
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইলে এক প্রবাসীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে মাইক্রোচালকের বিরুদ্ধে। নান্দাইল পৌরশহরের একটি গ্যারেজের ভেতর আটকে রেখে ওই প্রবাসীকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় অভিযুক্ত চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গতকাল শুক্রবার (১১ জুলাই) ভোরে বিমানবন্দর থেকে শুরু হয়ে নান্দাইল শহরের চণ্ডীপাশা মহল্লার এক গ্যারেজে এসে শেষ হয়। পুলিশ ওই গ্যারেজ থেকে প্রবাসীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
ভুক্তভোগীর নাম মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৮)। তিনি নান্দাইল উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের তেলিয়াপাড়া গ্রামের মো. শহীদ মিয়ার ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই বছর পর জাহাঙ্গীর সৌদি আরব থেকে শুক্রবার ভোরে দেশে ফেরেন। তাকে নিয়ে আসার জন্য পরিবারের সদস্যরা নান্দাইল থেকে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে যান। যাবতীয় কাজ সেরে বিমানবন্দরের বাইরে আসেন জাহাঙ্গীর।
জাহাঙ্গীরের চাচাতো ভাই আশিক মিয়া জানান, বিমানবন্দর থেকে কিছু দূর যাবার পর জাহাঙ্গীর সকালের নাস্তা খাবার জন্য মাইক্রোচালককে রাস্তার পাশে কোনো একটি হোটেলের সামনে দাঁড়াতে বলেন। তবে চালক রাস্তার পাশে গাড়ি থামাতে চায়নি। একপর্যায়ে রাজি করানোর পর চালক ১৫ মিনিটের বেশি অপেক্ষা করতে পারবেন না বলে জানান। এ নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে চালক মো. শফিকুল ইসলাম ক্ষুব্ধ হয়ে একটি হোটেলের সামনে থামেন। গাড়ি থামানোর পর দু'পক্ষের মধ্যে আবারও তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় চালক কৌশলে পরিবারের সদস্যদের হোটেলের সামনে রেখে প্রবাসী জাহাঙ্গীরকে মাইক্রেবাসে তুলে দ্রুত নান্দাইলের দিকে চলে যান।
বেলা ১১টার দিকে নান্দাইলে পৌঁছানোর পর জাহাঙ্গীরকে নান্দাইল পৌরসভার চণ্ডীপাশা মহল্লায় একটি গ্যারেজে নিয়ে বেঁধে মারধর করতে শুরু করেন। জাহাঙ্গীরের আর্তচিৎকার শুনে মহল্লার লোকজন থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ এসে জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় মাইক্রোচালক শফিকুলকে আটক করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর জানান, যাত্রাপথে মাইক্রোচালক নানা কথা বলে অযথা ঝগড়ার সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে মাইক্রোতে একা তুলে নিয়ে চলন্ত অবস্থায় চালক তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। পুলিশ তাকে উদ্ধার না করলে কী যে হতো, তা ভেবে শিউরে উঠেন এই প্রবাসী।
থানা হেফাজতে থাকা চালক শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, প্রবাসীর পরিবারের লোকজন যে শর্তে মাইক্রোবাস ভাড়া করেছিল সেটি তারা ভঙ্গ করেছেন। শর্তভঙ্গের প্রতিবাদ করে তিনি উল্টো মারধরের শিকার হয়েছেন। পরে তিনি রাগের বশে এ কাজ করেছেন। তবে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, এ বিষয়ে প্রবাসীর পক্ষ থেকে থানায় এখনো কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে এক প্রবাসীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে মাইক্রোচালকের বিরুদ্ধে। নান্দাইল পৌরশহরের একটি গ্যারেজের ভেতর আটকে রেখে ওই প্রবাসীকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় অভিযুক্ত চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গতকাল শুক্রবার (১১ জুলাই) ভোরে বিমানবন্দর থেকে শুরু হয়ে নান্দাইল শহরের চণ্ডীপাশা মহল্লার এক গ্যারেজে এসে শেষ হয়। পুলিশ ওই গ্যারেজ থেকে প্রবাসীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
ভুক্তভোগীর নাম মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৮)। তিনি নান্দাইল উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের তেলিয়াপাড়া গ্রামের মো. শহীদ মিয়ার ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই বছর পর জাহাঙ্গীর সৌদি আরব থেকে শুক্রবার ভোরে দেশে ফেরেন। তাকে নিয়ে আসার জন্য পরিবারের সদস্যরা নান্দাইল থেকে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে যান। যাবতীয় কাজ সেরে বিমানবন্দরের বাইরে আসেন জাহাঙ্গীর।
জাহাঙ্গীরের চাচাতো ভাই আশিক মিয়া জানান, বিমানবন্দর থেকে কিছু দূর যাবার পর জাহাঙ্গীর সকালের নাস্তা খাবার জন্য মাইক্রোচালককে রাস্তার পাশে কোনো একটি হোটেলের সামনে দাঁড়াতে বলেন। তবে চালক রাস্তার পাশে গাড়ি থামাতে চায়নি। একপর্যায়ে রাজি করানোর পর চালক ১৫ মিনিটের বেশি অপেক্ষা করতে পারবেন না বলে জানান। এ নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে চালক মো. শফিকুল ইসলাম ক্ষুব্ধ হয়ে একটি হোটেলের সামনে থামেন। গাড়ি থামানোর পর দু'পক্ষের মধ্যে আবারও তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় চালক কৌশলে পরিবারের সদস্যদের হোটেলের সামনে রেখে প্রবাসী জাহাঙ্গীরকে মাইক্রেবাসে তুলে দ্রুত নান্দাইলের দিকে চলে যান।
বেলা ১১টার দিকে নান্দাইলে পৌঁছানোর পর জাহাঙ্গীরকে নান্দাইল পৌরসভার চণ্ডীপাশা মহল্লায় একটি গ্যারেজে নিয়ে বেঁধে মারধর করতে শুরু করেন। জাহাঙ্গীরের আর্তচিৎকার শুনে মহল্লার লোকজন থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ এসে জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় মাইক্রোচালক শফিকুলকে আটক করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর জানান, যাত্রাপথে মাইক্রোচালক নানা কথা বলে অযথা ঝগড়ার সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে মাইক্রোতে একা তুলে নিয়ে চলন্ত অবস্থায় চালক তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। পুলিশ তাকে উদ্ধার না করলে কী যে হতো, তা ভেবে শিউরে উঠেন এই প্রবাসী।
থানা হেফাজতে থাকা চালক শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, প্রবাসীর পরিবারের লোকজন যে শর্তে মাইক্রোবাস ভাড়া করেছিল সেটি তারা ভঙ্গ করেছেন। শর্তভঙ্গের প্রতিবাদ করে তিনি উল্টো মারধরের শিকার হয়েছেন। পরে তিনি রাগের বশে এ কাজ করেছেন। তবে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, এ বিষয়ে প্রবাসীর পক্ষ থেকে থানায় এখনো কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।

পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে রাহাত বলে, ‘আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় থেকে লংমার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি পালন করব।’
১২ ঘণ্টা আগে
সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ নিয়ে আসা আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে তারা থেকে সরে গেছেন। পরে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত উভয়মুখী সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, মোট ১ হাজার ৩৩৪টি দুর্ঘটনার মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ঘটেছে ১ হাজার ৫১টি, আর পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি। তাঁর ভাষ্য, রেললাইনের ত্রুটির পাশাপাশি চাকার শার্প ফ্লেঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক কারণে লাইন বেঁকে যাওয়া বা দেবে যাওয়ার মতো কারণেও ট্রেন লাইনচ্যুত হতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নাৎসি বাহিনী ও গেস্টাপোর মতো রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে গণহত্যার অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগও দায়মুক্তি পেতে পারে না।
১৬ ঘণ্টা আগে