
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঈদুল আজহায় সরকারঘোষিত সাত দিনের ছুটি শুরু হয়েছে আজ সোমবার (২৫ মে)। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন কর্মস্থল থেকে মানুষের গ্রামে বাড়ি ফেরার পালা। তাই ভিড় বেড়েছে বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশন আর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে। সেই সঙ্গে ফাঁকা হতে শুরু করেছে রাজধানীও।
ঈদুল আজহার আগে গতকাল রোববার (২৪ মে) ছিল শেষ কর্মদিবস। এ দিন বিকেলে অফিস ছুটি হতেই ভিড় শুরু বাস, রেল আর লঞ্চ টার্মিনালে। অবশ্য যারা বাড়তি ছুটি নিয়েছেন, গত শুক্রবার থেকেই তারা ছুটতে শুরু করেছেন বাড়ির পথে।
আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের কয়েকটি দেশে ঈদুল আজহা উদযাপন করা হবে। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঈদ পালন করা হবে বুধবার (২৭ মে)। দেশের কিছু কিছু এলাকায় অবশ্য সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বুধবারই ঈদুল আজহা উদযাপন করা হবে।
এ বছর ঈদুল আজহায় ছয় দিনের ছুটি নির্ধারণ করে রেখেছিল সরকার। পরে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গত ৭ মে ছুটি আরও একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রিসভা। ওইদিন মন্ত্রিসভা বৈঠকে ২৫ মে ছুটি ঘোষণা এবং এর আগে ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
গত ১৪ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি করে। জরুরি পরিষেবা হিসেবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহে নিয়োজিত কর্মীরা এই ছুটি পাবেন না। ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা এবং ডাক সেবায় নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরাও যার যার কর্মস্থলে উপস্থিত থাকবেন। বন্দরগুলোর কার্যক্রম সচল রাখার জন্য এ-সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত কর্মী ও যানবাহনগুলোকেও ছুটির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।
ঈদের ছুটিতেও দেশের সব হাসপাতাল ও জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু থাকবে। ফলে এ সেবায় যুক্ত কর্মী, চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মীদের সবাই ছুটির সুযোগ পাবেন না। এ ছাড়া ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন ও এর কর্মীরাও নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্য অফিসগুলোও একইভাবে সাধারণ ছুটি আওতার বাইরে থাকবে। এ ছাড়া বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাতের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদের ছুটিতে গ্রাহকদের লেনদেন ও এটিএম বুথসহ অন্যান্য সেবা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিচারিক কার্যক্রম সচল রাখতে সুপ্রিম কোর্ট থেকে ভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হবে।

ঈদুল আজহায় সরকারঘোষিত সাত দিনের ছুটি শুরু হয়েছে আজ সোমবার (২৫ মে)। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন কর্মস্থল থেকে মানুষের গ্রামে বাড়ি ফেরার পালা। তাই ভিড় বেড়েছে বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশন আর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে। সেই সঙ্গে ফাঁকা হতে শুরু করেছে রাজধানীও।
ঈদুল আজহার আগে গতকাল রোববার (২৪ মে) ছিল শেষ কর্মদিবস। এ দিন বিকেলে অফিস ছুটি হতেই ভিড় শুরু বাস, রেল আর লঞ্চ টার্মিনালে। অবশ্য যারা বাড়তি ছুটি নিয়েছেন, গত শুক্রবার থেকেই তারা ছুটতে শুরু করেছেন বাড়ির পথে।
আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের কয়েকটি দেশে ঈদুল আজহা উদযাপন করা হবে। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঈদ পালন করা হবে বুধবার (২৭ মে)। দেশের কিছু কিছু এলাকায় অবশ্য সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বুধবারই ঈদুল আজহা উদযাপন করা হবে।
এ বছর ঈদুল আজহায় ছয় দিনের ছুটি নির্ধারণ করে রেখেছিল সরকার। পরে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গত ৭ মে ছুটি আরও একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রিসভা। ওইদিন মন্ত্রিসভা বৈঠকে ২৫ মে ছুটি ঘোষণা এবং এর আগে ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
গত ১৪ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি করে। জরুরি পরিষেবা হিসেবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহে নিয়োজিত কর্মীরা এই ছুটি পাবেন না। ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা এবং ডাক সেবায় নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরাও যার যার কর্মস্থলে উপস্থিত থাকবেন। বন্দরগুলোর কার্যক্রম সচল রাখার জন্য এ-সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত কর্মী ও যানবাহনগুলোকেও ছুটির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।
ঈদের ছুটিতেও দেশের সব হাসপাতাল ও জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু থাকবে। ফলে এ সেবায় যুক্ত কর্মী, চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মীদের সবাই ছুটির সুযোগ পাবেন না। এ ছাড়া ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন ও এর কর্মীরাও নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্য অফিসগুলোও একইভাবে সাধারণ ছুটি আওতার বাইরে থাকবে। এ ছাড়া বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাতের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদের ছুটিতে গ্রাহকদের লেনদেন ও এটিএম বুথসহ অন্যান্য সেবা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিচারিক কার্যক্রম সচল রাখতে সুপ্রিম কোর্ট থেকে ভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হবে।

রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় থেকে সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছেন আন্দোলনকারী এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। সেখানে তারা পুলিশি বাধার (ব্যারিকেড) মুখে পড়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরের ২ নম্বর গেট এলাকায় কর্মসূচি শুরু করেন তারা। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় থেকে সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী তারা আজ বুধবার ‘লংমার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ কর্মসূচি পালন করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর উত্তরায় সড়ক অবরোধের পর এবার সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় অবরোধ করেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। আজ বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে তারা সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে অবস্থান নিলে সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
২ ঘণ্টা আগে