
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নিম্নমানের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের অভিযানে ইসির কেনা সেই ইভিএম মেশিনে ত্রুটি ধরা পড়েছে। ফলে সামনে যেখানে যেখানে ইভিএম সংরক্ষণ আছে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানায় দুদক।
রোববার (২৬ জানুয়ারি) ইসি ভবনে দুদকের উপ-পরিচালক নুর আলম সিদ্দিকী অভিযান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
দুদক কর্মকর্তা বলেন, ২০২৮ সালে ইসি দেড় লাখ ইভিএম মেশিন ক্রয় করেন। এই মেশিনের মধ্যে ১ লাখ ৫০০ মেশিন ব্যবহারের অনুপযোগী হিসেবে অভিযোগ করা হয় আমাদের কাছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। আমরা দেখেছি ইভিএমগুলো ইসি তিন জায়গায় সংরক্ষণ করে রেখেছে। ইসি, বিএমটিএফ (বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড ) ও ইসির ১০টি আঞ্চলিক কার্যালয়ে। মেশিনগুলো থেকে কিছু র্যানডমলি যাচাই করি। প্রতি তিনটি মেশিনের একটিতে ত্রুটিপূর্ণ পেয়েছি। কিছু মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটি ও কিছু অচল পেয়েছি। ইসি ৬১৮টি ইভিএম সংরক্ষণ করেছে। এছাড়া বিএমসটিএফ ৮৬ হাজার এবং ইসির ১০টি আঞ্চলিক অফিসে ৬২ হাজার ইভিএম সংরক্ষণ করছে। অভিযান কালে নিম্নমানের মেশিন ক্রয় করার ক্ষেত্রে কিছু রেকর্ড সংরক্ষণ করেছি। বাকি রেকর্ডগলোও সংরক্ষণ করবো। আরও তথ্য যাচাই করে। অভিযান সামনে আরও পরিচালনা করা হবে। অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে ইসি আমাদের সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। ইভিএম ক্রয় সংক্রান্ত সব রেকর্ডগুলো যাচাই করবো। আমাদের ফাইন্ডিংস হলো রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ করেছি। বাকি ইভিএমগুলো যাচাই করবে দুদক। রেকর্ডও সংরক্ষণ করছি।
প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৭৩ টাকা দরে মোট দেড় লাখ ইভিএম সেট ক্রয় করা হয়। ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর একনেক সভায় অনুমোদন পায় প্রকল্পটি। ২০২৪ সালের জুনে প্রকল্পের কাজ শেষ হলেও এখনও তা ইসিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
নির্বাচন ব্যবস্থায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার প্রকল্প নেওয়া হয়। প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ৩ হাজার ৮২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।।

নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নিম্নমানের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের অভিযানে ইসির কেনা সেই ইভিএম মেশিনে ত্রুটি ধরা পড়েছে। ফলে সামনে যেখানে যেখানে ইভিএম সংরক্ষণ আছে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানায় দুদক।
রোববার (২৬ জানুয়ারি) ইসি ভবনে দুদকের উপ-পরিচালক নুর আলম সিদ্দিকী অভিযান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
দুদক কর্মকর্তা বলেন, ২০২৮ সালে ইসি দেড় লাখ ইভিএম মেশিন ক্রয় করেন। এই মেশিনের মধ্যে ১ লাখ ৫০০ মেশিন ব্যবহারের অনুপযোগী হিসেবে অভিযোগ করা হয় আমাদের কাছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। আমরা দেখেছি ইভিএমগুলো ইসি তিন জায়গায় সংরক্ষণ করে রেখেছে। ইসি, বিএমটিএফ (বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড ) ও ইসির ১০টি আঞ্চলিক কার্যালয়ে। মেশিনগুলো থেকে কিছু র্যানডমলি যাচাই করি। প্রতি তিনটি মেশিনের একটিতে ত্রুটিপূর্ণ পেয়েছি। কিছু মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটি ও কিছু অচল পেয়েছি। ইসি ৬১৮টি ইভিএম সংরক্ষণ করেছে। এছাড়া বিএমসটিএফ ৮৬ হাজার এবং ইসির ১০টি আঞ্চলিক অফিসে ৬২ হাজার ইভিএম সংরক্ষণ করছে। অভিযান কালে নিম্নমানের মেশিন ক্রয় করার ক্ষেত্রে কিছু রেকর্ড সংরক্ষণ করেছি। বাকি রেকর্ডগলোও সংরক্ষণ করবো। আরও তথ্য যাচাই করে। অভিযান সামনে আরও পরিচালনা করা হবে। অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে ইসি আমাদের সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। ইভিএম ক্রয় সংক্রান্ত সব রেকর্ডগুলো যাচাই করবো। আমাদের ফাইন্ডিংস হলো রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ করেছি। বাকি ইভিএমগুলো যাচাই করবে দুদক। রেকর্ডও সংরক্ষণ করছি।
প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৭৩ টাকা দরে মোট দেড় লাখ ইভিএম সেট ক্রয় করা হয়। ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর একনেক সভায় অনুমোদন পায় প্রকল্পটি। ২০২৪ সালের জুনে প্রকল্পের কাজ শেষ হলেও এখনও তা ইসিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
নির্বাচন ব্যবস্থায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার প্রকল্প নেওয়া হয়। প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ৩ হাজার ৮২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।।

মন্ত্রী জানান, গুলশান ও হাইকোর্ট-সংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
১০ ঘণ্টা আগে
তিন দিনব্যাপী মেলাটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে। দেশের পর্যটন খাতের অন্যতম বড় এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের জন্য রাজধানীর অন্যতম বড় ও বহুমুখী ইভেন্ট ভেন্যু আইসিসিবিকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাইয়ের ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টে ‘নীরব প্রতিবাদ’ জানিয়েছেন আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা।
১১ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে প্রতিবাদকারীরা ডাকসু সংগ্রহশালার ফটকের সামনের মেঝেতে দুটি এবং ভেতরের মেঝেতে দুটি ছবি সাঁটিয়ে দেন। এ সময় তারা জিন্নাহ ও গোলাম আযমের ছবি পদদলন করে প্রতিবাদ জানান।
১২ ঘণ্টা আগে