন আগ্রহ দেখাননি।
হাতিরপুল এলাকার মাদ্রাসা থেকে চামড়া সংগ্রহ করে আনা দুই ছাত্র বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে প্রতি পিস সাড়ে ৩০০ টাকা করে ১০টি গরুর চামড়া বিক্রি করেন।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ট্যানারিগুলো কম দামে কিনছে, বিদেশে চাহিদা কম, তাই বেশি দিতে পারছে না। কিন্তু ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, এটি পরিকল্পিত সিন্ডিকেট। স্থানীয় পর্যায়ে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কম দামে চামড়া কিনে বড় ব্যবসায়ীরা মজুত করে দাম নিয়ন্ত্রণ করছে।
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক নেতা বলেন, আমরা সরকার নির্ধারিত দামেই কিনছি। মধ্যস্বত্বভোগীরাই দাম ফেলে দিচ্ছে।
সরকার চলতি বছর ঢাকার বাইরে গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছিল প্রতি বর্গফুট ৪৭-৫২ টাকা, ছাগলের চামড়া ১৮-২০ টাকা। সেই হিসাবে একটি বড় গরুর চামড়ার দাম ১৮০-২২০০ টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে তা পাওয়া যাচ্ছে না ১০ ভাগের এক ভাগও।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সিন্ডিকেট ঠেকাতে বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত দাম কমানো বা ক্রেতাকে হয়রানি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চামড়া শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংরক্ষণ ও দ্রুত রপ্তানির ব্যবস্থা না হলে প্রতি বছর কোটি টাকার জাতীয় সম্পদ নষ্ট হবে। আর ক্ষতিগ্রস্ত হবে মাদ্রাসা-এতিমখানার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো, যারা এই আয়ের ওপর নির্ভরশীল।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরের সমস্যার মূল কারণগুলোর একটি হলো নগর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। ঢাকার পুঞ্জীভূত নাগরিক সমস্যাগুলোর স্থায়ী ও কার্যকর সমাধানের জন্য সিটি করপোরেশনগুলোকে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘গভর্নমেন্ট’ বা নগর সরকারে রূপান্তর করা প্রয়োজন।’
২ ঘণ্টা আগে
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘ঢাকার মাতুয়াইল, জুরাইন, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জে জুলাইয়ে আন্দোলনে নিহতদের গণকবরের সন্ধান পেয়েছে তদন্ত সংস্থা।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সারাদেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা হিসেবে তিনি একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে আজ দেশজুড়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একযোগে প্রায় ২ লাখ চারা রোপণ করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় শোক পালনের অংশ হিসেবে বুধবার জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার পাশাপাশি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হবে।
৫ ঘণ্টা আগে