
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার ১৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক নেতারা। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া এবং জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা না হওয়ায় তারা বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিএনপি সরকারের কাছে সাগর-রুনির খুনিদের বিচার দাবি জানান তারা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় আয়োজিত সমাবেশে এ দাবি করেন বক্তারা।
ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের বয়স মাত্র দেড় মাস। ডিআরইউ আশা প্রকাশ করছে এই সরকার শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক নেতৃত্বের মাধ্যমে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করবে। সংগঠনটি সরকারের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাছে বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছে—ঘরে ঢুকে সংঘটিত এই নির্মম হত্যার দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা হোক।
তিনি বলেন, যদি বর্তমান সরকারও এ হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের ওপরও ব্যর্থতার দায় বর্তাবে। আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। যদি সেখান থেকে কোনো ইতিবাচক আশ্বাস না পাওয়া যায়, তবে সাংবাদিক সমাজ আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
তিনি বলেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত এ নৃশংস হত্যার কোনো বিচার সম্পন্ন হয়নি। সাগর-রুনি হত্যার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি সরকারের আমল অতিবাহিত হয়েছে—আওয়ামী লীগ সরকার, ২০১৪ সালের একদলীয় সরকার, ২০১৮ সালের রাতের সরকার, ২০২৪ সালের ডামি সরকার এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই দীর্ঘ সময়ে সাংবাদিক সমাজ বারবার বিচারের দাবিতে আকুতি জানিয়েছে, কিন্তু কোনো কার্যকর অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়নি। এতে জনমনে গভীর হতাশা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
তিনি বলেন, ডিআরইউ’র পক্ষ থেকে গত বছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। এতে বিচারহীনতার সংস্কৃতি আরও দৃঢ় হয়েছে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
ডিআরইউ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছে—সাগর-রুনি হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত সাংবাদিকরা এই দাবি থেকে সরে আসবে না এবং প্রয়োজনে কিয়ামত পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
ডিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো সরকারই এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে চাইনি। চাইলে এতদিন সময় লাগার কথা নয়। একে একে তিন সরকার এলো। কিন্তু সাগর-রুনি হত্যার বিচারের কোনো অগ্রগতিই হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়েছে ১২৫ বার। চাঞ্চল্যকর এমন কোনো হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এতবার পেছানোর কোনো নজির আছে কিনা জানা নেই। সরকার আন্তরিক থাকলে এমনটি হতো না বলে আমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, বর্তমানে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার দেশ পরিচালনা করছে । আমাদের বিশ্বাস এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে এই সরকার আন্তরিক থাকবে।
ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেন, সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার দীর্ঘদিনেও সম্পন্ন না হওয়ায় একের পর এক সরকার জনগণকে হতাশ করেছে। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছেও বিচার পাওয়ার আশা ছিল, কিন্তু তারাও তা সম্পন্ন করতে পারেনি। এখন বর্তমান বিএনপি সরকারের কাছে প্রত্যাশা—তারা যেন এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করে প্রমাণ করে যে খুনীদের ক্ষমতার চেয়ে আইনের শক্তি অনেক বেশি।
এ সময় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ডিইউজের যুগ্ম সম্পাদক দিদারুল আলম, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, মাছরাঙা টেলিভিশনের হেড অব নিউজ হামিদুল হক, ডিআরইউ’র যুগ্ম সম্পাদক মো. জাফর ইকবাল, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, নারী বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদ সোহেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নাদিয়া শারমিন, সাবেক প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক মশিউর রহমান, স্থায়ী সদস্য কুদরাত-ই খোদা, গাজী আবু বকর, মনোজ রায়, হারুন-উর রশীদ, ডি এম আমিরুল ইসলাম অমর ও ওবায়েদ অংশুমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ’র অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, কার্যনির্বাহী সদস্য মাহফুজ সাদিসহ সদস্যরা।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার ১৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক নেতারা। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া এবং জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা না হওয়ায় তারা বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিএনপি সরকারের কাছে সাগর-রুনির খুনিদের বিচার দাবি জানান তারা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় আয়োজিত সমাবেশে এ দাবি করেন বক্তারা।
ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের বয়স মাত্র দেড় মাস। ডিআরইউ আশা প্রকাশ করছে এই সরকার শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক নেতৃত্বের মাধ্যমে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করবে। সংগঠনটি সরকারের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাছে বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছে—ঘরে ঢুকে সংঘটিত এই নির্মম হত্যার দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা হোক।
তিনি বলেন, যদি বর্তমান সরকারও এ হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের ওপরও ব্যর্থতার দায় বর্তাবে। আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। যদি সেখান থেকে কোনো ইতিবাচক আশ্বাস না পাওয়া যায়, তবে সাংবাদিক সমাজ আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
তিনি বলেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত এ নৃশংস হত্যার কোনো বিচার সম্পন্ন হয়নি। সাগর-রুনি হত্যার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি সরকারের আমল অতিবাহিত হয়েছে—আওয়ামী লীগ সরকার, ২০১৪ সালের একদলীয় সরকার, ২০১৮ সালের রাতের সরকার, ২০২৪ সালের ডামি সরকার এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই দীর্ঘ সময়ে সাংবাদিক সমাজ বারবার বিচারের দাবিতে আকুতি জানিয়েছে, কিন্তু কোনো কার্যকর অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়নি। এতে জনমনে গভীর হতাশা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
তিনি বলেন, ডিআরইউ’র পক্ষ থেকে গত বছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। এতে বিচারহীনতার সংস্কৃতি আরও দৃঢ় হয়েছে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
ডিআরইউ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছে—সাগর-রুনি হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত সাংবাদিকরা এই দাবি থেকে সরে আসবে না এবং প্রয়োজনে কিয়ামত পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
ডিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো সরকারই এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে চাইনি। চাইলে এতদিন সময় লাগার কথা নয়। একে একে তিন সরকার এলো। কিন্তু সাগর-রুনি হত্যার বিচারের কোনো অগ্রগতিই হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়েছে ১২৫ বার। চাঞ্চল্যকর এমন কোনো হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এতবার পেছানোর কোনো নজির আছে কিনা জানা নেই। সরকার আন্তরিক থাকলে এমনটি হতো না বলে আমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, বর্তমানে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার দেশ পরিচালনা করছে । আমাদের বিশ্বাস এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে এই সরকার আন্তরিক থাকবে।
ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেন, সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার দীর্ঘদিনেও সম্পন্ন না হওয়ায় একের পর এক সরকার জনগণকে হতাশ করেছে। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছেও বিচার পাওয়ার আশা ছিল, কিন্তু তারাও তা সম্পন্ন করতে পারেনি। এখন বর্তমান বিএনপি সরকারের কাছে প্রত্যাশা—তারা যেন এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করে প্রমাণ করে যে খুনীদের ক্ষমতার চেয়ে আইনের শক্তি অনেক বেশি।
এ সময় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ডিইউজের যুগ্ম সম্পাদক দিদারুল আলম, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, মাছরাঙা টেলিভিশনের হেড অব নিউজ হামিদুল হক, ডিআরইউ’র যুগ্ম সম্পাদক মো. জাফর ইকবাল, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, নারী বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদ সোহেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নাদিয়া শারমিন, সাবেক প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক মশিউর রহমান, স্থায়ী সদস্য কুদরাত-ই খোদা, গাজী আবু বকর, মনোজ রায়, হারুন-উর রশীদ, ডি এম আমিরুল ইসলাম অমর ও ওবায়েদ অংশুমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ’র অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, কার্যনির্বাহী সদস্য মাহফুজ সাদিসহ সদস্যরা।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র ঈদুল আজহার পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টায়। এসব জামাতে ইমামতি ও মুকাব্বিরের দায়িত্ব পালনকারী আলেমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
৯ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পরে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার চার্জশিট আগামী রোববারের মধ্যে পুলিশ আদালতে জমা দেবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মামলাটির বিচার কার্যক্রমও দ্রুত শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক পদে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম, বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ, গবেষক ও শিক্ষাবিদ মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লা হিল বাকীকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। দেশের প্রশাসনিক ইতিহাসে এই প্রথম কোনো পেশাদার আলেম ও মসজিদের ইমামকে সচিব পদমর্যাদার (গ্রেড-১) প্রশাসনিক উচ্চ পদে দায়িত্ব প্র
১০ ঘণ্টা আগে
ঢাকার মিরপুরের পল্লবী এলাকায় ধর্ষণের পর হত্যার শিকার ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন।
২১ ঘণ্টা আগে