
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে নতুন আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আবেদন করেছে সরকার। বুধবার (৩ জুন) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন আইএমএফের বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনার।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য নতুন কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে আইএমএফ। এ আলোচনায় সংস্কার পরিকল্পনা, অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ নীতিগত পদক্ষেপ গুরুত্ব পাচ্ছে।
বর্তমান কর্মসূচির অবদান তুলে ধরে ইভো ক্রজনার বলেন, ‘‘২০২৩ সালের জানুয়ারিতে অনুমোদিত এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ), এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি (ইএফএফ) এবং রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) আওতায় চলমান কর্মসূচিগুলো একটি কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। তবে দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। ফলে নতুন বাস্তবতার আলোকে আরও গভীর ও কার্যকর সংস্কার উদ্যোগ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে”
বাংলাদেশের অর্থনীতির দীর্ঘদিনের কিছু কাঠামোগত দুর্বলতার কথাও তুলে ধরেছে সংস্থাটি। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং কম রাজস্ব আহরণকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে এসব সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন কাঠামোর সুযোগ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে আইএমএফ বলেছে, ‘‘নতুন কর্মসূচির জন্য বাংলাদেশের আবেদন আইএমএফ ও সরকারের মধ্যে এমন একটি নতুন কাঠামো তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা প্রতিফলিত করবে এবং সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক সংস্কার কর্মসূচিকে অন্তর্ভুক্ত করবে।”
অনুমোদনের শর্ত ব্যাখ্যা করে সংস্থাটি আরও বলেছে, ‘‘তবে সম্ভাব্য নতুন কর্মসূচির অনুমোদন দেশের বৈদেশিক লেনদেনের প্রয়োজন, শক্তিশালী নীতিগত প্রতিশ্রুতি, বিশ্বাসযোগ্য সংস্কার পরিকল্পনা এবং আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে”
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করতে শিগগিরই একটি আইএমএফ স্টাফ মিশন ঢাকা সফর করবে। সফর শেষে সম্ভাব্য নতুন কর্মসূচির আকার, অর্থায়নের পরিমাণ এবং সংস্কার-সংক্রান্ত শর্ত নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আইএমএফ বলেছে, ‘‘টেকসই সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন, অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে তারা বাংলাদেশকে সহায়তা দিয়ে যাবে”
রাজনীতি/আরআইআর

বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে নতুন আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আবেদন করেছে সরকার। বুধবার (৩ জুন) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন আইএমএফের বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনার।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য নতুন কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে আইএমএফ। এ আলোচনায় সংস্কার পরিকল্পনা, অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ নীতিগত পদক্ষেপ গুরুত্ব পাচ্ছে।
বর্তমান কর্মসূচির অবদান তুলে ধরে ইভো ক্রজনার বলেন, ‘‘২০২৩ সালের জানুয়ারিতে অনুমোদিত এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ), এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি (ইএফএফ) এবং রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) আওতায় চলমান কর্মসূচিগুলো একটি কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। তবে দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। ফলে নতুন বাস্তবতার আলোকে আরও গভীর ও কার্যকর সংস্কার উদ্যোগ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে”
বাংলাদেশের অর্থনীতির দীর্ঘদিনের কিছু কাঠামোগত দুর্বলতার কথাও তুলে ধরেছে সংস্থাটি। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং কম রাজস্ব আহরণকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে এসব সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন কাঠামোর সুযোগ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে আইএমএফ বলেছে, ‘‘নতুন কর্মসূচির জন্য বাংলাদেশের আবেদন আইএমএফ ও সরকারের মধ্যে এমন একটি নতুন কাঠামো তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা প্রতিফলিত করবে এবং সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক সংস্কার কর্মসূচিকে অন্তর্ভুক্ত করবে।”
অনুমোদনের শর্ত ব্যাখ্যা করে সংস্থাটি আরও বলেছে, ‘‘তবে সম্ভাব্য নতুন কর্মসূচির অনুমোদন দেশের বৈদেশিক লেনদেনের প্রয়োজন, শক্তিশালী নীতিগত প্রতিশ্রুতি, বিশ্বাসযোগ্য সংস্কার পরিকল্পনা এবং আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে”
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করতে শিগগিরই একটি আইএমএফ স্টাফ মিশন ঢাকা সফর করবে। সফর শেষে সম্ভাব্য নতুন কর্মসূচির আকার, অর্থায়নের পরিমাণ এবং সংস্কার-সংক্রান্ত শর্ত নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আইএমএফ বলেছে, ‘‘টেকসই সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন, অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে তারা বাংলাদেশকে সহায়তা দিয়ে যাবে”
রাজনীতি/আরআইআর

সাধারণ শিক্ষার্থীরা ‘অপ্রতীম হত্যার বিচার চাই’, ‘ঘাতকদের ফাঁসি চাই’ ইত্যাদি স্লোগানে মহাসড়ক উত্তাল করে তোলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালি
৫ ঘণ্টা আগে
রিমান্ড শুনানির সময় আদালতপাড়ায় লোডশেডিং থাকায় মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে শুনানি করতে হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আসামিদের হাজতখানা থেকে বের করে এজলাসে নেওয়া হয়৷ বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটের দিকে বিচারক আরিফুর রহমান এজলাসে উঠলেও তখনো বিদ্যুৎ আসেনি। বিচারকের পাশে প্রসিকিউশন বিভাগের কয়েকজন মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে রা
২১ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতনকাঠামোয় বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাবেন ৫০ শতাংশ। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।
১ দিন আগে
এআই নিয়ে মানুষের উদ্বেগ বাড়ার মধ্যেই জীববিজ্ঞান ও ওষুধবিজ্ঞানে নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে অ্যানথ্রপিক।মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যানথ্রপিকের জীবনবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান এরিক কডেরার-আব্রামস প্রতিষ্ঠানটির ওয়েট ল্যাব থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২ দিন আগে