
বাসস

চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। আজ রবিবার সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে এক পোস্টে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র।
স্ট্যাটাসে মাহদী আমিন বলেন, ‘একটি অসাধু চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই ধরনের অপতৎপরতা রোধে সাইবার নজরদারি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে ভুয়া প্রশ্ন সাজিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গত কয়েক দিনে প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেফতারকৃতরা একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছিল। ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো চক্র অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’
উপদেষ্টা বলেন, একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদনে প্রশ্নফাঁসের যে বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু সেটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি প্রকৃতপক্ষে কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা নয় বরং সুপরিকল্পিত একটি প্রতারণা।
চক্রটি প্রথমে টাকা নেয় এবং পরে নানা অজুহাত দিয়ে উধাও হয়ে যায়। এমনকি পরীক্ষা শুরুর পর প্রশ্ন সংগ্রহ করে সেটিকে আগের রাতে আপলোড করা হয়েছিল বলে দাবি করে শিক্ষার্থীদের ফাঁদে ফেলে।
তিনি আরও জানান, সত্যিকারের প্রমাণ না থাকায় এবং প্রতিবেদনে ত্রুটি থাকায় সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন চ্যানেলটি নিজ দায়িত্বেই প্রতিবেদনটি সরিয়ে নিয়েছে।
বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, ‘সেই সময়ে পাঠ্যপুস্তকে বিকৃত ইতিহাস ও মেধার চেয়ে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান নির্বাচিত সরকার শিক্ষাখাতকে ঢেলে সাজাতে সচেষ্ট। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ইতোমধ্যেই বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার ‘আন্দোলনময় শিক্ষা’র যে সংস্কৃতি গড়ে তুলছে, তা প্রতারণামূলক মানসিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো সংবাদ বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেন।

চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। আজ রবিবার সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে এক পোস্টে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র।
স্ট্যাটাসে মাহদী আমিন বলেন, ‘একটি অসাধু চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই ধরনের অপতৎপরতা রোধে সাইবার নজরদারি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে ভুয়া প্রশ্ন সাজিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গত কয়েক দিনে প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেফতারকৃতরা একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছিল। ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো চক্র অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’
উপদেষ্টা বলেন, একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদনে প্রশ্নফাঁসের যে বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু সেটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি প্রকৃতপক্ষে কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা নয় বরং সুপরিকল্পিত একটি প্রতারণা।
চক্রটি প্রথমে টাকা নেয় এবং পরে নানা অজুহাত দিয়ে উধাও হয়ে যায়। এমনকি পরীক্ষা শুরুর পর প্রশ্ন সংগ্রহ করে সেটিকে আগের রাতে আপলোড করা হয়েছিল বলে দাবি করে শিক্ষার্থীদের ফাঁদে ফেলে।
তিনি আরও জানান, সত্যিকারের প্রমাণ না থাকায় এবং প্রতিবেদনে ত্রুটি থাকায় সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন চ্যানেলটি নিজ দায়িত্বেই প্রতিবেদনটি সরিয়ে নিয়েছে।
বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, ‘সেই সময়ে পাঠ্যপুস্তকে বিকৃত ইতিহাস ও মেধার চেয়ে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান নির্বাচিত সরকার শিক্ষাখাতকে ঢেলে সাজাতে সচেষ্ট। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ইতোমধ্যেই বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার ‘আন্দোলনময় শিক্ষা’র যে সংস্কৃতি গড়ে তুলছে, তা প্রতারণামূলক মানসিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো সংবাদ বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেন।

আন্দোলনকারীরা জানান, প্রায় ১১ লাখ প্রার্থীর সঙ্গে লড়াই করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ডোপ টেস্টের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেও গত আড়াই মাস ধরে তাদের নিয়োগ কার্যক্রম ঝুলে আছে।
২ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ এসএসসি ও সমমান এবং ২০ লাখ এইচএসসি ও সমমানের শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষার দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে মূল্যবান সময় হারাচ্ছে। শুধু ভর্তি পরীক্ষার কারণেই জাতির কাছ থেকে প্রায় ’৪০ লাখ’ বছর সময় নষ্ট হচ্ছে। কখন ভর্তি শুরু হবে এবং কখন শেষ হবে, এই বিষয়গুলো সমন্বয়ের দায়িত্
২ ঘণ্টা আগে
‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বিল গেটসের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে বিল গেটস ঝটিকা সফরে এখানে এসেছিলেন।’
৩ ঘণ্টা আগে