
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ‘অসংসদীয়’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে মৃদু বিতর্ক হয়েছে। অধিবেশনের একপর্যায়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ করেন। পরে বিরোধী দলীয় নেতার ব্যবহৃত ‘মিথ্যা’ শব্দকে ‘অসংসদীয়’ আখ্যা দিয়ে তা কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। এ দিন সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পালটাপালটি বক্তব্য সংসদীয় ভাষা ও আচরণবিধি মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
আসরের নামাজের বিরতির আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ‘গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমার বক্তব্য নিয়ে কিছু কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন যে আমি একটু অসত্য কথা এখানে বলেছি। আমি এটা জানতে পারলাম। আসলে আল্লাহ তা আলা তাকে অপূর্ব দক্ষতা দিয়েছেন; জাস্ট বোতলটা পরিবর্তন করে ম্যাটেরিয়ালসটা ঠিক রেখে তিনি সত্যকে মিথ্যা হিসেবে এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকারভাবে পরিবেশন করতে পারেন। এ জন্য শুধু তাকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য আমি এখানে দাঁড়িয়েছি। মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ, অসংখ্য ধন্যবাদ।’
বিরোধী দলীয় নেতার এ বক্তব্যের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিরোধী দলীয় নেতা আপনি পয়েন্ট অব অর্ডারে নিশ্চয়ই এই বক্তব্য রেখেছেন। পয়েন্ট অব অর্ডার চলমান বিষয়ের ওপরে। এটা তো গতকালের বিষয়। এটা গতকালই শেষ হয়ে গেছে। এখন আর নতুন করে তোলার কোনো প্রয়োজন নেই। মাননীয় মন্ত্রী (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই। উনি (বিরোধী দলীয় নেতা) যদি হাউসে থেকে বলতেন, নিশ্চয়ই আপনাকে রাইট অব রিপ্লাই দিতাম।...তারপরও কিছু বলতে চান?’
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ফ্লোর নিয়ে বলেন, “এই মুহূর্তে বিরোধী দলীয় নেতা দুটো অসংসদীয় শব্দ ব্যবহার করেছেন। একটা হচ্ছে ‘মিথ্যা’। এটা ‘অসত্য’ বললে আমি আপত্তি করতাম না যে আমি কালকে ‘মিথ্যা’ বলেছি বয়ানে। ‘মিথ্যা’ শব্দটি ‘অসংসদীয়’ হিসেবে এটা ‘এক্সপাঞ্জ’ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, উনার কালকে বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমি বলেছিলাম, বিরোধী দলীয় নেতা এখানে একটা অসত্য বক্তব্য উত্থাপন করেছেন। সেটা ছিল কার্যপ্রণালি বিধি ৬২ অনুসারে আপনি তার পরে একজন বেসরকারি সদস্যের উত্থাপিত মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন উনারা ওয়াকআউট করারও অনেক পরে। তাহলে সেটা সংসদে উত্থাপিত বা পঠিত হলো কীভাবে? সুতরাং, আমি বলেছি সেই বক্তব্যটা ‘অসত্য’।”
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘মিথ্যা’ শব্দটি এক্সপাঞ্জ চাইলেও স্পিকার এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি।
পরে আবারও ফ্লোর চান বিরোধী দলীয় নেতা। তখন স্পিকার বলেন, ‘এটা নিয়ে আরও বলবেন? বলেন।’ পরে ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘একই বিষয়ের ওপর একই প্রস্তাব। একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য এনেছিলেন। সেই প্রস্তাবটি ভিন্ন নামে গতকালকে (বুধবার) এসেছে। শুধু নাম বদল হয়েছে, প্রস্তাব ঠিক আছে। আমি তো আগেরটা জানতাম বলেই বলেছি। এখানে আমি কোনো ভুল তথ্য দিইনি।’
উল্লেখ্য, রেওয়াজ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ‘মিথ্যা’ শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় ‘অসত্য’ শব্দ। এটি সংসদের দীর্ঘদিনের রেওয়াজ। এ বিষয়ে অতীতে স্পিকার একাধিকবার রুলিংও দিয়েছেন।
এর আগে বিরোধী দলীয় নেতা ২৯ মার্চ সংবিধান সংস্কার পরিষদের বৈঠক আহ্বানবিষয়ক একটি মুলতবি প্রস্তাব দিলে তা গ্রহণ করেন স্পিকার। এর পরদিন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার জন্য আরেকটি মুলতবি প্রস্তাব দিলে স্পিকার এ বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত জানবেন বলে উল্লেখ করেন।
এখন পর্যন্ত ওই মুলতবি প্রস্তাবের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না এলেও গতকাল সরকারি দলের এমপি জয়নুল আবদিন ফারুক জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন পদ্ধতি কী হবে, সে বিষয়ে আলোচনার জন্য সংসদে মুলতবি প্রস্তাব দিলে স্পিকার তা গ্রহণ করেন। আগামী রোববার প্রস্তাবটির ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ‘অসংসদীয়’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে মৃদু বিতর্ক হয়েছে। অধিবেশনের একপর্যায়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ করেন। পরে বিরোধী দলীয় নেতার ব্যবহৃত ‘মিথ্যা’ শব্দকে ‘অসংসদীয়’ আখ্যা দিয়ে তা কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। এ দিন সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পালটাপালটি বক্তব্য সংসদীয় ভাষা ও আচরণবিধি মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
আসরের নামাজের বিরতির আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ‘গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমার বক্তব্য নিয়ে কিছু কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন যে আমি একটু অসত্য কথা এখানে বলেছি। আমি এটা জানতে পারলাম। আসলে আল্লাহ তা আলা তাকে অপূর্ব দক্ষতা দিয়েছেন; জাস্ট বোতলটা পরিবর্তন করে ম্যাটেরিয়ালসটা ঠিক রেখে তিনি সত্যকে মিথ্যা হিসেবে এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকারভাবে পরিবেশন করতে পারেন। এ জন্য শুধু তাকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য আমি এখানে দাঁড়িয়েছি। মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ, অসংখ্য ধন্যবাদ।’
বিরোধী দলীয় নেতার এ বক্তব্যের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিরোধী দলীয় নেতা আপনি পয়েন্ট অব অর্ডারে নিশ্চয়ই এই বক্তব্য রেখেছেন। পয়েন্ট অব অর্ডার চলমান বিষয়ের ওপরে। এটা তো গতকালের বিষয়। এটা গতকালই শেষ হয়ে গেছে। এখন আর নতুন করে তোলার কোনো প্রয়োজন নেই। মাননীয় মন্ত্রী (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই। উনি (বিরোধী দলীয় নেতা) যদি হাউসে থেকে বলতেন, নিশ্চয়ই আপনাকে রাইট অব রিপ্লাই দিতাম।...তারপরও কিছু বলতে চান?’
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ফ্লোর নিয়ে বলেন, “এই মুহূর্তে বিরোধী দলীয় নেতা দুটো অসংসদীয় শব্দ ব্যবহার করেছেন। একটা হচ্ছে ‘মিথ্যা’। এটা ‘অসত্য’ বললে আমি আপত্তি করতাম না যে আমি কালকে ‘মিথ্যা’ বলেছি বয়ানে। ‘মিথ্যা’ শব্দটি ‘অসংসদীয়’ হিসেবে এটা ‘এক্সপাঞ্জ’ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, উনার কালকে বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমি বলেছিলাম, বিরোধী দলীয় নেতা এখানে একটা অসত্য বক্তব্য উত্থাপন করেছেন। সেটা ছিল কার্যপ্রণালি বিধি ৬২ অনুসারে আপনি তার পরে একজন বেসরকারি সদস্যের উত্থাপিত মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন উনারা ওয়াকআউট করারও অনেক পরে। তাহলে সেটা সংসদে উত্থাপিত বা পঠিত হলো কীভাবে? সুতরাং, আমি বলেছি সেই বক্তব্যটা ‘অসত্য’।”
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘মিথ্যা’ শব্দটি এক্সপাঞ্জ চাইলেও স্পিকার এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি।
পরে আবারও ফ্লোর চান বিরোধী দলীয় নেতা। তখন স্পিকার বলেন, ‘এটা নিয়ে আরও বলবেন? বলেন।’ পরে ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘একই বিষয়ের ওপর একই প্রস্তাব। একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য এনেছিলেন। সেই প্রস্তাবটি ভিন্ন নামে গতকালকে (বুধবার) এসেছে। শুধু নাম বদল হয়েছে, প্রস্তাব ঠিক আছে। আমি তো আগেরটা জানতাম বলেই বলেছি। এখানে আমি কোনো ভুল তথ্য দিইনি।’
উল্লেখ্য, রেওয়াজ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ‘মিথ্যা’ শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় ‘অসত্য’ শব্দ। এটি সংসদের দীর্ঘদিনের রেওয়াজ। এ বিষয়ে অতীতে স্পিকার একাধিকবার রুলিংও দিয়েছেন।
এর আগে বিরোধী দলীয় নেতা ২৯ মার্চ সংবিধান সংস্কার পরিষদের বৈঠক আহ্বানবিষয়ক একটি মুলতবি প্রস্তাব দিলে তা গ্রহণ করেন স্পিকার। এর পরদিন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার জন্য আরেকটি মুলতবি প্রস্তাব দিলে স্পিকার এ বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত জানবেন বলে উল্লেখ করেন।
এখন পর্যন্ত ওই মুলতবি প্রস্তাবের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না এলেও গতকাল সরকারি দলের এমপি জয়নুল আবদিন ফারুক জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন পদ্ধতি কী হবে, সে বিষয়ে আলোচনার জন্য সংসদে মুলতবি প্রস্তাব দিলে স্পিকার তা গ্রহণ করেন। আগামী রোববার প্রস্তাবটির ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা তার নিজের পাশাপাশি জাতীয় সংসদের আরও দুজন নারী সহকর্মীকে নিয়ে অপর সংসদ সদস্য আমির হামজার (কুষ্টিয়া-৩) ‘কুৎসিত’ ভাষায় দেওয়া বক্তব্যের জন্য স্পিকারের কাছে বিচার চেয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে করা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে চাই সরকার। একই সঙ্গে দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে উপকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে একটি বৃহৎ মহাপরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর চারজন বিশেষ সহকারী নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তারা হলেন— তানভীর গনি, বিজন কান্তি সরকার, শাকিরুল ইসলাম খান এবং সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তদের নিয়োগ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে