
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সদ্য বিদায়ী ২০২৫ সালে সারা দেশে ছয় হাজার ৭২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৯ হাজার ১১১ জন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ হাজার ৮১২ জন। এ হিসাবে বিদায়ী এ বছরে প্রতিদিন সড়কে গড়ে প্রাণহানি ঘটেছে ২৪ দশমিক ৯৬ জন বা গড়ে প্রায় ২৫ জনের। সড়ক দুর্ঘটনায় গড়ে প্রতিদিন আহত হয়েছেন ৪০ জনের বেশি।
এদিকে ২০২৪ সালে সারা দেশে ছয় হাজার ৩৫৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় আট হাজার ৫৪৩ জন নিহত ও ১২ হাজার ৬০৮ জন আহত হয়েছেন। সে হিসাবে, ২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ৫ দশমিক ৮১ বা প্রায় ৬ শতাংশ। আগের বছরের তুলনায় এ বছর সড়কে প্রাণহানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ, আহতের সংখ্যা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

রোববার (৪ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এ পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে। তাদের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে সড়ক, রেল ও নৌ পথ মিলিয়ে সারা দেশে মোট সাত হাজার ৩৬৯টি দুর্ঘটনায় ৯ হাজার ৭৫৪ জন নিহত ১৫ হাজার ৯৬ জন আহত হয়েছেন।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য বলছে, বিদায়ী বছরে কেবল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাই ঘটেছে দুই হাজার ৪৯৩টি, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৭ দশমিক শূন্য চার শতাংশ। এসব দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ৯৮৩ জনের, আহত হয়েছেন দুই হাজার ২১৯ জন।
এ ছাড়া গত বছর রেলপথে ৫১৩টি দুর্ঘটনায় ৪৮৫ জন নিহত ও ১৪৫ জন আহত হয়েছেন। নৌ পথে ১২৭টি দুর্ঘটনায় ১৫৮ জন নিহত ও ১৩৯ জন আহত হয়েছেন। নৌ পথের দুর্ঘটনাগুলোতে নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৩৮ জন।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এসব দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এক হাজার ২৮৮টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। সেগুলোর মধ্যে ১৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ বাস, ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ ট্রাক-পিককাপ-কভার্ড ভ্যান ও লরি, ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস, ৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ২৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক এবং ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা।
মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দুর্ঘটনার সংবাদ গণমাধ্যমে কম আসছে বলে প্রকৃত চিত্র তুলে আনা যাচ্ছে না অভিযোগ করে মোজাম্মেল হক বলেন, মোট দুর্ঘটনার ৪৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ পথচারীকে গাড়ি চাপা, ২৬ শতাংশ যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ অন্যান্য কারণে, শূন্য দশমিক চার চার শতাংশ যানবাহনের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ও শূন্য দশমিক ছয় আট শতাংশ ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতি আরও বলছে, দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ২২ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৭ দশমিক ১৩ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে ও ২৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ ফিডার রোডে হয়েছে। এ ছাড়া দেশে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪ দশমিক ২২ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, শূন্য দশমিক ৯ শূন্য শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও শূন্য দশমিক ছয় আট শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

সদ্য বিদায়ী ২০২৫ সালে সারা দেশে ছয় হাজার ৭২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৯ হাজার ১১১ জন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ হাজার ৮১২ জন। এ হিসাবে বিদায়ী এ বছরে প্রতিদিন সড়কে গড়ে প্রাণহানি ঘটেছে ২৪ দশমিক ৯৬ জন বা গড়ে প্রায় ২৫ জনের। সড়ক দুর্ঘটনায় গড়ে প্রতিদিন আহত হয়েছেন ৪০ জনের বেশি।
এদিকে ২০২৪ সালে সারা দেশে ছয় হাজার ৩৫৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় আট হাজার ৫৪৩ জন নিহত ও ১২ হাজার ৬০৮ জন আহত হয়েছেন। সে হিসাবে, ২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ৫ দশমিক ৮১ বা প্রায় ৬ শতাংশ। আগের বছরের তুলনায় এ বছর সড়কে প্রাণহানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ, আহতের সংখ্যা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

রোববার (৪ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এ পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে। তাদের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে সড়ক, রেল ও নৌ পথ মিলিয়ে সারা দেশে মোট সাত হাজার ৩৬৯টি দুর্ঘটনায় ৯ হাজার ৭৫৪ জন নিহত ১৫ হাজার ৯৬ জন আহত হয়েছেন।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য বলছে, বিদায়ী বছরে কেবল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাই ঘটেছে দুই হাজার ৪৯৩টি, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৭ দশমিক শূন্য চার শতাংশ। এসব দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ৯৮৩ জনের, আহত হয়েছেন দুই হাজার ২১৯ জন।
এ ছাড়া গত বছর রেলপথে ৫১৩টি দুর্ঘটনায় ৪৮৫ জন নিহত ও ১৪৫ জন আহত হয়েছেন। নৌ পথে ১২৭টি দুর্ঘটনায় ১৫৮ জন নিহত ও ১৩৯ জন আহত হয়েছেন। নৌ পথের দুর্ঘটনাগুলোতে নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৩৮ জন।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এসব দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এক হাজার ২৮৮টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। সেগুলোর মধ্যে ১৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ বাস, ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ ট্রাক-পিককাপ-কভার্ড ভ্যান ও লরি, ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস, ৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ২৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক এবং ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা।
মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দুর্ঘটনার সংবাদ গণমাধ্যমে কম আসছে বলে প্রকৃত চিত্র তুলে আনা যাচ্ছে না অভিযোগ করে মোজাম্মেল হক বলেন, মোট দুর্ঘটনার ৪৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ পথচারীকে গাড়ি চাপা, ২৬ শতাংশ যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ অন্যান্য কারণে, শূন্য দশমিক চার চার শতাংশ যানবাহনের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ও শূন্য দশমিক ছয় আট শতাংশ ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতি আরও বলছে, দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ২২ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৭ দশমিক ১৩ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে ও ২৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ ফিডার রোডে হয়েছে। এ ছাড়া দেশে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪ দশমিক ২২ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, শূন্য দশমিক ৯ শূন্য শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও শূন্য দশমিক ছয় আট শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে এই বিপুল সংখ্যক ভোটারের নিবন্ধনকে আশাব্যঞ্জন এবং বিশ্বে নজির সৃষ্টি করেছে বলে উল্লেখ করেছেন আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান।
৩ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক প্রবাসী দিবস উপলক্ষে গত ৩০ ডিসেম্বর রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। মো. ওমর ফারুক খাঁন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের কাছ থেকে এই মর্যাদাপূর্ণ অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, সবার সহযোগিতা থাকলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে উপহার দেওয়া সম্ভব। বর্তমানে নির্বাচন পরিবেশ-পরিস্থিতি সন্তোষজনক আছে।
৪ ঘণ্টা আগে