
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কৃষকদের জন্য আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির নতুন দিগন্তের সূচনা হলো কৃষক কার্ডের মাধ্যমে। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বহুল প্রতীক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধন করেন। সারা দেশে ১১টি উপজেলায় মোট ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক, মৎস্যচাষি, খামারি ও লবণচাষিদের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হয়।
প্রাথমিকভাবে প্রত্যেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পেয়েছেন, যা তারা বীজ, সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ কিনতে ব্যবহার করতে পারবেন।
তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রেরণ করা হয়েছে, যা এই কার্ডের মাধ্যমে তারা ব্যবহার করতে পারবেন। সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্বখ্যাত ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ভিসা।
বাংলা নববর্ষের দিন চালু হওয়া এই উদ্যোগটি কৃষি খাতে আধুনিকায়ন, তথা জাতীয় উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকারকে তুলে ধরছে। মূলত কৃষক পরিচয়পত্র হিসেবে কার্ডটি ডিজাইন করা হলেও, ভিসার প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি একটি নিরাপদ ও সহজ নগদহীন (ক্যাশলেস) লেনদেন ব্যবস্থাও নিশ্চিত করবে।
প্রাথমিকভাবে টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, বোদা, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেসারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এবং কক্সবাজারের টেকনাফ–এই ১১ উপজেলায় ফার্মার্স কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
কৃষক কার্ডে কৃষকরা মোট ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন। যার মধ্যে রয়েছে—ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্প খরচে কৃষিযন্ত্র ব্যবহার, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইলের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, রোগ ও পোকামাকড় দমনের পরামর্শ, কৃষি বীমা সুবিধা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ।

কৃষকদের জন্য আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির নতুন দিগন্তের সূচনা হলো কৃষক কার্ডের মাধ্যমে। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বহুল প্রতীক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধন করেন। সারা দেশে ১১টি উপজেলায় মোট ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক, মৎস্যচাষি, খামারি ও লবণচাষিদের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হয়।
প্রাথমিকভাবে প্রত্যেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পেয়েছেন, যা তারা বীজ, সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ কিনতে ব্যবহার করতে পারবেন।
তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রেরণ করা হয়েছে, যা এই কার্ডের মাধ্যমে তারা ব্যবহার করতে পারবেন। সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্বখ্যাত ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ভিসা।
বাংলা নববর্ষের দিন চালু হওয়া এই উদ্যোগটি কৃষি খাতে আধুনিকায়ন, তথা জাতীয় উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকারকে তুলে ধরছে। মূলত কৃষক পরিচয়পত্র হিসেবে কার্ডটি ডিজাইন করা হলেও, ভিসার প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি একটি নিরাপদ ও সহজ নগদহীন (ক্যাশলেস) লেনদেন ব্যবস্থাও নিশ্চিত করবে।
প্রাথমিকভাবে টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, বোদা, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেসারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এবং কক্সবাজারের টেকনাফ–এই ১১ উপজেলায় ফার্মার্স কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
কৃষক কার্ডে কৃষকরা মোট ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন। যার মধ্যে রয়েছে—ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্প খরচে কৃষিযন্ত্র ব্যবহার, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইলের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, রোগ ও পোকামাকড় দমনের পরামর্শ, কৃষি বীমা সুবিধা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ।

ঈদুল আজহা উদযাপিত হয় গত ২৮ মে। এর আগে ২৬ ও ২৭ মে এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা থাকলেও পরে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ২৫ মে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়, যার ফলে টানা সাত দিনের ছুটি নিশ্চিত হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিচতলায় বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বেকারিতে খাবার তৈরি হতো। সেখান থেকে কোনো গ্যাস বের হয়েছে কিনা সেটি দেখা হবে। দুইজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা
১৯ ঘণ্টা আগে
অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৮৩ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের শরীরে। অন্যদিকে শরীরে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৯৩ জন।
২১ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিশু মারা গেছে, তাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এ কারণে কমিটিকে আরও চার দিন সময় দিয়ে ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে