
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদির।
তিনি জানান, দুদকের প্রধান গেটের বিপরীত পাশে মোটরসাইকেলে এসে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা শনাক্ত করা যায়নি।
এসআই আব্দুল কাদির আরও জানান, এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে কাজ করছি।

রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদির।
তিনি জানান, দুদকের প্রধান গেটের বিপরীত পাশে মোটরসাইকেলে এসে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা শনাক্ত করা যায়নি।
এসআই আব্দুল কাদির আরও জানান, এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে কাজ করছি।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আমাদের অবস্থানটা স্পষ্ট। আমরা মানুষকে বলব, যদি পরিবর্তন চান, সংস্কার চান, তাহলে গণভোটে অংশগ্রহণ করুন এবং হ্যাঁ ভোট দিন।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, একটি মহল প্রচারণা চালাচ্ছে যে জুলাই সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১-কে মুছে ফেলা হবে, বিসমিল্লাহ থাকবে না—এসব কথা ঠিক নয়।
৪ ঘণ্টা আগে
শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে জানুয়ারির প্রথম দিকেই অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনও সে বিষয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে অবরোধ কর্মসূচিতে নেমেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গত ৪ সেপ্টেম্বর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশনের জারি করা গেজেটের সীমানা অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন করতে বাধা নেই বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। অর্থাৎ সাথিয়া উপজেলাকে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া মিলে পাবনা-২ আসন বলে গণ্য হবে।
৬ ঘণ্টা আগে