
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো স্ট্যাটাস দিয়ে আগেই আলোচনায় এসেছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বলয় থেকে ছিটকে পড়া সাকিব আল হাসান। তার জের ধরে সাকিবকে ঘিরে ‘ইঙ্গিতপূর্ণ’ স্ট্যাটাস দিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। সাকিবও অবশ্য ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন। পালটা একটি স্ট্যাটাস তিনিও দিয়েছেন ক্রীড়া উপদেষ্টাকে ইঙ্গিত করে।
ঘটনার সূত্রপাত রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৫২ মিনিটে। এ সময় একটি ছবির সঙ্গে মাত্র তিন শব্দের স্ট্যাটাস দিয়ে ভার্চুয়াল জগতে সাড়া ফেলে দেন সাকিব।
এ দিন ছিল ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার জন্মদিন। তিন শব্দের স্ট্যাটাসে তাকেই জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন সাকিব। লিখেছিলেন, ‘শুভ জন্মদিন আপা।’ সঙ্গে আপলোড করেছিলেন শেখ হাসিনার সঙ্গে তোলার তার একটি ছবি।
সাকিব আল হাসানের উত্থান ও পরিচিতির সবটা ক্রিকেট ঘিরে হলেও শেষ দিকে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগের টিকিট নিয়ে সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন। সে কারণে তার ক্রিকেটীয় ফ্যানবেজের বড় অংশ হারাতেও হয়েছে।
রোববার শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো স্ট্যাটাসে ফের তুমুল আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে সাকিবকে নিয়ে। তার ওই স্ট্যাটাসের নিচেই সমালোচনার ঝড় বইয়ে দিয়েছেন নেটিজেনরা। অবশ্য আওয়ামী লীগের সমর্থকদের কাছ থেকে প্রশংসাও কুড়িয়েছেন।
সাকিবের এ স্ট্যাটাসের কিছু সময় পরই নিজের আইডি ও পেজ থেকে স্ট্যাটাস দেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। সেখানে কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি লিখেছেন, ‘একজনকে পুনর্বাসন না করায় সহস্র গালি দিয়েছেন আপনারা আমাকে। বাট আই ওয়াজ রাইট। এন্ড অব দ্য ডিসকাশন।’

কারও নাম উল্লেখ না করলেও সবাই স্পষ্টই বুঝে নিয়েছেন, উপদেষ্টার এ স্ট্যাটাস সাকিবকে ইঙ্গিত করেই। এখনো জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের বিচারাধীন শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর মাধ্যমে সাকিব শেখ হাসিনাকেই সমর্থন করছেন, এটিই তার নেপথ্যের কারণ।
উপদেষ্টার এ স্ট্যাটাসের ইঙ্গিত বুঝেছেন সাকিবও। জবাব দিতেও দেরি করেননি তিনি। ফেসবুকে পালটা স্ট্যাটাস দিয়ে লিখেছেন, ‘যাক শেষমেশ কেউ একজন স্বীকার করে নিলেন যে তার জন্য আমার আর বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দেওয়া হলো না, বাংলাদেশের জন্য খেলতে পারলাম না!’
সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বাদ পড়ার সূচনাটা সেই জুলাই অভ্যুত্থানের পরপরই। ওই সময় পাকিস্তান ও ভারতে টেস্ট সিরিজ খেলেছিলেন তিনি। এরপর গত অক্টোবরে দেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বিদায়ী টেস্ট খেলার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন।

তবে অন্য আওয়াম লীগ নেতাদের মতো তার নামেও হত্যা ও দুর্নীতির মামলা হওয়ায় আওয়ামী লীগের হয়ে এমপি হওয়া সাকিব আর দেশে ফিরতে পারেননি। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ সামনে রেখে দুবাই পর্যন্ত চলেও এসেছিলেন। পরে সরকারের পক্ষ থেকে আর ইতিবাচক ইঙ্গিত না পেয়ে তাকে ফিরতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।
ওই সময় জনমনে ধারণা তৈরি হয়, সাকিব যেন দেশে ফিরতে না পারেন, তার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল ক্রীড়া উপদেষ্টার। রোববার ক্রীড়া উপদেষ্টার স্ট্যাটাস ও সাকিবের পালটা স্ট্যাটাসে যেন সেটিই স্পষ্ট হয়েছে।
সাকিব অবশ্য এখনো আশা করেন, দেশে ফিরবেন তিনি। পরের স্ট্যাটাসটির শেষ লাইনে তিনি লিখেছেন, ‘ফিরব হয়তো কোনো দিন আপন মাতৃভূমিতে, ভালোবাসি বাংলাদেশ।’

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো স্ট্যাটাস দিয়ে আগেই আলোচনায় এসেছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বলয় থেকে ছিটকে পড়া সাকিব আল হাসান। তার জের ধরে সাকিবকে ঘিরে ‘ইঙ্গিতপূর্ণ’ স্ট্যাটাস দিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। সাকিবও অবশ্য ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন। পালটা একটি স্ট্যাটাস তিনিও দিয়েছেন ক্রীড়া উপদেষ্টাকে ইঙ্গিত করে।
ঘটনার সূত্রপাত রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৫২ মিনিটে। এ সময় একটি ছবির সঙ্গে মাত্র তিন শব্দের স্ট্যাটাস দিয়ে ভার্চুয়াল জগতে সাড়া ফেলে দেন সাকিব।
এ দিন ছিল ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার জন্মদিন। তিন শব্দের স্ট্যাটাসে তাকেই জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন সাকিব। লিখেছিলেন, ‘শুভ জন্মদিন আপা।’ সঙ্গে আপলোড করেছিলেন শেখ হাসিনার সঙ্গে তোলার তার একটি ছবি।
সাকিব আল হাসানের উত্থান ও পরিচিতির সবটা ক্রিকেট ঘিরে হলেও শেষ দিকে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগের টিকিট নিয়ে সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন। সে কারণে তার ক্রিকেটীয় ফ্যানবেজের বড় অংশ হারাতেও হয়েছে।
রোববার শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো স্ট্যাটাসে ফের তুমুল আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে সাকিবকে নিয়ে। তার ওই স্ট্যাটাসের নিচেই সমালোচনার ঝড় বইয়ে দিয়েছেন নেটিজেনরা। অবশ্য আওয়ামী লীগের সমর্থকদের কাছ থেকে প্রশংসাও কুড়িয়েছেন।
সাকিবের এ স্ট্যাটাসের কিছু সময় পরই নিজের আইডি ও পেজ থেকে স্ট্যাটাস দেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। সেখানে কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি লিখেছেন, ‘একজনকে পুনর্বাসন না করায় সহস্র গালি দিয়েছেন আপনারা আমাকে। বাট আই ওয়াজ রাইট। এন্ড অব দ্য ডিসকাশন।’

কারও নাম উল্লেখ না করলেও সবাই স্পষ্টই বুঝে নিয়েছেন, উপদেষ্টার এ স্ট্যাটাস সাকিবকে ইঙ্গিত করেই। এখনো জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের বিচারাধীন শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর মাধ্যমে সাকিব শেখ হাসিনাকেই সমর্থন করছেন, এটিই তার নেপথ্যের কারণ।
উপদেষ্টার এ স্ট্যাটাসের ইঙ্গিত বুঝেছেন সাকিবও। জবাব দিতেও দেরি করেননি তিনি। ফেসবুকে পালটা স্ট্যাটাস দিয়ে লিখেছেন, ‘যাক শেষমেশ কেউ একজন স্বীকার করে নিলেন যে তার জন্য আমার আর বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দেওয়া হলো না, বাংলাদেশের জন্য খেলতে পারলাম না!’
সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বাদ পড়ার সূচনাটা সেই জুলাই অভ্যুত্থানের পরপরই। ওই সময় পাকিস্তান ও ভারতে টেস্ট সিরিজ খেলেছিলেন তিনি। এরপর গত অক্টোবরে দেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বিদায়ী টেস্ট খেলার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন।

তবে অন্য আওয়াম লীগ নেতাদের মতো তার নামেও হত্যা ও দুর্নীতির মামলা হওয়ায় আওয়ামী লীগের হয়ে এমপি হওয়া সাকিব আর দেশে ফিরতে পারেননি। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ সামনে রেখে দুবাই পর্যন্ত চলেও এসেছিলেন। পরে সরকারের পক্ষ থেকে আর ইতিবাচক ইঙ্গিত না পেয়ে তাকে ফিরতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।
ওই সময় জনমনে ধারণা তৈরি হয়, সাকিব যেন দেশে ফিরতে না পারেন, তার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল ক্রীড়া উপদেষ্টার। রোববার ক্রীড়া উপদেষ্টার স্ট্যাটাস ও সাকিবের পালটা স্ট্যাটাসে যেন সেটিই স্পষ্ট হয়েছে।
সাকিব অবশ্য এখনো আশা করেন, দেশে ফিরবেন তিনি। পরের স্ট্যাটাসটির শেষ লাইনে তিনি লিখেছেন, ‘ফিরব হয়তো কোনো দিন আপন মাতৃভূমিতে, ভালোবাসি বাংলাদেশ।’

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ। তাদের বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশ ভারতে অবৈধ প্রবেশের অভিযোগে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার দুইজনকে আদালতে তোলার পরে তাদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনে যে অঙ্গীকার ছিল, তার অংশ হিসেবে একটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা বহুদিন ধরে বলে আসছি, বাংলাদেশের অর্থনীতির সুফল সব মানুষের ঘরে পৌঁছাতে হবে। কিন্তু বাস্তবে সেটা করা সহজ নয়। দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা মাথায় রেখে বড় কোনো সামাজিক কর্মসূচি হাতে নেওয়াও সহজ নয়।’
১২ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৯ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের এ তথ্য জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তার চাকরি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নারীপ্রধান পরিবারের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। পাইলট কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন এলাকার ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারীপ্রধান পরিবার এই কার্ডের আওতায় আসছে।
১৪ ঘণ্টা আগে