
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে সংসদে মুলতবি প্রস্তাবে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আলোচনা করেও কোনো ঐকমত্য আসেনি। সরকারি দল তাদের আলোচলায় বলছে, তারা জুলাই সনদের পক্ষেই আছে, যা সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যদিকে বিরোধী দল বলেছে, গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের কাঠামো অনুযায়ীই এটি বাস্তবায়ন করতে হবে।
রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৬২ বিধিতে আনা মুলতবি প্রস্তাবের ওপর দীর্ঘ দুই ঘণ্টা ধরে এ আলোচনা হয়। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রস্তাবটি ‘টকড আউট’ ঘোষণা করেন। নোয়াখালী-২ আসন থেকে সরকারি দলের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক গত বুধবার মুলতবি প্রস্তাবটি আনেন।
মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ একটি রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল, যা সংবিধান সংশোধনসহ বিভিন্ন আইন-কানুন প্রণয়ন, সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জনের বিষয়ে প্রস্তাব সংক্রান্ত। সে কারণে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি কী হবে, সেই বিষয়ে সংসদ মুলতবি রেখে আলোচনার জন্য আপনার দ্বারস্থ হয়েছি।
প্রস্তাবকারী জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আমরা জুলাই সনদের বিরুদ্ধে না। জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে আমরা পালন করতে চাই। জুলাই সনদের খুঁটিনাটি সব বিষয় সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে চাই কিন্তু পদ্ধতিটা কী হবে?
স্পিকারের আহ্বানে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হক শুরুতেই প্রশ্ন তোলেন, ৩০ মার্চ একই ধরনের একটি প্রস্তাব উঠেছিল, কিন্তু তার কোনো নিষ্পত্তি সংসদ জানতে পারেনি। সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা, জুলাই সনদকে ভিত্তি করে সংবিধান সংস্কার বিষয়ে একটি ম্যান্ডেট নেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়টি পাশ কাটিয়ে সংস্কার শব্দটি পর্যন্ত আনা হয় নাই।
তিনি আরও বলেন, গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে, সংশোধনের জন্য নয়। গণরায়কে পর্যন্ত আজ উপেক্ষা করা হচ্ছে।
রংপুর-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার আগের প্রস্তাবকে আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত বলে নাকচ করা হয়েছিল, কিন্তু আজ সরকারি দলের প্রস্তাবের ক্ষেত্রে সে যুক্তি ধরা হয়নি। আজ যে প্রস্তাবটি তিনি এখানে উত্থাপন করেছেন সেই প্রস্তাবটি উত্থাপন হওয়ার যোগ্য প্রস্তাবই নয়। সংস্কারের যে ঘোড়া সে ঘোড়া অনেক দূরে এগিয়ে গেছে, সেই ঘোড়াকে এখন লাগাম পরানোর চেষ্টা করছে।
চট্টগ্রাম-৫ আসনের বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, জুলাই সনদের ৬ নম্বর অংশে সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কারের বিষয়সমূহ বলা আছে। আমার দৃষ্টিতে যেটা ভয়েড অ্যাব ইনিশিও (আইনি পরিভাষায় শুরু থেকেই এর কোনো কার্যকারিতা নেই), এটার কোনো আইনি ভিত্তিই নেই।
মীর হেলাল প্রশ্ন করেন, সেটাকে (জুলাই সনদ) নিয়ে আলোচনা করে জনগণকে বিভ্রান্ত করে, জনগণের মনে একটা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেশে হিংসা-বিদ্বেষ ছড়ানোটা জুলাইয়ের স্পিরিটের সাথে কতটুকু যায়?
ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, ‘সংস্কার’ আর ‘সংশোধন’ নিয়ে শব্দের খেলা করা হচ্ছে। আমরা তো চাচ্ছি, জুলাইয়ের যেই জিনিসগুলো আছে, সেগুলো সংবিধানের মধ্যে আসবে এবং সংবিধানের রীতিনীতি মেনেই আসবে।
পাবনা-১ আসনে জামায়াতের মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জনগণ জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের পক্ষেই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। আপনারা যদি গণভোটে বিশ্বাস করেন, জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করেন, জনগণ এই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিয়েছে। সংসদের এখতিয়ার নেই কোনো আদেশকে নিজে থেকে অবৈধ বলার, সেই এখতিয়ার হাইকোর্টের।
এ পর্যায়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জুলাই সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি জুলাই সনদেই ব্যাখ্যা করা আছে উল্লেখ করে বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ স্বব্যাখ্যায়িত। বাস্তবায়নের পদ্ধতিটা জুলাই জাতীয় সনদ ইটসেলফ। এখানে অন্য কোনো পদ্ধতির প্রয়োজন নাই।
গণভোটের তফসিল নিয়ে প্রশ্ন তুলে আইনমন্ত্রী বলেন, এটা হলো ফ্রড অন দ্য কনস্টিটিউশন। সংবিধানের প্রতিটি সংশোধনীই সংস্কার, কিন্তু প্রতিটি সংস্কারই সংশোধনী নয়। রাজনৈতিকভাবে সংস্কারের দাবি উঠতে পারে, কিন্তু সংসদে এসে তা আইনি রূপ নিলে সেটি হবে সংবিধান সংশোধন এবং তা ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ীই করতে হবে। আমরা বারবার বলছি, জুলাই সনদ নিয়ে রাজনীতি করার দরকার নাই। আসুন জুলাই সনদের পথ ধরে হাঁটি।
মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, আমরা অর্ডার মানি, আমরা অভ্যুত্থানের বাস্তবতা মানি। আমরা গণভোট মানি, আমরা গণভোটের মাধ্যমে যে সংস্কার পরিষদ হওয়ার কথা তা মানি। আমরা প্রয়োজনে সংবিধানের সংশোধন মানি, আমরা জুলাই সনদ সুন্দরভাবে বাস্তবায়নের বিষয়টা মানি। কোনো জায়গায় অমান্যের কোনো জায়গা আমাদের পক্ষ থেকে নেই।
তবে বিরোধীদলীয় নেতা প্রশ্ন তোলেন, ৩০ মার্চের আগের প্রস্তাবের নিষ্পত্তি না জেনে কীভাবে একই ধরনের আরেকটি প্রস্তাব আলোচনায় আনা হলো? অনিষ্পন্ন একটা বিষয়ে প্রস্তাব থাকা অবস্থায় আরেকটা মুলতবি প্রস্তাব আসতে পারে কি না, আমি এই কার্যপ্রণালী বিধি পড়ে এটা বুঝতে পারি নাই।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সংসদ নেতার পক্ষে বক্তব্য দিয়ে বলেন, সংবিধান হয় রহিত, স্থগিত, সংশোধন, বাতিল। সংবিধান তো সংস্কার হয় না। জনগণের অভিপ্রায়কে সংবিধানে ধারণ করার জন্য এই সংসদে আসতে হবে, সংশোধন নিয়ে আসতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব দেন, সংবিধান সংশোধন নিয়ে একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি করা হোক, যেখানে সব দল বসে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে পথ বের করবে।
স্পিকার বিরোধীদলীয় নেতার আগের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ৩০ মার্চের প্রস্তাবটিও কার্যত আলোচনার মধ্যেই শেষ হয়েছিল। এটা হলো এই মুলতবি প্রস্তাবে স্বাভাবিকভাবে সমাপ্ত হয়েছে এবং পার্লামেন্টারি পরিভাষায় একে বলা হয় টকড আউট।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে সংসদে মুলতবি প্রস্তাবে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আলোচনা করেও কোনো ঐকমত্য আসেনি। সরকারি দল তাদের আলোচলায় বলছে, তারা জুলাই সনদের পক্ষেই আছে, যা সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যদিকে বিরোধী দল বলেছে, গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের কাঠামো অনুযায়ীই এটি বাস্তবায়ন করতে হবে।
রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৬২ বিধিতে আনা মুলতবি প্রস্তাবের ওপর দীর্ঘ দুই ঘণ্টা ধরে এ আলোচনা হয়। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রস্তাবটি ‘টকড আউট’ ঘোষণা করেন। নোয়াখালী-২ আসন থেকে সরকারি দলের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক গত বুধবার মুলতবি প্রস্তাবটি আনেন।
মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ একটি রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল, যা সংবিধান সংশোধনসহ বিভিন্ন আইন-কানুন প্রণয়ন, সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জনের বিষয়ে প্রস্তাব সংক্রান্ত। সে কারণে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি কী হবে, সেই বিষয়ে সংসদ মুলতবি রেখে আলোচনার জন্য আপনার দ্বারস্থ হয়েছি।
প্রস্তাবকারী জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আমরা জুলাই সনদের বিরুদ্ধে না। জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে আমরা পালন করতে চাই। জুলাই সনদের খুঁটিনাটি সব বিষয় সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে চাই কিন্তু পদ্ধতিটা কী হবে?
স্পিকারের আহ্বানে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হক শুরুতেই প্রশ্ন তোলেন, ৩০ মার্চ একই ধরনের একটি প্রস্তাব উঠেছিল, কিন্তু তার কোনো নিষ্পত্তি সংসদ জানতে পারেনি। সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা, জুলাই সনদকে ভিত্তি করে সংবিধান সংস্কার বিষয়ে একটি ম্যান্ডেট নেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়টি পাশ কাটিয়ে সংস্কার শব্দটি পর্যন্ত আনা হয় নাই।
তিনি আরও বলেন, গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে, সংশোধনের জন্য নয়। গণরায়কে পর্যন্ত আজ উপেক্ষা করা হচ্ছে।
রংপুর-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার আগের প্রস্তাবকে আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত বলে নাকচ করা হয়েছিল, কিন্তু আজ সরকারি দলের প্রস্তাবের ক্ষেত্রে সে যুক্তি ধরা হয়নি। আজ যে প্রস্তাবটি তিনি এখানে উত্থাপন করেছেন সেই প্রস্তাবটি উত্থাপন হওয়ার যোগ্য প্রস্তাবই নয়। সংস্কারের যে ঘোড়া সে ঘোড়া অনেক দূরে এগিয়ে গেছে, সেই ঘোড়াকে এখন লাগাম পরানোর চেষ্টা করছে।
চট্টগ্রাম-৫ আসনের বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, জুলাই সনদের ৬ নম্বর অংশে সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কারের বিষয়সমূহ বলা আছে। আমার দৃষ্টিতে যেটা ভয়েড অ্যাব ইনিশিও (আইনি পরিভাষায় শুরু থেকেই এর কোনো কার্যকারিতা নেই), এটার কোনো আইনি ভিত্তিই নেই।
মীর হেলাল প্রশ্ন করেন, সেটাকে (জুলাই সনদ) নিয়ে আলোচনা করে জনগণকে বিভ্রান্ত করে, জনগণের মনে একটা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেশে হিংসা-বিদ্বেষ ছড়ানোটা জুলাইয়ের স্পিরিটের সাথে কতটুকু যায়?
ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, ‘সংস্কার’ আর ‘সংশোধন’ নিয়ে শব্দের খেলা করা হচ্ছে। আমরা তো চাচ্ছি, জুলাইয়ের যেই জিনিসগুলো আছে, সেগুলো সংবিধানের মধ্যে আসবে এবং সংবিধানের রীতিনীতি মেনেই আসবে।
পাবনা-১ আসনে জামায়াতের মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জনগণ জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের পক্ষেই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। আপনারা যদি গণভোটে বিশ্বাস করেন, জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করেন, জনগণ এই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিয়েছে। সংসদের এখতিয়ার নেই কোনো আদেশকে নিজে থেকে অবৈধ বলার, সেই এখতিয়ার হাইকোর্টের।
এ পর্যায়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জুলাই সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি জুলাই সনদেই ব্যাখ্যা করা আছে উল্লেখ করে বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ স্বব্যাখ্যায়িত। বাস্তবায়নের পদ্ধতিটা জুলাই জাতীয় সনদ ইটসেলফ। এখানে অন্য কোনো পদ্ধতির প্রয়োজন নাই।
গণভোটের তফসিল নিয়ে প্রশ্ন তুলে আইনমন্ত্রী বলেন, এটা হলো ফ্রড অন দ্য কনস্টিটিউশন। সংবিধানের প্রতিটি সংশোধনীই সংস্কার, কিন্তু প্রতিটি সংস্কারই সংশোধনী নয়। রাজনৈতিকভাবে সংস্কারের দাবি উঠতে পারে, কিন্তু সংসদে এসে তা আইনি রূপ নিলে সেটি হবে সংবিধান সংশোধন এবং তা ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ীই করতে হবে। আমরা বারবার বলছি, জুলাই সনদ নিয়ে রাজনীতি করার দরকার নাই। আসুন জুলাই সনদের পথ ধরে হাঁটি।
মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, আমরা অর্ডার মানি, আমরা অভ্যুত্থানের বাস্তবতা মানি। আমরা গণভোট মানি, আমরা গণভোটের মাধ্যমে যে সংস্কার পরিষদ হওয়ার কথা তা মানি। আমরা প্রয়োজনে সংবিধানের সংশোধন মানি, আমরা জুলাই সনদ সুন্দরভাবে বাস্তবায়নের বিষয়টা মানি। কোনো জায়গায় অমান্যের কোনো জায়গা আমাদের পক্ষ থেকে নেই।
তবে বিরোধীদলীয় নেতা প্রশ্ন তোলেন, ৩০ মার্চের আগের প্রস্তাবের নিষ্পত্তি না জেনে কীভাবে একই ধরনের আরেকটি প্রস্তাব আলোচনায় আনা হলো? অনিষ্পন্ন একটা বিষয়ে প্রস্তাব থাকা অবস্থায় আরেকটা মুলতবি প্রস্তাব আসতে পারে কি না, আমি এই কার্যপ্রণালী বিধি পড়ে এটা বুঝতে পারি নাই।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সংসদ নেতার পক্ষে বক্তব্য দিয়ে বলেন, সংবিধান হয় রহিত, স্থগিত, সংশোধন, বাতিল। সংবিধান তো সংস্কার হয় না। জনগণের অভিপ্রায়কে সংবিধানে ধারণ করার জন্য এই সংসদে আসতে হবে, সংশোধন নিয়ে আসতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব দেন, সংবিধান সংশোধন নিয়ে একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি করা হোক, যেখানে সব দল বসে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে পথ বের করবে।
স্পিকার বিরোধীদলীয় নেতার আগের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ৩০ মার্চের প্রস্তাবটিও কার্যত আলোচনার মধ্যেই শেষ হয়েছিল। এটা হলো এই মুলতবি প্রস্তাবে স্বাভাবিকভাবে সমাপ্ত হয়েছে এবং পার্লামেন্টারি পরিভাষায় একে বলা হয় টকড আউট।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ঢাকা সফরে এসেছেন ব্রিটিশ বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস উইন্টারটন। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) থেকে তার সফরের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের কয়েকটি অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৩ এপ্রিল ‘চৈত্র সংক্রান্তি’ উপলক্ষে তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
১৫ ঘণ্টা আগে
রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের অষ্টম দিনে নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের আনা একটি মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
১৬ ঘণ্টা আগে