
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ডিসেম্বরে যারা নির্বাচন করার কথা বলেছে, তারাই এখন নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, তারা নির্বাচন নয়, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে তিনি পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) নবনিযুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা কেন হচ্ছে তাও খুব স্পষ্ট। আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে এনে ইনক্লুসিভ ইলেকশন করার পরিকল্পনা তাদের মাথায় ছিল। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে সেখানে ফ্যাসিবাদীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে না বলে তাদের এখন মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। এ ধরনের নানা ষড়যন্ত্র কিংবা পরিকল্পনা আছে।’
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘তবে এই সরকারের তিনটা গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা– সংস্কার, বিচার এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর– সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছি। জুলাই সনদের কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে। আমরা মনে করি সবার ঐকমত্যের মাধ্যমে এটার বাস্তবায়নের দিকে আমরা যাব এবং পরবর্তীতে সরকার নির্ধারিত সময়ে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেকেই নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবে। তবে আমরা মনে করি যারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী, রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে সিভিল সোসাইটি– সবার সহযোগিতায় এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এবার একটা সুষ্ঠু ও সুন্দর আয়োজন আমরা করতে পারব।’
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের প্র্যাকটিস হচ্ছে যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তারা তাদের নিকট মানুষকে নিয়োগ দিয়ে থাকে। আমরা চেষ্টা করছি কোনো নির্দিষ্ট দলের নিয়োগ না বরং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে চাকরিতে নিয়োগ দিতে।
মেধাবীরা দেশের সম্পদ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কোনো স্বজনপ্রিয়তার অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। কোনো মামা-চাচা বা ঘুষ ছাড়া যারা নিয়োগ পেয়েছেন তাদের সময় এসেছে দেশকে কিছু প্রতিদান দেওয়ার।

ডিসেম্বরে যারা নির্বাচন করার কথা বলেছে, তারাই এখন নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, তারা নির্বাচন নয়, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে তিনি পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) নবনিযুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা কেন হচ্ছে তাও খুব স্পষ্ট। আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে এনে ইনক্লুসিভ ইলেকশন করার পরিকল্পনা তাদের মাথায় ছিল। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে সেখানে ফ্যাসিবাদীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে না বলে তাদের এখন মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। এ ধরনের নানা ষড়যন্ত্র কিংবা পরিকল্পনা আছে।’
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘তবে এই সরকারের তিনটা গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা– সংস্কার, বিচার এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর– সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছি। জুলাই সনদের কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে। আমরা মনে করি সবার ঐকমত্যের মাধ্যমে এটার বাস্তবায়নের দিকে আমরা যাব এবং পরবর্তীতে সরকার নির্ধারিত সময়ে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেকেই নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবে। তবে আমরা মনে করি যারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী, রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে সিভিল সোসাইটি– সবার সহযোগিতায় এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এবার একটা সুষ্ঠু ও সুন্দর আয়োজন আমরা করতে পারব।’
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের প্র্যাকটিস হচ্ছে যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তারা তাদের নিকট মানুষকে নিয়োগ দিয়ে থাকে। আমরা চেষ্টা করছি কোনো নির্দিষ্ট দলের নিয়োগ না বরং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে চাকরিতে নিয়োগ দিতে।
মেধাবীরা দেশের সম্পদ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কোনো স্বজনপ্রিয়তার অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। কোনো মামা-চাচা বা ঘুষ ছাড়া যারা নিয়োগ পেয়েছেন তাদের সময় এসেছে দেশকে কিছু প্রতিদান দেওয়ার।

সাক্ষাৎকালে তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান সামরিক সম্পর্ক জোরদার এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, বৈশাখের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রী ১১টি উপজেলায় ‘কৃষক কার্ডে’র প্রাক-পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন। কার্ডে অন্তর্ভুক্ত ১০টি সেবার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রয়ের সুযোগ তৈরি করা।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ক্লিন ও গ্রিন করতে সাপ্তাহিক জনসচেতনতার পাশাপাশি মশক নিধনকে জোরদার করা হচ্ছে। বর্জ্য ফেলার জায়গা আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। সবুজায়ন করতে বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে। মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলের বর্জ্য থেকে জ্বালানিতে রূপান্তর করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার আট দশক অতিক্রান্ত হলেও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। অব্যাহত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
২ ঘণ্টা আগে