
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পথে বিএনপি। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যসহ নতুন সরকারের শপথও সমাগত। তবে অন্যান্যবারের চেয়ে এবারের নতুন সরকারের শপথে থাকছে ভিন্নতা।
বরাবরই রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তবে এবারে সেই ধারা অব্যাহত থাকছে না। কারণ এবার নতুন মন্ত্রিসভার শপথ হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।
আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ হবে। শপথ অনুষ্ঠানের সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ দিন সকালে একই স্থানে হবে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ, যা সাধারণত সংসদ ভবনের শপথকক্ষে হয়ে থাকে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সংসদ ভবন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শপথ অনুষ্ঠানের জন্য চলছে জোর প্রস্তুতি। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গোটা এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে। দক্ষিণ প্লাজা এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না গণমাধ্যমকেও। প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বরণ করে নিতে সংসদ ভবনকে নতুন ও দৃষ্টিনন্দন রূপে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। ধুয়ে-মুছে পুরো ভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পরিপাটি করা হচ্ছে। নতুন করে সাজানো হচ্ছে সংসদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দ কক্ষ।
শুক্রবার রাতে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশের পর শনিবার থেকেই সংসদ সচিবালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। গণঅভ্যুত্থানের সময় ভবনের কিছু কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেসব অংশ মেরামতের কাজও শেষ করে আনা হয়েছে।
সরকারের সূত্রগুলো বলছে, মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। এরপর রাজনৈতিক দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংসদীয় দলের সভায় বসবেন। সেখানে সংসদীয় দলগুলো নিজেদের নেতা নির্বাচন করবেন।
নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। এরপর সংসদীয় দলনেতা সরকার তথা নতুন মন্ত্রিসভাকে নিয়ে শপথ পড়বেন রাষ্ট্রপতির কাছে। মঙ্গলবার বিকেলেই এ শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের গত দেড় বছর মেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু অনুষ্ঠান সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। যে জুলাই অভ্যুত্থানের হাত ধরে অন্তর্বর্তী সরকারের যাত্রা, সেই জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র পাঠ করার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় এ স্থানে। পরে জুলাই সনদে সইয়ের অনুষ্ঠানও একই স্থানে আয়োজন করা হয়।
সরকারের একাধিক সূত্র বলছে, নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিএনপির পক্ষ থেকেও বঙ্গভবন বা সংসদ ভবনের শপথকক্ষ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের আগ্রহের কথা জানানো হয়। সে অনুযায়ীই সরকারও দক্ষিণ প্লাজা প্রাঙ্গণেই শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেলে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে ২৯৯ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার দুপুর নাগাদ চূড়ান্ত ফলাফল জানায় নির্বাচন কমিশন। রাতে ২৯৭ আসনে নির্বাচিতদের তালিকার গেজেট প্রকাশ করে।
শেরপুর-৩ আসনের একজন প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে এ আসনে ভোট গ্রহণ স্থগিত ছিল। অন্যদিকে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় দুটি আসনের ফলাফলের গেজেট জারি করা হয়নি।
ভোটের ফলাফল বলছে, ঘোষিত ২৯৭ আসনের মধ্যে ২০৯ আসন নিয়ে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। সংবিধান অনুযায়ী এই দলটিই সরকার গঠন করবে। এ ছাড়া বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের আরও তিনটি দল আসন পেয়েছে তিনটি।
জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৮টি আসন। এনসিপি পেয়েছে ছয়টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের আরও দুই শরিক পেয়েছে তিনটি আসন। সব মিলিয়ে এ জোটের আসনসংখ্যা ৭৭।
জোটের বাইরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন প্রার্থী নির্বাচনে জয় পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন সাতটি আসনে। এই সাতজনের মধ্যে আবার ছয়জনই বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পথে বিএনপি। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যসহ নতুন সরকারের শপথও সমাগত। তবে অন্যান্যবারের চেয়ে এবারের নতুন সরকারের শপথে থাকছে ভিন্নতা।
বরাবরই রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তবে এবারে সেই ধারা অব্যাহত থাকছে না। কারণ এবার নতুন মন্ত্রিসভার শপথ হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।
আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ হবে। শপথ অনুষ্ঠানের সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ দিন সকালে একই স্থানে হবে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ, যা সাধারণত সংসদ ভবনের শপথকক্ষে হয়ে থাকে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সংসদ ভবন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শপথ অনুষ্ঠানের জন্য চলছে জোর প্রস্তুতি। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গোটা এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে। দক্ষিণ প্লাজা এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না গণমাধ্যমকেও। প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বরণ করে নিতে সংসদ ভবনকে নতুন ও দৃষ্টিনন্দন রূপে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। ধুয়ে-মুছে পুরো ভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পরিপাটি করা হচ্ছে। নতুন করে সাজানো হচ্ছে সংসদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দ কক্ষ।
শুক্রবার রাতে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশের পর শনিবার থেকেই সংসদ সচিবালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। গণঅভ্যুত্থানের সময় ভবনের কিছু কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেসব অংশ মেরামতের কাজও শেষ করে আনা হয়েছে।
সরকারের সূত্রগুলো বলছে, মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। এরপর রাজনৈতিক দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংসদীয় দলের সভায় বসবেন। সেখানে সংসদীয় দলগুলো নিজেদের নেতা নির্বাচন করবেন।
নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। এরপর সংসদীয় দলনেতা সরকার তথা নতুন মন্ত্রিসভাকে নিয়ে শপথ পড়বেন রাষ্ট্রপতির কাছে। মঙ্গলবার বিকেলেই এ শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের গত দেড় বছর মেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু অনুষ্ঠান সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। যে জুলাই অভ্যুত্থানের হাত ধরে অন্তর্বর্তী সরকারের যাত্রা, সেই জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র পাঠ করার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় এ স্থানে। পরে জুলাই সনদে সইয়ের অনুষ্ঠানও একই স্থানে আয়োজন করা হয়।
সরকারের একাধিক সূত্র বলছে, নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিএনপির পক্ষ থেকেও বঙ্গভবন বা সংসদ ভবনের শপথকক্ষ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের আগ্রহের কথা জানানো হয়। সে অনুযায়ীই সরকারও দক্ষিণ প্লাজা প্রাঙ্গণেই শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেলে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে ২৯৯ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার দুপুর নাগাদ চূড়ান্ত ফলাফল জানায় নির্বাচন কমিশন। রাতে ২৯৭ আসনে নির্বাচিতদের তালিকার গেজেট প্রকাশ করে।
শেরপুর-৩ আসনের একজন প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে এ আসনে ভোট গ্রহণ স্থগিত ছিল। অন্যদিকে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় দুটি আসনের ফলাফলের গেজেট জারি করা হয়নি।
ভোটের ফলাফল বলছে, ঘোষিত ২৯৭ আসনের মধ্যে ২০৯ আসন নিয়ে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। সংবিধান অনুযায়ী এই দলটিই সরকার গঠন করবে। এ ছাড়া বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের আরও তিনটি দল আসন পেয়েছে তিনটি।
জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৮টি আসন। এনসিপি পেয়েছে ছয়টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের আরও দুই শরিক পেয়েছে তিনটি আসন। সব মিলিয়ে এ জোটের আসনসংখ্যা ৭৭।
জোটের বাইরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন প্রার্থী নির্বাচনে জয় পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন সাতটি আসনে। এই সাতজনের মধ্যে আবার ছয়জনই বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দায়িত্ব নিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সরকার গত বছরের ২৬ জুন জানায়, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ৮০৮টি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার নাম পরিবর্তন কর
৪ ঘণ্টা আগে
তিনি লিখেছেন, ভাই, আমি কিছু করিনি। করেছে আমাদের আইন মন্ত্রণালয়। তবে এর প্রতিটি কাজে আমি অংশীদার ছিলাম। খুব সকালে অফিসে এসে প্রয়োজনে রাত ৮টা/৯টা পর্যন্ত থেকেছি, সামান্য বিশ্রাম নিয়ে গভীর রাতে বাসায় আবার কাজ করেছি। বহু শুক্রবার, শনিবার সচিবালয়ে অফিস করেছি।
৫ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ উপস্থিত থাকবেন না বলে জানা গেছে। তার পরিবর্তে দেশটির পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল প্রতিনিধিত্ব করবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাইকমিশন।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্বীকৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে একুশে পদকের জন্য মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন অভিনয়ে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় প্রফেসর ড. মো. আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নৃত্যে অর্থী আহমেদ, পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় প্রফেসর ড. মাহবুবুল আলম
১৭ ঘণ্টা আগে