
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ক্ষমতায় আসার পর দুই বছর পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল সরকার। এর বদলে সিস্টেম লস বা চুরি কমিয়ে বিদ্যুতের লোকসান কমানোর কথা বলেছিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তবে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হচ্ছে সরকারকে।
পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ানোর পর মঙ্গলবার (৫ মে) খুচরায় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে প্রস্তাব দিয়েছে নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি কোম্পানি (নেসকো)। একই প্রস্তাব দিয়েছে পিডিবিও।
বিইআরসি সূত্র জানিয়েছে, অন্য বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোও এ প্রস্তাব দিতে পারে। সবগুলো কোম্পানির প্রস্তাব পেলে এরপর সমন্বিত শুনানি করে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করা হবে, যার মধ্য দিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়বে।
বিদ্যুৎ বিভাগের একটি সূত্র বলছে, গত অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ ছিল প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। এবার বিদ্যুৎ বিভাগ আরও ২০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ভর্তুকি দাবি করেছে। এত বিপুল পরিমাণ ভর্তুকির বোঝা কমাতেই বিদ্যুতের দাম না কমানোর ঘোষণা দিয়েও সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হচ্ছে সরকারকে।
এর আগে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাস দুয়েক পর গত ১৩ এপ্রিল অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ বিষয়ে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সুপারিশে সোমবার (৪ মে) পিডিবি বিদ্যুতের বাল্ক মূল্য হার প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে দেড় টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে।
এর পরপরই পিডিবি বিইআরসির কাছে পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন করে। পরে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন করে নেসকো। সূত্র জানিয়েছে, তারা ইউনিটপ্রতি নির্দিষ্ট পরিমাণ দামের কথা উল্লেখ করেনি। এর বদলে পাইকারি দাম সমন্বয় করে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, পিডিবি ও নেসকো দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। মন্ত্রিসভা কমিটির প্রস্তাবনার ওপরে পাইকারি ও খুচরা দুটোরই প্রস্তাব করেছে। পাইকারি হারের অনুপাতে খুচরায় দাম বাড়ানোর কথা বলেছে। আরও কোম্পানিও হয়তো দুয়েকদিনের মধ্যে প্রস্তাব দেবে। সব প্রস্তাব পেয়ে তারপর আমাদের কারিগরি কমিটি কাজ শুরু করবে।
বিইআরসি দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম সমন্বয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৪ সালে এই সংস্থার বদলে সরকারের নির্বাহী আদেশে বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম বাড়ানোর আইন চালু করেছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ‘বিইআরসি আইন ২০০৩’ পুনর্বহাল করে ফের এ ক্ষমতা বিইআরসিকে ফিরিয়ে দেয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অবশ্য বিদ্যুতের দাম বাড়েনি।
ভর্তুকি বাড়ছে বিদ্যুতে
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পেছনে মূলত কাজ করছে বড় অঙ্কের ভর্তুকি। পিডিবি কর্মকর্তারা জানান, আদানির কাছ থেকে প্রতি ইউনিট ১৪ দশমিক ৮৬ টাকা, আরপিজিসিএল থেকে ২৬ দশমিক ৯২ টাকা, আরএনপিএল থেকে ১৫ দশমিক ৭ টাকা, আশুগঞ্জ থেকে ৬ দশমিক ২৬ টাকা, ইজিসিবি থেকে ৬ দশমিক ৩৭ টাকা এনডাব্লুউপিসিসিএল থেকে ১১ দশমিক ২২ টাকা ও পায়রা থেকে ১৪ দশমিক ২৭ টাকা দরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কেনা হচ্ছে। এর বাইরে পিডিবির নিজস্ব বিদ্যুতের দাম পড়ছে প্রতি ইউনিট ৮ দশমিক ৯৬ টাকা।
পিডিবির হিসাব বলছে, সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ কিনে সরবরাহ করতে প্রতি ইউনিটে পিডিবির খরচ পড়ে গড়ে ১২ দশমিক ৯৭ টাকা। কিন্তু পিডিবি প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রি করে ৭ টাকায়। এতে প্রতি ইউনিটে তাদের লোকসান প্রায় ৬ টাকা। স্বাভাবিকভাবেই এ টাকা ভর্তুকি দিতে হয় সরকারকে।
পিডিবি জানায়, গত বছর তাদের লোকসান ছিল ৫৫ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে অন্তর্বর্তী সরকার ভর্তুকি দিয়েছিল ৩৮ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকা। বাকি ১৭ হাজার ২১ কোটি টাকা এক বছরের লোকসান জমা পড়ে পিডিবির ঘাড়ে। সব মিলিয়ে পিডিবির বর্তমান লোকসান জমে আছে ৪৪ হাজার কোটি টাকা।
পিডিবি আরও জানায়, ২০২১-২০২২ সালে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি চাওয়া হয়েছিল ৩১ হাজার ১৪৮ দশমিক ৩৪ কোটি টাকা, দেওয়া হয় ২৯ হাজার ৬০৯ দশমিক ১৪ কোটি টাকা। পরের অর্থবছরে ভর্তুকির চাহিদা ছিল ৪৩ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা, দেওয়া হয় ৩৮ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ভর্তুকির চাহিদা ছিল ৪০ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা, দেওয়া হয় ৩৩ হাজার কোটি টাকা।
এরপর ২০২৪-২০২৫ সালে ভতুর্কির চাহিদা ছিল ৪৩ হাজার ১৭০ কোটি টাকা, দেওয়া হয় ৩৮ হাজার ৬৩৬ কোটি টাকা। চলতি বছরে ভর্তুকির চাহিদা এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ৩৬ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। এখন পর্যন্ত অর্থমন্ত্রণালয় ভর্তুকি দিয়েছে ২০ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা।
পিডবি বলছে, চলতি বছর লোকসান আরও বাড়বে। কারণ রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ, রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট, ইউনাইটেড ৪৯০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে আসবে। তাদের ক্যাপাসিটি চার্জসহ অন্যান্য খরচ দিতে হবে।

ক্ষমতায় আসার পর দুই বছর পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল সরকার। এর বদলে সিস্টেম লস বা চুরি কমিয়ে বিদ্যুতের লোকসান কমানোর কথা বলেছিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তবে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হচ্ছে সরকারকে।
পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ানোর পর মঙ্গলবার (৫ মে) খুচরায় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে প্রস্তাব দিয়েছে নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি কোম্পানি (নেসকো)। একই প্রস্তাব দিয়েছে পিডিবিও।
বিইআরসি সূত্র জানিয়েছে, অন্য বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোও এ প্রস্তাব দিতে পারে। সবগুলো কোম্পানির প্রস্তাব পেলে এরপর সমন্বিত শুনানি করে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করা হবে, যার মধ্য দিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়বে।
বিদ্যুৎ বিভাগের একটি সূত্র বলছে, গত অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ ছিল প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। এবার বিদ্যুৎ বিভাগ আরও ২০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ভর্তুকি দাবি করেছে। এত বিপুল পরিমাণ ভর্তুকির বোঝা কমাতেই বিদ্যুতের দাম না কমানোর ঘোষণা দিয়েও সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হচ্ছে সরকারকে।
এর আগে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাস দুয়েক পর গত ১৩ এপ্রিল অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ বিষয়ে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সুপারিশে সোমবার (৪ মে) পিডিবি বিদ্যুতের বাল্ক মূল্য হার প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে দেড় টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে।
এর পরপরই পিডিবি বিইআরসির কাছে পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন করে। পরে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন করে নেসকো। সূত্র জানিয়েছে, তারা ইউনিটপ্রতি নির্দিষ্ট পরিমাণ দামের কথা উল্লেখ করেনি। এর বদলে পাইকারি দাম সমন্বয় করে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, পিডিবি ও নেসকো দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। মন্ত্রিসভা কমিটির প্রস্তাবনার ওপরে পাইকারি ও খুচরা দুটোরই প্রস্তাব করেছে। পাইকারি হারের অনুপাতে খুচরায় দাম বাড়ানোর কথা বলেছে। আরও কোম্পানিও হয়তো দুয়েকদিনের মধ্যে প্রস্তাব দেবে। সব প্রস্তাব পেয়ে তারপর আমাদের কারিগরি কমিটি কাজ শুরু করবে।
বিইআরসি দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম সমন্বয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৪ সালে এই সংস্থার বদলে সরকারের নির্বাহী আদেশে বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম বাড়ানোর আইন চালু করেছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ‘বিইআরসি আইন ২০০৩’ পুনর্বহাল করে ফের এ ক্ষমতা বিইআরসিকে ফিরিয়ে দেয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অবশ্য বিদ্যুতের দাম বাড়েনি।
ভর্তুকি বাড়ছে বিদ্যুতে
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পেছনে মূলত কাজ করছে বড় অঙ্কের ভর্তুকি। পিডিবি কর্মকর্তারা জানান, আদানির কাছ থেকে প্রতি ইউনিট ১৪ দশমিক ৮৬ টাকা, আরপিজিসিএল থেকে ২৬ দশমিক ৯২ টাকা, আরএনপিএল থেকে ১৫ দশমিক ৭ টাকা, আশুগঞ্জ থেকে ৬ দশমিক ২৬ টাকা, ইজিসিবি থেকে ৬ দশমিক ৩৭ টাকা এনডাব্লুউপিসিসিএল থেকে ১১ দশমিক ২২ টাকা ও পায়রা থেকে ১৪ দশমিক ২৭ টাকা দরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কেনা হচ্ছে। এর বাইরে পিডিবির নিজস্ব বিদ্যুতের দাম পড়ছে প্রতি ইউনিট ৮ দশমিক ৯৬ টাকা।
পিডিবির হিসাব বলছে, সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ কিনে সরবরাহ করতে প্রতি ইউনিটে পিডিবির খরচ পড়ে গড়ে ১২ দশমিক ৯৭ টাকা। কিন্তু পিডিবি প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রি করে ৭ টাকায়। এতে প্রতি ইউনিটে তাদের লোকসান প্রায় ৬ টাকা। স্বাভাবিকভাবেই এ টাকা ভর্তুকি দিতে হয় সরকারকে।
পিডিবি জানায়, গত বছর তাদের লোকসান ছিল ৫৫ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে অন্তর্বর্তী সরকার ভর্তুকি দিয়েছিল ৩৮ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকা। বাকি ১৭ হাজার ২১ কোটি টাকা এক বছরের লোকসান জমা পড়ে পিডিবির ঘাড়ে। সব মিলিয়ে পিডিবির বর্তমান লোকসান জমে আছে ৪৪ হাজার কোটি টাকা।
পিডিবি আরও জানায়, ২০২১-২০২২ সালে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি চাওয়া হয়েছিল ৩১ হাজার ১৪৮ দশমিক ৩৪ কোটি টাকা, দেওয়া হয় ২৯ হাজার ৬০৯ দশমিক ১৪ কোটি টাকা। পরের অর্থবছরে ভর্তুকির চাহিদা ছিল ৪৩ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা, দেওয়া হয় ৩৮ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ভর্তুকির চাহিদা ছিল ৪০ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা, দেওয়া হয় ৩৩ হাজার কোটি টাকা।
এরপর ২০২৪-২০২৫ সালে ভতুর্কির চাহিদা ছিল ৪৩ হাজার ১৭০ কোটি টাকা, দেওয়া হয় ৩৮ হাজার ৬৩৬ কোটি টাকা। চলতি বছরে ভর্তুকির চাহিদা এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ৩৬ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। এখন পর্যন্ত অর্থমন্ত্রণালয় ভর্তুকি দিয়েছে ২০ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা।
পিডবি বলছে, চলতি বছর লোকসান আরও বাড়বে। কারণ রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ, রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট, ইউনাইটেড ৪৯০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে আসবে। তাদের ক্যাপাসিটি চার্জসহ অন্যান্য খরচ দিতে হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে প্রতিনিধিদলে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনসহ অন্যান্যরা।
১ ঘণ্টা আগে
যুবসমাজ ও খেলাধুলার মধ্যে একটি গভীর ও অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক রয়েছে। এটি সঠিকভাবে কাজে লাগানো গেলে জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার যুব উন্নয়ন ও ক্রীড়া খাতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
১ ঘণ্টা আগে
আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নুসরাত তাবাসসুমকে শপথবাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
২ ঘণ্টা আগে