
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০০৯ সাল থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীসহ সামরিক বাহিনীর যেসব কর্মকর্তা চাকরিতে বৈষম্য-বঞ্চনা-অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন, তাদের আবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিয়েছে কমিটি।
প্রতিবেদনে বৈষম্য-বঞ্চনার শিকার সেনাবাহিনীর ১১৪ জন, নৌ বাহিনীর ১৯ জন ও বিমান বাহিনীর ১২ জনসহ ১৪৫ সামরিক কর্মকর্তাকে স্বাভাবিক অবসর বা পদোন্নতি বা অবসরপূর্ব পদোন্নতিসহ বকেয়া বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
রোববার (৩০ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অবসরপ্রাপ্ত ও বরখাস্ত ওই সব সামরিক কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা করে যথাবিহিত সুপারিশ পেশের জন্য গঠিত কমিটি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে এ প্রতিবেদন হস্তান্তর করে। কমিটির সভাপতি এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সহকারী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল হাফিজসহ কমিটির অন্য সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
কমিটির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, আবেদনকারীদের মধ্যে ছয়জন কর্মকর্তাকে তাদের আত্মীয়-স্বজনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে বা জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অপবাদ দিয়ে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বিভিন্ন মেয়াদে (এক বছর থেকে আট বছর পর্যন্ত) গুম করে রাখা হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। এমনকি একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পরে ওই কর্মকর্তার স্ত্রীকে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এক বছরের শিশুসহ বিনা বিচারে দুই দফায় দীর্ঘ ছয় বছর কারাগারে রাখা হয়।
তদন্তে আরও জানা যায়, কিছু কর্মকর্তা ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় সোচ্চার ছিলেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে একটি ভুয়া ঘটনায় (ব্যারিস্টার তাপস হত্যাচেষ্টা মামলা) সাজিয়ে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়।
এ ছাড়া কিছু কর্মকর্তা ওই হত্যাযজ্ঞের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর দরবারে প্রশ্ন করার জন্য সেনাসদর কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। একপর্যায়ে ওই দরবারে ব্যাপক হট্টগোল হওয়ায় পাঁচ কর্মকর্তাকে অযথা দায়ী করা হয় এবং তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ না দিয়ে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, পাঁচজন কর্মকর্তা ওয়ান-ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ে কর্মরত থাকাকালীন তাদের মিথ্যা অভিযোগে কিংবা বিনা অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
লেফটেন্যান্ট পদবির চার কর্মকর্তা ধর্মীয় আচার-আচরণ নিয়ম-নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার কারণে তাদের কোনো একটি দলের অনুসারী হিসেবে অথবা জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় বলেও বেরিয়ে আসে তদন্তে।
আরও উঠে এসেছে, ২৮ জন বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করে পদক্ষেপ গ্রহণ সত্ত্বেও গুম, অপহরণ ও অবৈধভাবে আটক রেখে অমানুষিক নির্যাতন ও জেরা, লোক দেখানো প্রহসনের তদন্ত ও বিচারহীন, আইনবহির্ভূত কার্যকলাপে এসব কর্মকর্তারা নানা বঞ্চনা, নির্মম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, বর্ণনাতীত পারিবারিক ও সামাজিক লাঞ্ছনা এবং প্রভূত আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন।
কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, সেনাবাহিনীতে বঞ্চিত ও বৈষম্যের শিকার ১১৪ জন কর্মকর্তা সম্পর্কে সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের (যার জন্য যা প্রযোজ্য) স্বাভাবিক অবসর প্রদান, পদোন্নতি, অবসরপূর্ব পদোন্নতি, বকেয়া বেতন ও ভাতা এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি দেওয়ার জন্য কমিটি সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে চারজনকে চাকুরিতে পুনর্বহাল করার জন্য কমিটি সুপারিশ করে।
নৌ বাহিনীতে বঞ্চিত ও বৈষম্যের শিকার ১৯ কর্মকর্তাকে (যার জন্য যা প্রযোজ্য) স্বাভাবিক অবসর প্রদান, পদোন্নতি, অবসরপূর্ব পদোন্নতি, বকেয়া বেতন ও ভাতা এবং আনুষঙ্গিক সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।
এ ছাড়া বিমান বাহিনীতে বঞ্চিত ও বৈষম্যের শিকার ১২ জন কর্মকর্তাকে (যার জন্য যা প্রযোজ্য) স্বাভাবিক অবসর প্রদান, পদোন্নতি, অবসরপূর্ব পদোন্নতি, বকেয়া বেতন ও ভাতা এবং আনুষঙ্গিক সুবিধা দিতে কমিটি সুপারিশ করেছে।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে মো. আশরাফ উদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক উপস্থিত ছিলেন।

২০০৯ সাল থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীসহ সামরিক বাহিনীর যেসব কর্মকর্তা চাকরিতে বৈষম্য-বঞ্চনা-অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন, তাদের আবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিয়েছে কমিটি।
প্রতিবেদনে বৈষম্য-বঞ্চনার শিকার সেনাবাহিনীর ১১৪ জন, নৌ বাহিনীর ১৯ জন ও বিমান বাহিনীর ১২ জনসহ ১৪৫ সামরিক কর্মকর্তাকে স্বাভাবিক অবসর বা পদোন্নতি বা অবসরপূর্ব পদোন্নতিসহ বকেয়া বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
রোববার (৩০ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অবসরপ্রাপ্ত ও বরখাস্ত ওই সব সামরিক কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা করে যথাবিহিত সুপারিশ পেশের জন্য গঠিত কমিটি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে এ প্রতিবেদন হস্তান্তর করে। কমিটির সভাপতি এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সহকারী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল হাফিজসহ কমিটির অন্য সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
কমিটির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, আবেদনকারীদের মধ্যে ছয়জন কর্মকর্তাকে তাদের আত্মীয়-স্বজনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে বা জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অপবাদ দিয়ে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বিভিন্ন মেয়াদে (এক বছর থেকে আট বছর পর্যন্ত) গুম করে রাখা হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। এমনকি একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পরে ওই কর্মকর্তার স্ত্রীকে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এক বছরের শিশুসহ বিনা বিচারে দুই দফায় দীর্ঘ ছয় বছর কারাগারে রাখা হয়।
তদন্তে আরও জানা যায়, কিছু কর্মকর্তা ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় সোচ্চার ছিলেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে একটি ভুয়া ঘটনায় (ব্যারিস্টার তাপস হত্যাচেষ্টা মামলা) সাজিয়ে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়।
এ ছাড়া কিছু কর্মকর্তা ওই হত্যাযজ্ঞের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর দরবারে প্রশ্ন করার জন্য সেনাসদর কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। একপর্যায়ে ওই দরবারে ব্যাপক হট্টগোল হওয়ায় পাঁচ কর্মকর্তাকে অযথা দায়ী করা হয় এবং তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ না দিয়ে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, পাঁচজন কর্মকর্তা ওয়ান-ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ে কর্মরত থাকাকালীন তাদের মিথ্যা অভিযোগে কিংবা বিনা অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
লেফটেন্যান্ট পদবির চার কর্মকর্তা ধর্মীয় আচার-আচরণ নিয়ম-নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার কারণে তাদের কোনো একটি দলের অনুসারী হিসেবে অথবা জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় বলেও বেরিয়ে আসে তদন্তে।
আরও উঠে এসেছে, ২৮ জন বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করে পদক্ষেপ গ্রহণ সত্ত্বেও গুম, অপহরণ ও অবৈধভাবে আটক রেখে অমানুষিক নির্যাতন ও জেরা, লোক দেখানো প্রহসনের তদন্ত ও বিচারহীন, আইনবহির্ভূত কার্যকলাপে এসব কর্মকর্তারা নানা বঞ্চনা, নির্মম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, বর্ণনাতীত পারিবারিক ও সামাজিক লাঞ্ছনা এবং প্রভূত আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন।
কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, সেনাবাহিনীতে বঞ্চিত ও বৈষম্যের শিকার ১১৪ জন কর্মকর্তা সম্পর্কে সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের (যার জন্য যা প্রযোজ্য) স্বাভাবিক অবসর প্রদান, পদোন্নতি, অবসরপূর্ব পদোন্নতি, বকেয়া বেতন ও ভাতা এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি দেওয়ার জন্য কমিটি সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে চারজনকে চাকুরিতে পুনর্বহাল করার জন্য কমিটি সুপারিশ করে।
নৌ বাহিনীতে বঞ্চিত ও বৈষম্যের শিকার ১৯ কর্মকর্তাকে (যার জন্য যা প্রযোজ্য) স্বাভাবিক অবসর প্রদান, পদোন্নতি, অবসরপূর্ব পদোন্নতি, বকেয়া বেতন ও ভাতা এবং আনুষঙ্গিক সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।
এ ছাড়া বিমান বাহিনীতে বঞ্চিত ও বৈষম্যের শিকার ১২ জন কর্মকর্তাকে (যার জন্য যা প্রযোজ্য) স্বাভাবিক অবসর প্রদান, পদোন্নতি, অবসরপূর্ব পদোন্নতি, বকেয়া বেতন ও ভাতা এবং আনুষঙ্গিক সুবিধা দিতে কমিটি সুপারিশ করেছে।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে মো. আশরাফ উদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক উপস্থিত ছিলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামোর এক ঐতিহাসিক অর্জন। এই অভ্যুত্থানের পেছনে ১৪০০ মানুষের রক্তদান, ২৫ হাজার মানুষের অঙ্গহানি এবং অগণিত মানুষের ত্যাগ রয়েছে। এমন একটি মহান বিপ্লবকে ‘তথাকথিত’ বলা নিছক ধৃষ্টতাই নয়, এটি আদালত অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতা।
৩ ঘণ্টা আগে
পোস্টাল ভোটিং ও জেলখানায় ভোট প্রদান ও আইনশৃঙ্খলার মতো বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে আলোচনায়। এ ছাড়াও বৈঠকে আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ভোটকেন্দ্রের অবকাঠামো উন্নয়ন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ, পার্বত্য এলাকায় হেলিকপ্টার ব্যবহার, প্রচার কার্যক্রম, পর্যবেক্ষক নিয়োগ, ঋণখেলাপী প্রার্থী বাছাইসহ বিভিন্ন দিক।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসতে চাইলে এক দিনের মধ্যে ট্রাভেল পাস ইস্যু করবে সরকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
৫ ঘণ্টা আগে
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১২১ বারের মতো পেছাল। আগামী বছরের ৫ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।
৬ ঘণ্টা আগে