
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগদানের পেছনে ইরানকে আক্রমণ নয়, বরং ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, এই জোটে যোগ দেওয়ার অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশ ইরানকে আক্রমণ করতে যাচ্ছে। বরং জোটে বাংলাদেশ যোগ দিয়েছে হুতিদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য। এই যোগদানকে কোনোভাবেই ইরানকে বাদ দেওয়া বা আঘাত করার জন্য দেখা ঠিক হবে না।
রোববার (২ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা। লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিরাপত্তা জোরদারে গত বৃহস্পতিবার নতুন এই বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের ঘোষণা দেয় সৌদি আরব, যেখানে বাংলাদেশসহ মোট ১৪টি দেশ যোগ দিয়েছে।
এই প্রতিরক্ষা জোটের নেপথ্যে রয়েছে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ এবং এর সঙ্গে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের জড়িয়ে পড়া। পাঁচ মাস ধরে চলতে থাকা এই যুদ্ধে হুতিরা বরাবরই ইরানকে সমর্থন জানিয়ে আসছিল। সবশেষ গত সপ্তাহে হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধ ঘোষণা করলে এই যুদ্ধে নতুন ফ্রন্ট উন্মোচন হয়।
যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল, যে নৌ পথটি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি তেল পরিবাহিত হতো। ইরান কার্যত নৌ পথটি বন্ধ করে দিলে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। ওই সময় সৌদি আরব পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে ইয়ানবু বন্দরে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখত।
সৌদি আরবের সেই বিকল্প রুটে তেল সরবরাহ করতে ব্যবহার করতে হয় বাব আল-মান্দেব প্রণালি। বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ ও প্রতিদিন কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই নৌ পথটির নিয়ন্ত্রণই রয়েছে হুতিদের হাতে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তাদের সামুদ্রিক অবরোধ বাব আল-মান্দেব প্রণালিকেও বন্ধ করে দিয়েছে।
একদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি পূর্ণভাবে কার্যকর না হওয়ায় হরমুজ প্রণালিতে নৌ যান চলাচল এখনো স্বাভাবিক হয়নি। অন্যদিকে হুতিদের নতুন উদ্যোগে বাব আল-মান্দেব প্রণালিও অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ আরও একবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে ব্যাপকভাবে।
এ পরিস্থিতিতেই সৌদি আরব নতুন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠন করেছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স অ্যালায়েন্স নামে গঠিত এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কৌশলগত সমুদ্রপথে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নির্বিঘ্ন রাখা এবং জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা জোরদার করা।
সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে যোগের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, মূল বিষয়টা হলো— সৌদি আরবের সঙ্গে আমাদের একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক শুধু তীর্থযাত্রা, ওমরাহ বা হজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। একে শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখবেন না, ঢাকা ও রিয়াদের সম্পর্ক হবে একটি কৌশলগত সম্পর্ক। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী একটি সম্পর্ক হবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সৌদি আরব দুটি পবিত্র মসজিদ মক্কা ও মদিনার রক্ষক। তাই এখানে আমাদের একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। যেকোনো সময় সৌদি আরবের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তারা যদি কোনো সহযোগিতা চায়, এই দৃঢ় আত্মিক সম্পর্ক থেকে এবং নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম দেশ হিসেবে সবসময় সৌদি আরবকে সহায়তার জন্য সাড়া দেবে।
সৌদি জোটের লক্ষ্য হুতিদের মোকাবিলা— এ কথা তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, এটি মূলত হুতিদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য। অন্যদিকে আমরা ইরানের সঙ্গে তো কথাবার্তা বলছি, তাই এটিকে কোনোভাবেই ইরানকে বাদ দেওয়া বা আঘাত করার কিছু হিসেবে দেখার কারণ নেই।

সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগদানের পেছনে ইরানকে আক্রমণ নয়, বরং ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, এই জোটে যোগ দেওয়ার অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশ ইরানকে আক্রমণ করতে যাচ্ছে। বরং জোটে বাংলাদেশ যোগ দিয়েছে হুতিদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য। এই যোগদানকে কোনোভাবেই ইরানকে বাদ দেওয়া বা আঘাত করার জন্য দেখা ঠিক হবে না।
রোববার (২ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা। লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিরাপত্তা জোরদারে গত বৃহস্পতিবার নতুন এই বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের ঘোষণা দেয় সৌদি আরব, যেখানে বাংলাদেশসহ মোট ১৪টি দেশ যোগ দিয়েছে।
এই প্রতিরক্ষা জোটের নেপথ্যে রয়েছে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ এবং এর সঙ্গে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের জড়িয়ে পড়া। পাঁচ মাস ধরে চলতে থাকা এই যুদ্ধে হুতিরা বরাবরই ইরানকে সমর্থন জানিয়ে আসছিল। সবশেষ গত সপ্তাহে হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধ ঘোষণা করলে এই যুদ্ধে নতুন ফ্রন্ট উন্মোচন হয়।
যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল, যে নৌ পথটি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি তেল পরিবাহিত হতো। ইরান কার্যত নৌ পথটি বন্ধ করে দিলে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। ওই সময় সৌদি আরব পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে ইয়ানবু বন্দরে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখত।
সৌদি আরবের সেই বিকল্প রুটে তেল সরবরাহ করতে ব্যবহার করতে হয় বাব আল-মান্দেব প্রণালি। বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ ও প্রতিদিন কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই নৌ পথটির নিয়ন্ত্রণই রয়েছে হুতিদের হাতে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তাদের সামুদ্রিক অবরোধ বাব আল-মান্দেব প্রণালিকেও বন্ধ করে দিয়েছে।
একদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি পূর্ণভাবে কার্যকর না হওয়ায় হরমুজ প্রণালিতে নৌ যান চলাচল এখনো স্বাভাবিক হয়নি। অন্যদিকে হুতিদের নতুন উদ্যোগে বাব আল-মান্দেব প্রণালিও অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ আরও একবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে ব্যাপকভাবে।
এ পরিস্থিতিতেই সৌদি আরব নতুন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠন করেছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স অ্যালায়েন্স নামে গঠিত এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কৌশলগত সমুদ্রপথে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নির্বিঘ্ন রাখা এবং জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা জোরদার করা।
সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে যোগের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, মূল বিষয়টা হলো— সৌদি আরবের সঙ্গে আমাদের একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক শুধু তীর্থযাত্রা, ওমরাহ বা হজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। একে শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখবেন না, ঢাকা ও রিয়াদের সম্পর্ক হবে একটি কৌশলগত সম্পর্ক। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী একটি সম্পর্ক হবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সৌদি আরব দুটি পবিত্র মসজিদ মক্কা ও মদিনার রক্ষক। তাই এখানে আমাদের একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। যেকোনো সময় সৌদি আরবের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তারা যদি কোনো সহযোগিতা চায়, এই দৃঢ় আত্মিক সম্পর্ক থেকে এবং নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম দেশ হিসেবে সবসময় সৌদি আরবকে সহায়তার জন্য সাড়া দেবে।
সৌদি জোটের লক্ষ্য হুতিদের মোকাবিলা— এ কথা তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, এটি মূলত হুতিদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য। অন্যদিকে আমরা ইরানের সঙ্গে তো কথাবার্তা বলছি, তাই এটিকে কোনোভাবেই ইরানকে বাদ দেওয়া বা আঘাত করার কিছু হিসেবে দেখার কারণ নেই।

রোববার (২ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, পুলিশের ওপর হামলার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবে সদস্যদের আরও সতর্ক থাকতে স্মরণ করিয়ে দিতেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকে দেশটির রাষ্ট্রদূত কিয়াও সো ময়ে এ আগ্রহের কথা জানান।
১০ ঘণ্টা আগে
রোববার (২ আগস্ট) এক বিবৃতিতে শিক্ষক নেটওয়ার্ক জানায়, জুলাই অভ্যুত্থানবিরোধিতার অভিযোগ তুলে একদল শিক্ষক ২৩১ জনের তালিকা উপাচার্যের কাছে জমা দিয়েছেন
১১ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কৌশলগত গুরুত্ব বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রচেষ্টারই প্রতিফলন এই সফর।
১১ ঘণ্টা আগে