
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতির সময় এক নারী ও তাঁর কিশোরী কন্যার ওপর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
বুধবার (১০ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস রিলিজে এসব তথ্য জানায় সংগঠনটি। সংগঠনটির সিনিয়র সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবিরের পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনায় জড়িত সবাইকে দ্রুত শনাক্ত এবং গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
গণমাধ্যমে বরাতে বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, সহিংসতার শিকার নারীর স্বামী চট্টগ্রাম নগরে চাকরি করেন। ১৫ আর ৭ বছরের দুই মেয়েকে নিয়ে গৃহবধূ নিজ বাড়িতে থাকেন। গত ৮ জুন ২০২৬ তারিখের দিবাগত রাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল গত ৮ জুন দিবাগত রাতে ভুক্তভোগীর বাড়িতে হানা দেয়। তারা ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে আলমারি থেকে সোনা ও নগদ অর্থ লুট করে নেয়। একই সময় তারা ওই নারী ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা ও দলবদ্ধ ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এমন ঘটনা নাগরিকদের নিরাপত্তাবোধকে গভীরভাবে আঘাত করে এবং সমাজে ভীতি ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি করে। ধারাবাহিকভাবে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই অপরাধ প্রতিরোধ, দ্রুত তদন্ত এবং কার্যকর জবাবদিহির ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে।
আসক দাবি জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত সবাইকে দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী মা ও কিশোরীর জন্য জরুরি চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা, আইনি সেবা এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি আরও বলেছে, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি শক্তিশালী করা এবং অপরাধীদের প্রভাবমুক্ত থেকে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।
রাজনীতি/আরআইআর

কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতির সময় এক নারী ও তাঁর কিশোরী কন্যার ওপর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
বুধবার (১০ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস রিলিজে এসব তথ্য জানায় সংগঠনটি। সংগঠনটির সিনিয়র সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবিরের পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনায় জড়িত সবাইকে দ্রুত শনাক্ত এবং গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
গণমাধ্যমে বরাতে বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, সহিংসতার শিকার নারীর স্বামী চট্টগ্রাম নগরে চাকরি করেন। ১৫ আর ৭ বছরের দুই মেয়েকে নিয়ে গৃহবধূ নিজ বাড়িতে থাকেন। গত ৮ জুন ২০২৬ তারিখের দিবাগত রাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল গত ৮ জুন দিবাগত রাতে ভুক্তভোগীর বাড়িতে হানা দেয়। তারা ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে আলমারি থেকে সোনা ও নগদ অর্থ লুট করে নেয়। একই সময় তারা ওই নারী ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা ও দলবদ্ধ ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এমন ঘটনা নাগরিকদের নিরাপত্তাবোধকে গভীরভাবে আঘাত করে এবং সমাজে ভীতি ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি করে। ধারাবাহিকভাবে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই অপরাধ প্রতিরোধ, দ্রুত তদন্ত এবং কার্যকর জবাবদিহির ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে।
আসক দাবি জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত সবাইকে দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী মা ও কিশোরীর জন্য জরুরি চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা, আইনি সেবা এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি আরও বলেছে, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি শক্তিশালী করা এবং অপরাধীদের প্রভাবমুক্ত থেকে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।
রাজনীতি/আরআইআর

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৯টি শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩ হাজার ৬০৮ জন, নৌবাহিনীর ৩০২ জন, বিমান বাহিনীর ২৬৭ জন এবং পুলিশের ৩৫ জন সদস্যসহ মোট ৪ হাজার ২১২ জন শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
এর আগে ২০২৭ সালে চতুর্থ শ্রেণির শিল্প ও সংস্কৃতি পাঠ্যবইয়ে চারটি পৃথক অধ্যায়ে এসব বিষয় যুক্ত করা হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
ব্যভিচারের অভিযোগ এনে তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হোসেন ২০২১ সালে এ মামলা করেছিলেন। এরপর থেকে চার বছরের বেশি সময় ধরে চলছিলো আলোচিত এই মামলা।
৯ ঘণ্টা আগে
২০০৯ সালে সশস্ত্র বাহিনীর ওপর সর্বগ্রাসী আঘাত এসেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সময় সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে অপতৎপরতা লক্ষ্য করেছি। ঐক্য বিনষ্টের তৎপরতা চলেছে। ২০০৯ সালে এমন ঘটনার ফল কী হয়েছিলো আমিরা জানি।’
৯ ঘণ্টা আগে