
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গুমের সঙ্গে জড়িত কোনো অপরাধী আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্যসূচিতে পয়েন্ট অব অর্ডারে গুম সংক্রান্ত আলোচনার পর তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আইনমন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) তার ভাই, স্বজন ও সহকর্মী। তিনি দীর্ঘ সময় গুমের শিকার হয়েছিলেন। দেশে তার মতো ৭০০-এর বেশি মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও রয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, যারা গুমের শিকার হয়েছেন, তারা দেশের মানুষ। তাদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের অঙ্গীকার। গুমের সঙ্গে জড়িত কোনো অপরাধী আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইনে ১৯৭৩ সালের বিধানে গুমকে ‘ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
অন্যদিকে বর্তমান গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত অধ্যাদেশে সর্বোচ্চ ১০ বছরের শাস্তির বিধান থাকায় তা নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এতে ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, গুম সংক্রান্ত আইন ও মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে, যা দূর করতে সরকার কাজ করছে। প্রয়োজনীয় পর্যালোচনার পর সংশোধিত আইন আনা হবে বলেও তিনি জানান।
আইনমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, নতুন আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের মতামত গ্রহণ করা হবে এবং কোনো অপরাধী যেন দায়মুক্তি না পায়, তা নিশ্চিত করা হবে।

গুমের সঙ্গে জড়িত কোনো অপরাধী আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্যসূচিতে পয়েন্ট অব অর্ডারে গুম সংক্রান্ত আলোচনার পর তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আইনমন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) তার ভাই, স্বজন ও সহকর্মী। তিনি দীর্ঘ সময় গুমের শিকার হয়েছিলেন। দেশে তার মতো ৭০০-এর বেশি মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও রয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, যারা গুমের শিকার হয়েছেন, তারা দেশের মানুষ। তাদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের অঙ্গীকার। গুমের সঙ্গে জড়িত কোনো অপরাধী আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইনে ১৯৭৩ সালের বিধানে গুমকে ‘ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
অন্যদিকে বর্তমান গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত অধ্যাদেশে সর্বোচ্চ ১০ বছরের শাস্তির বিধান থাকায় তা নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এতে ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, গুম সংক্রান্ত আইন ও মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে, যা দূর করতে সরকার কাজ করছে। প্রয়োজনীয় পর্যালোচনার পর সংশোধিত আইন আনা হবে বলেও তিনি জানান।
আইনমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, নতুন আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের মতামত গ্রহণ করা হবে এবং কোনো অপরাধী যেন দায়মুক্তি না পায়, তা নিশ্চিত করা হবে।

ঢাকার আরেক অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে হরিদাসের পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন তার আইনজীবী বাসুদেব গুহ। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করে দেন বলে জানান প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই হেলাল উদ্দিন।
১৪ ঘণ্টা আগে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে যাচ্ছে না। আগের মতোই পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ দেওয়া এবং সেই সনদের ভিত্তিতে এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি ভারতে ব্রিকস সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে সম্মেলনে অংশ নিতে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে দিল্লি। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সফরেরও আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি।
১৫ ঘণ্টা আগে
আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহারে দুর্গম ও বনাঞ্চলবেষ্টিত এলাকাসহ দেশের সামগ্রিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
১৫ ঘণ্টা আগে