
বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মিয়ানমারের নিরাপত্তাবাহিনী, আরকান আর্মির ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) এর মধ্যে চলমান সংঘাতে রকেট লাঞ্চার, গোলাসহ বিভিন্ন বিস্ফোরক পাওয়ার কারণে সেসব বিস্ফোরকের পাশে গিয়ে ছবি ধারণ ও লাইভ সম্প্রচারকে অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে অবহিত করেছে বিজিবি।
স্থানীয়রা জানায়,গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে জেলার নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউপির ৫ নম্বর ওয়ার্ড নোয়াপাড়া এলাকা থেকে একটি, ৯ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তুমব্রু পশ্চিমকূল বিজিবি ক্যাম্পের কাছাকাছি এলাকার ধানক্ষেতে একটি ও সর্বশেষ শনিবার বিজিবি ক্যাম্পের কাছাকাছি ব্রিজ ও অন্য জায়গা থেকে ২টিসহ মোট ৪টি অবিস্ফোরিত রকেট লাঞ্চার উদ্ধার করা হয়।
আরো জানা যায়, আর এসব বিস্ফোরক সম্পর্কে ধারণা না থাকায় স্থানীয়দের কেউ কেউ না বুঝে তা বাসায় নিয়ে যায়, পরে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে এবং অনেক সংবাদকর্মীসহ স্থানীয়রা খুব কাছে গিয়ে ছবি ধারণ ও লাইভ করেন, তা যেকোনো সময় বিস্ফোরিত হয়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে- এমন আশংকা থেকে বিজিবি অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে অবহিত করে।
সীমান্তে কৃষিজমিতে কাজ করতে গিয়ে রকেট লঞ্চার পাওয়া রাজিয়া বলেন, ‘দেখি শিশুরা লম্বা লোহার রডের মতো একটি জিনিস নিয়ে খেলছে। তখন তাদের কাছ থেকে এটি নিয়ে বাসায় চলে আসি। পরে বিজিবিকে এটি হস্তান্তর করি।’
জানা যায়, রকেট লাঞ্চারসহ বিভিন্ন বিস্ফোরক মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করার সময় ফেলে গেছে। সীমান্তের কাছাকাছি চাষের জমিতে বিজিপি সদস্যদের ফেলে যাওয়া গোলা, রকেট লঞ্চার ও মর্টার শেল থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে বিজিবির গণসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে যে, সীমান্ত অঞ্চলে প্রাপ্ত অবিস্ফোরিত মর্টার শেল, গোলা, বোমা সদৃশ বস্তুর সন্নিকটে গিয়ে ছবি তুলছেন বা লাইভ সম্প্রচার করছেন, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের ঝুঁকি থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানাচ্ছি।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমার থেকে বান্দরবানের ঘুমধুমে উড়ে আসা মর্টারশেলের আঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন এক বাংলাদেশি নারী ও এক রোহিঙ্গা। মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি), সেনাবাহিনী, পুলিশ, ইমিগ্রেশন সদস্য ও অন্যান্য সংস্থার ৩৩০ জন সৈন্য বিজিবির কাছে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে। দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনার পর তাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মিয়ানমারের নিরাপত্তাবাহিনী, আরকান আর্মির ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) এর মধ্যে চলমান সংঘাতে রকেট লাঞ্চার, গোলাসহ বিভিন্ন বিস্ফোরক পাওয়ার কারণে সেসব বিস্ফোরকের পাশে গিয়ে ছবি ধারণ ও লাইভ সম্প্রচারকে অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে অবহিত করেছে বিজিবি।
স্থানীয়রা জানায়,গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে জেলার নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউপির ৫ নম্বর ওয়ার্ড নোয়াপাড়া এলাকা থেকে একটি, ৯ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তুমব্রু পশ্চিমকূল বিজিবি ক্যাম্পের কাছাকাছি এলাকার ধানক্ষেতে একটি ও সর্বশেষ শনিবার বিজিবি ক্যাম্পের কাছাকাছি ব্রিজ ও অন্য জায়গা থেকে ২টিসহ মোট ৪টি অবিস্ফোরিত রকেট লাঞ্চার উদ্ধার করা হয়।
আরো জানা যায়, আর এসব বিস্ফোরক সম্পর্কে ধারণা না থাকায় স্থানীয়দের কেউ কেউ না বুঝে তা বাসায় নিয়ে যায়, পরে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে এবং অনেক সংবাদকর্মীসহ স্থানীয়রা খুব কাছে গিয়ে ছবি ধারণ ও লাইভ করেন, তা যেকোনো সময় বিস্ফোরিত হয়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে- এমন আশংকা থেকে বিজিবি অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে অবহিত করে।
সীমান্তে কৃষিজমিতে কাজ করতে গিয়ে রকেট লঞ্চার পাওয়া রাজিয়া বলেন, ‘দেখি শিশুরা লম্বা লোহার রডের মতো একটি জিনিস নিয়ে খেলছে। তখন তাদের কাছ থেকে এটি নিয়ে বাসায় চলে আসি। পরে বিজিবিকে এটি হস্তান্তর করি।’
জানা যায়, রকেট লাঞ্চারসহ বিভিন্ন বিস্ফোরক মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করার সময় ফেলে গেছে। সীমান্তের কাছাকাছি চাষের জমিতে বিজিপি সদস্যদের ফেলে যাওয়া গোলা, রকেট লঞ্চার ও মর্টার শেল থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে বিজিবির গণসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে যে, সীমান্ত অঞ্চলে প্রাপ্ত অবিস্ফোরিত মর্টার শেল, গোলা, বোমা সদৃশ বস্তুর সন্নিকটে গিয়ে ছবি তুলছেন বা লাইভ সম্প্রচার করছেন, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের ঝুঁকি থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানাচ্ছি।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমার থেকে বান্দরবানের ঘুমধুমে উড়ে আসা মর্টারশেলের আঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন এক বাংলাদেশি নারী ও এক রোহিঙ্গা। মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি), সেনাবাহিনী, পুলিশ, ইমিগ্রেশন সদস্য ও অন্যান্য সংস্থার ৩৩০ জন সৈন্য বিজিবির কাছে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে। দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনার পর তাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার প্রভাবে বরগুনার প্রধান তিন নদী—পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বরের পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে প্রায় দুই থেকে তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। পানির তোড়ে বরগুনার বড়ইতলা ও পুরকাটা ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে সড়ক সম্পূর্ণ তলিয়ে গেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত
১৮ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে জাতিসংঘে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্তাভরস লামব্রিনিদিস এবং জি৭৭ ও চীনের চেয়ার ও জাতিসংঘে উরুগুয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরের মধ্যে বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ক্ষুদ্র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে