
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেড় বছর পর ফের স্বরূপে ফিরতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা প্রস্তুত সংসদ অধিবেশন মাতিয়ে তুলতে। নতুন সরকার আর বিরোধী দলও নিজ নিজ দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। তবে সবকিছুর আগে প্রয়োজন শপথ, যার অপেক্ষাও শেষ হয়ে এসেছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা নেবেন শপথ। পরে বিকেলে শপথ নেবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
এ শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করে এনেছে অন্তর্বর্তী সরকার। গোটা সংসদ ভবন এলাকা নতুন করে ধুয়েমুছে পরিপাটি করা হয়েছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিদেশি প্রায় ১৩০০ অতিথিকে।
সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করিয়ে থাকেন স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকার। জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাদের কেউই শপথ পড়াতে পারছেন না। এ ক্ষেত্রে সংবিধানের তৃতীয় বিকল্প হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন শপথ পড়াবেন নতুন এমপিদের।
এদিকে সংসদ সদস্যদের শপথের পর ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী বিএনপির সংসদীয় দলের সভা হবে। সেখানে তারা সংসদ নেতা নির্বাচন করবেন, যাকে রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ জানাবেন সরকার গঠনের জন্য। এরপরই বিকেল ৪টায় সেই সংসদ নেতার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিএনপির আগ্রহেই বঙ্গভবনের পরিবর্তে নতুন সরকার শপথ নেবেন সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। সেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনই শপথ পড়াবেন নতুন প্রধানমন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীদের।
মঙ্গলবার বিকেলে শপথ গ্রহণকারী নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতেও পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান চলাকালে সংসদ ভবন এলাকার খেজুর বাগান ক্রসিং থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘর (গণভবন ক্রসিং) থেকে উড়োজাহাজ ক্রসিং পর্যন্ত লেকরোডে যান চলাচল সীমিত করা হবে। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ফলে সাময়িক অসুবিধার জন্য রোড ডাইভারশনের মাধ্যমে যানবাহনের প্রবাহ সচল রাখার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
জাতীয় সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ পাঠ করানো হবে। তবে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।
বিএনপি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান শপথ নেবেন। মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে কারা কারা থাকছেন, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি।
জুলাই অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণ করে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। দেড় বছরের মাথায় গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এ সরকার আয়োজন করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সে নির্বাচনে জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিএনপি।
এদিকে নতুন সরকারের শপথের সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ। উপদেষ্টাদের কেউ কেউ অবশ্য রোববার এবং কেউ কেউ সোমবার নিজ নিজ মন্ত্রণালয়কে বিদায় দিয়ে এসেছেন। সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ভাষণে তিনিও জাতির কাছে বিদায় নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

দেড় বছর পর ফের স্বরূপে ফিরতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা প্রস্তুত সংসদ অধিবেশন মাতিয়ে তুলতে। নতুন সরকার আর বিরোধী দলও নিজ নিজ দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। তবে সবকিছুর আগে প্রয়োজন শপথ, যার অপেক্ষাও শেষ হয়ে এসেছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা নেবেন শপথ। পরে বিকেলে শপথ নেবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
এ শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করে এনেছে অন্তর্বর্তী সরকার। গোটা সংসদ ভবন এলাকা নতুন করে ধুয়েমুছে পরিপাটি করা হয়েছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিদেশি প্রায় ১৩০০ অতিথিকে।
সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করিয়ে থাকেন স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকার। জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাদের কেউই শপথ পড়াতে পারছেন না। এ ক্ষেত্রে সংবিধানের তৃতীয় বিকল্প হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন শপথ পড়াবেন নতুন এমপিদের।
এদিকে সংসদ সদস্যদের শপথের পর ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী বিএনপির সংসদীয় দলের সভা হবে। সেখানে তারা সংসদ নেতা নির্বাচন করবেন, যাকে রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ জানাবেন সরকার গঠনের জন্য। এরপরই বিকেল ৪টায় সেই সংসদ নেতার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিএনপির আগ্রহেই বঙ্গভবনের পরিবর্তে নতুন সরকার শপথ নেবেন সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। সেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনই শপথ পড়াবেন নতুন প্রধানমন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীদের।
মঙ্গলবার বিকেলে শপথ গ্রহণকারী নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতেও পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান চলাকালে সংসদ ভবন এলাকার খেজুর বাগান ক্রসিং থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘর (গণভবন ক্রসিং) থেকে উড়োজাহাজ ক্রসিং পর্যন্ত লেকরোডে যান চলাচল সীমিত করা হবে। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ফলে সাময়িক অসুবিধার জন্য রোড ডাইভারশনের মাধ্যমে যানবাহনের প্রবাহ সচল রাখার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
জাতীয় সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ পাঠ করানো হবে। তবে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।
বিএনপি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান শপথ নেবেন। মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে কারা কারা থাকছেন, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি।
জুলাই অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণ করে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। দেড় বছরের মাথায় গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এ সরকার আয়োজন করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সে নির্বাচনে জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিএনপি।
এদিকে নতুন সরকারের শপথের সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ। উপদেষ্টাদের কেউ কেউ অবশ্য রোববার এবং কেউ কেউ সোমবার নিজ নিজ মন্ত্রণালয়কে বিদায় দিয়ে এসেছেন। সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ভাষণে তিনিও জাতির কাছে বিদায় নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

সংসদীয় রেওয়াজ অনুযায়ী, নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল হিসেবে শুরুতেই শপথ নিচ্ছেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা। এরপর পর্যায়ক্রমে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং স্বতন্ত্র হিসেবে জয়ী প্রার্থীরা শপথ নেবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
এবার নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে রেখে দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে অংশ নিতে দেয়নি। ফলে নির্বাচনটি হয়েছে বিএনপি ও তার পুরনো মিত্র জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে।
৪ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মণ্ডলের দায়ের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আশিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সরকারকে রমজান মাস জুড়ে সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।
১১ ঘণ্টা আগে