
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সাধারণত এ ধরনের পদত্যাগপত্র খুবই সংক্ষিপ্ত, দুই বা তিন লাইনের হলেও সাহাবুদ্দিন লিখেছেন দীর্ঘ এক পদত্যাগপত্র। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তার ‘সুদৃঢ় ও ইতিবাচক’ ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংগঠনিক বিপর্যয় ঘটেনি।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগপত্রটি স্পিকারের কার্যালয়ে পৌঁছে দেন তার একান্ত সচিব। পরে স্পিকার সংবাদ সম্মেলন করে জানান, বিকেল ৫টা ১ মিনিটে তিনি পদত্যাগপত্রটি পেয়েছেন।
বর্তমানে ক্ষমতাচ্যুত ও রাজনীতি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৩ সালের এপ্রিলে ক্ষমতাসীন সরকারের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মো. সাহাবুদ্দিন। আট মাস পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের আওয়ামী লীগ জয় পেয়ে সরকার গঠন করলে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়িয়েছিলেন তিনি।
এর ছয় মাসের মাথায় জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একাংশও দেশ ছাড়েন, একাংশ চলে যান আত্মগোপনে।
এ পরিস্থিতিতে দেশ পরিচালনার ভার কার ওপর অর্পিত হবে, তা নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। কারণ সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়ার পর সরকার পতন হলে পরবর্তী সরকার নির্ধারণের কোনো পদ্ধতি সংবিধানে আর নেই।
ওই সময় সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন রাষ্ট্রপতি। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে শপথও পড়ান তিনিই।
জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী এ পরিস্থিতিতে নিজে ‘সুদৃঢ় ও ইতিবাচক’ ভূমিকা রেখেছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি। লিখেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকারের পতনের পর দেশে শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়। সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের অভিপ্রায়ে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত কামনা করি।
মো. সাহাবুদ্দিন আরও লিখেছেন, এরপর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদের (ত্রয়োদশ) সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করে।
এ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। সরকারি দল তাদের আস্থাভাজন হিসেবে সংসদ নেতা ও সরকারপ্রধান নির্বাচিত করে তারেক রহমানকে। তাকেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়ান মো. সাহাবুদ্দিন।
বিদায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বর্তমান সরকার গঠিত হয়ে সরকার পরিচালনা করছে। বর্তমানে সরকারি দল ও বিরোধী দল গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছে। আমার সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।
পদত্যাগপত্রের পরের অংশে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব পালনে অসামর্থ্যের কথা জানান মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি লিখেছেন, রোগগুলোর প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সাধারণত এ ধরনের পদত্যাগপত্র খুবই সংক্ষিপ্ত, দুই বা তিন লাইনের হলেও সাহাবুদ্দিন লিখেছেন দীর্ঘ এক পদত্যাগপত্র। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তার ‘সুদৃঢ় ও ইতিবাচক’ ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংগঠনিক বিপর্যয় ঘটেনি।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগপত্রটি স্পিকারের কার্যালয়ে পৌঁছে দেন তার একান্ত সচিব। পরে স্পিকার সংবাদ সম্মেলন করে জানান, বিকেল ৫টা ১ মিনিটে তিনি পদত্যাগপত্রটি পেয়েছেন।
বর্তমানে ক্ষমতাচ্যুত ও রাজনীতি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৩ সালের এপ্রিলে ক্ষমতাসীন সরকারের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মো. সাহাবুদ্দিন। আট মাস পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের আওয়ামী লীগ জয় পেয়ে সরকার গঠন করলে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়িয়েছিলেন তিনি।
এর ছয় মাসের মাথায় জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একাংশও দেশ ছাড়েন, একাংশ চলে যান আত্মগোপনে।
এ পরিস্থিতিতে দেশ পরিচালনার ভার কার ওপর অর্পিত হবে, তা নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। কারণ সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়ার পর সরকার পতন হলে পরবর্তী সরকার নির্ধারণের কোনো পদ্ধতি সংবিধানে আর নেই।
ওই সময় সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন রাষ্ট্রপতি। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে শপথও পড়ান তিনিই।
জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী এ পরিস্থিতিতে নিজে ‘সুদৃঢ় ও ইতিবাচক’ ভূমিকা রেখেছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি। লিখেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকারের পতনের পর দেশে শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়। সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের অভিপ্রায়ে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত কামনা করি।
মো. সাহাবুদ্দিন আরও লিখেছেন, এরপর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদের (ত্রয়োদশ) সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করে।
এ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। সরকারি দল তাদের আস্থাভাজন হিসেবে সংসদ নেতা ও সরকারপ্রধান নির্বাচিত করে তারেক রহমানকে। তাকেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়ান মো. সাহাবুদ্দিন।
বিদায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বর্তমান সরকার গঠিত হয়ে সরকার পরিচালনা করছে। বর্তমানে সরকারি দল ও বিরোধী দল গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছে। আমার সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।
পদত্যাগপত্রের পরের অংশে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব পালনে অসামর্থ্যের কথা জানান মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি লিখেছেন, রোগগুলোর প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।

শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
১ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
১ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
২ দিন আগে
নির্দেশনায় বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক মূল ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।
২ দিন আগে