
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দীর্ঘ দিন ধরে বিনা বিচারে আটকের চর্চা বন্ধে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।
সংস্থাটির দাবি, ২০২৪ সালের আগস্টে জুলাই অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপকভাবে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের মধ্যে শত শত মানুষ এখনো কোনো অপরাধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত না হয়েই কারাগারে রয়েছেন।
রোববার (২৩ আগস্ট) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এইচআরডব্লিউ বলেছে, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে অনেক কর্মকর্তা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত থাকতে পারেন। তবে তাদের অনেককেই জুলাইয়ে হত্যার অভিযোগে দৃশ্যমান প্রমাণ ছাড়াই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের পরিবার ও আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, তাদের অনেকেই বয়স্ক এবং কেউ কেউ গুরুতর অসুস্থ হলেও জামিন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এইচআরডব্লিউর এশিয়া বিভাগের পরিচালক এলেন পিয়ারসন বলেন, ‘এক সরকারের পর আরেক সরকারের আমলে শত শত বিরোধী সদস্যকে প্রমাণ বা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই আটক রাখা হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিরোধীদের দীর্ঘমেয়াদি ও ‘ইচ্ছামতো’ আটক বন্ধ করাকে সেই সংস্কারের প্রথম পদক্ষেপ করা উচিত।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব মামলায় প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি, সেসব মামলাতেও রাষ্ট্রপক্ষ বারবার জামিন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। নিম্ন আদালতগুলোতে জামিন নাকচ হওয়ার পর উচ্চ আদালত জামিন দিলেও নতুন মামলা দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে আটক ব্যক্তিদের মুক্তি ঠেকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছে এইচআরডব্লিউ। ৮২ বছর বয়সী খায়রুল হককে জুলাই আন্দোলনে হত্যার এক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে দুর্নীতিসহ আরও কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এইচআরডব্লিউ বলছে, নিম্ন আদালত এসব মামলায় জামিন না দিলেও উচ্চ আদালত কয়েক দফা জামিন দেন খায়রুল হককে। কিন্তু বারবারই তাকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখালে তিনি মুক্তি পাননি। শেষ পর্যন্ত আপিল বিভাগের হস্তক্ষেপে গত ১৯ আগস্ট তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
জুলাইয়ে গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধের বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটির দাবি, ট্রাইব্যুনালে আটক ১৬০ জনের বেশি ব্যক্তির কেউ জামিন পাননি। এক বছরের বেশি সময় অভিযোগ গঠন ছাড়াই আটক রাখার ক্ষেত্রে ‘ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি’ লিখিতভাবে উল্লেখ করার বিধান থাকলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে তা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।
এ ক্ষেত্রে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী ও সাবেক সংসদ সদস্য কামাল আহমেদ মজুমদারকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে এইচআরডব্লিউ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও তাদের জামিন দেওয়া হয়নি।
দীর্ঘ আটক অবস্থায় অসুস্থতা ও চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর অভিযোগও তুলেছে মানবাধিকার সংস্থাটি। ৮৫ বছর বয়সী সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন গত ৭ ফেব্রুয়ারি কারাগারে মারা যান। পরিবারের বরাত দিয়ে এইচআরডব্লিউ বলেছে, তাকে জামিন তো দূরের কথা, যথাযথ চিকিৎসাও দেওয়া হয়নি।
এইচআরডব্লিউ বলেছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে বিনা বিচারে আটকে রাখা পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়, তবে এটি ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা হওয়া উচিত। প্রত্যেক আটক ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিচারিক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আটকের বৈধতা ও প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনা এবং দ্রুত বিচার অথবা মুক্তির সুযোগ থাকা উচিত।
সংস্থাটি বাংলাদেশ সরকারের অধীনে কারাগারে মৃত্যুর ঘটনাগুলোর স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ ছাড়াই দীর্ঘ সময় মানুষকে আটক রাখার অবসান চেয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দীর্ঘ দিন ধরে বিনা বিচারে আটকের চর্চা বন্ধে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।
সংস্থাটির দাবি, ২০২৪ সালের আগস্টে জুলাই অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপকভাবে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের মধ্যে শত শত মানুষ এখনো কোনো অপরাধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত না হয়েই কারাগারে রয়েছেন।
রোববার (২৩ আগস্ট) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এইচআরডব্লিউ বলেছে, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে অনেক কর্মকর্তা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত থাকতে পারেন। তবে তাদের অনেককেই জুলাইয়ে হত্যার অভিযোগে দৃশ্যমান প্রমাণ ছাড়াই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের পরিবার ও আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, তাদের অনেকেই বয়স্ক এবং কেউ কেউ গুরুতর অসুস্থ হলেও জামিন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এইচআরডব্লিউর এশিয়া বিভাগের পরিচালক এলেন পিয়ারসন বলেন, ‘এক সরকারের পর আরেক সরকারের আমলে শত শত বিরোধী সদস্যকে প্রমাণ বা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই আটক রাখা হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিরোধীদের দীর্ঘমেয়াদি ও ‘ইচ্ছামতো’ আটক বন্ধ করাকে সেই সংস্কারের প্রথম পদক্ষেপ করা উচিত।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব মামলায় প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি, সেসব মামলাতেও রাষ্ট্রপক্ষ বারবার জামিন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। নিম্ন আদালতগুলোতে জামিন নাকচ হওয়ার পর উচ্চ আদালত জামিন দিলেও নতুন মামলা দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে আটক ব্যক্তিদের মুক্তি ঠেকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছে এইচআরডব্লিউ। ৮২ বছর বয়সী খায়রুল হককে জুলাই আন্দোলনে হত্যার এক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে দুর্নীতিসহ আরও কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এইচআরডব্লিউ বলছে, নিম্ন আদালত এসব মামলায় জামিন না দিলেও উচ্চ আদালত কয়েক দফা জামিন দেন খায়রুল হককে। কিন্তু বারবারই তাকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখালে তিনি মুক্তি পাননি। শেষ পর্যন্ত আপিল বিভাগের হস্তক্ষেপে গত ১৯ আগস্ট তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
জুলাইয়ে গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধের বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটির দাবি, ট্রাইব্যুনালে আটক ১৬০ জনের বেশি ব্যক্তির কেউ জামিন পাননি। এক বছরের বেশি সময় অভিযোগ গঠন ছাড়াই আটক রাখার ক্ষেত্রে ‘ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি’ লিখিতভাবে উল্লেখ করার বিধান থাকলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে তা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।
এ ক্ষেত্রে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী ও সাবেক সংসদ সদস্য কামাল আহমেদ মজুমদারকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে এইচআরডব্লিউ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও তাদের জামিন দেওয়া হয়নি।
দীর্ঘ আটক অবস্থায় অসুস্থতা ও চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর অভিযোগও তুলেছে মানবাধিকার সংস্থাটি। ৮৫ বছর বয়সী সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন গত ৭ ফেব্রুয়ারি কারাগারে মারা যান। পরিবারের বরাত দিয়ে এইচআরডব্লিউ বলেছে, তাকে জামিন তো দূরের কথা, যথাযথ চিকিৎসাও দেওয়া হয়নি।
এইচআরডব্লিউ বলেছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে বিনা বিচারে আটকে রাখা পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়, তবে এটি ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা হওয়া উচিত। প্রত্যেক আটক ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিচারিক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আটকের বৈধতা ও প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনা এবং দ্রুত বিচার অথবা মুক্তির সুযোগ থাকা উচিত।
সংস্থাটি বাংলাদেশ সরকারের অধীনে কারাগারে মৃত্যুর ঘটনাগুলোর স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ ছাড়াই দীর্ঘ সময় মানুষকে আটক রাখার অবসান চেয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

রাষ্ট্রপতি রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় বঙ্গভবনে পৌঁছান। এ সময় প্রধান ফটক-২-এ বাংলাদেশ পুলিশের একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল তাকে অভ্যর্থনা জানায়। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি সুসজ্জিত চৌকস দল তাকে ক্রেডেনশিয়াল মাঠে গার্ড অব অনার প্রদান করে।
১৩ ঘণ্টা আগে
আকতারুল ইসলাম বলেন, জাল কাগজপত্র বানিয়ে এম এইচ এন্টারপ্রাইজের মালিক মমিনুর রহমানের নামে এক কোটি ৯৫ লাখ টাকা ঋণ মঞ্জুর ও আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধান করে দুদক। মমিনুরের অভিযোগের ভিত্তিতেই অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল। তবে অনুসন্ধানে দুদক তারও সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের সহায়তায় নতুন একটি অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত অধিদপ্তরের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও পুনর্বাসন দেওয়ার পাশাপাশি তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, চীন ও রাশিয়ার দূতাবাসে হুমকি দিয়ে ই-মেইল পাঠানো হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে এসব বার্তাকে ভুয়া বা স্ক্যাম হিসেবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ই-মেইলগুলো ঠিক কোথা থেকে পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
১৯ ঘণ্টা আগে