
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিটি জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে সংসদ ও সংসদের বাইরে আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মন্ত্রণালয়ে সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘এই চুক্তি না, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের আরও অনেক চুক্তি আছে বিভিন্নভাবে; ট্রেডে আছে, অন্য জায়গায় আছে।’
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এসব চুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সরাসরি প্রভাবিত করে, বাংলাদেশের মানুষকে সরাসরি প্রভাবিত করে, বিশেষ করে করে আমাদের বেসরকারি খাতকে প্রভাবিত করে। সুতরাং এর প্রত্যেকটা চুক্তি আমাদের বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করে আমরা বাস্তবায়নে যাব এবং বাস্তবায়নে যাওয়ার আগে অবশ্যই এটা নিয়ে আলোচনা হবে।’
সেই আলোচনা জাতীয় সংসদে হবে কি না প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই হবে। পার্লামেন্টে হবে, পার্লামেন্টের বাইরে হবে, আলোচনা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সাথেও যদি আলোচনা করা থাকে, সেটাও হবে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে পর ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল শতাধিক দেশের ওপর চড়া হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের ওপর বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা আসে।
পরে দর কষাকষিতে এ হার ২০ শতাংশ নামে, যা ১ অগাস্ট কার্যকর হয়। আর আগে থেকেই বাংলাদেশি পণ্যে ছিল ১৫ শতাংশ শুল্ক; সব মিলিয়ে শুল্ক দাঁড়ায় ৩৫ শতাংশ।
এরপর নয় মাসের দীর্ঘ আলোচনার ফল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক শুল্ক নিয়ে চুক্তি করে বাংলাদেশ, যাতে আগের চেয়ে ১ শতাংশ শুল্কহার কমে।
ওই চুক্তিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আরও পণ্য কিনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইতোমধধ্যে গম আমদানি বাড়ানো হয়েছে। তুলা ও সয়াবিনসহ আরও পণ্য আমদানি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ শেষের তিন দিন আগে হওয়া এই চুক্তির সমালোচনা করেছেন অনেকে। একটি অনির্বাচিত সরকার হয়েও বিগত অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তা দেখে ‘হতভম্ব’ ও ‘স্তম্ভিত’ হওয়ার কথা বলেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘এ ধরনের একটি চুক্তি কীভাবে একটি সরকার, অনির্বাচিত সরকার করে যেতে পারে, যার দায় চাপবে নির্বাচিত সরকারের ওপর!’
ওই চুক্তি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সম্প্রতি বলেন, “বাণিজ্য চুক্তি করার আগে এ বিষয়ে ‘বিএনপি ও জামায়াত সম্মতি দিয়েছিল’। ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছেন এবং তারাও এতে সম্মতি দিয়েছিল। সুতরাং এমন না যে, এইটা আমরা অন্ধকারে করেছি।”
খলিলুর রহমান অন্তর্বর্তী সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির আগে দরকষাকষিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তিনি ছিলেন প্রধান ভূমিকায়। তার ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কয়েকটি চুক্তি করলেও কোনো চুক্তি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ‘আলোচনা করেনি’।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিটি জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে সংসদ ও সংসদের বাইরে আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মন্ত্রণালয়ে সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘এই চুক্তি না, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের আরও অনেক চুক্তি আছে বিভিন্নভাবে; ট্রেডে আছে, অন্য জায়গায় আছে।’
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এসব চুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সরাসরি প্রভাবিত করে, বাংলাদেশের মানুষকে সরাসরি প্রভাবিত করে, বিশেষ করে করে আমাদের বেসরকারি খাতকে প্রভাবিত করে। সুতরাং এর প্রত্যেকটা চুক্তি আমাদের বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করে আমরা বাস্তবায়নে যাব এবং বাস্তবায়নে যাওয়ার আগে অবশ্যই এটা নিয়ে আলোচনা হবে।’
সেই আলোচনা জাতীয় সংসদে হবে কি না প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই হবে। পার্লামেন্টে হবে, পার্লামেন্টের বাইরে হবে, আলোচনা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সাথেও যদি আলোচনা করা থাকে, সেটাও হবে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে পর ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল শতাধিক দেশের ওপর চড়া হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের ওপর বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা আসে।
পরে দর কষাকষিতে এ হার ২০ শতাংশ নামে, যা ১ অগাস্ট কার্যকর হয়। আর আগে থেকেই বাংলাদেশি পণ্যে ছিল ১৫ শতাংশ শুল্ক; সব মিলিয়ে শুল্ক দাঁড়ায় ৩৫ শতাংশ।
এরপর নয় মাসের দীর্ঘ আলোচনার ফল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক শুল্ক নিয়ে চুক্তি করে বাংলাদেশ, যাতে আগের চেয়ে ১ শতাংশ শুল্কহার কমে।
ওই চুক্তিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আরও পণ্য কিনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইতোমধধ্যে গম আমদানি বাড়ানো হয়েছে। তুলা ও সয়াবিনসহ আরও পণ্য আমদানি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ শেষের তিন দিন আগে হওয়া এই চুক্তির সমালোচনা করেছেন অনেকে। একটি অনির্বাচিত সরকার হয়েও বিগত অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তা দেখে ‘হতভম্ব’ ও ‘স্তম্ভিত’ হওয়ার কথা বলেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘এ ধরনের একটি চুক্তি কীভাবে একটি সরকার, অনির্বাচিত সরকার করে যেতে পারে, যার দায় চাপবে নির্বাচিত সরকারের ওপর!’
ওই চুক্তি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সম্প্রতি বলেন, “বাণিজ্য চুক্তি করার আগে এ বিষয়ে ‘বিএনপি ও জামায়াত সম্মতি দিয়েছিল’। ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছেন এবং তারাও এতে সম্মতি দিয়েছিল। সুতরাং এমন না যে, এইটা আমরা অন্ধকারে করেছি।”
খলিলুর রহমান অন্তর্বর্তী সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির আগে দরকষাকষিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তিনি ছিলেন প্রধান ভূমিকায়। তার ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কয়েকটি চুক্তি করলেও কোনো চুক্তি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ‘আলোচনা করেনি’।

আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানো নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সিং প্ল্যাটফর্ম জুমে জরুরি সভা করে বিইআরসি। এতে পদ্মা অয়েল, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনসহ (বিপিসি) বিইআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৯ ঘণ্টা আগে
যদিও সামগ্রিকভাবে আকাশ আংশিক মেঘলা ও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার কথা বলা হয়েছে, তবে লঘুচাপের প্রভাবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি কিছু এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে অধিদপ্তর।
১১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ প্রধান পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত সকল পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য এবং সিভিল স্টাফদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন এবং তাদেরকে ঈদোত্তর আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
১২ ঘণ্টা আগে
বর্ণবাদ ও জাতিগত বৈষম্যবিরোধী সকল প্রাসঙ্গিক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করে বর্ণবাদ নির্মূলে নিজেদের অটুট অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে