
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গত ১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে মারধরের শিকার ও পরে গ্রেপ্তার রিকশাচালক আজিজুর রহমানকে জুলাই আন্দোলনের সময়কার হত্যাচেষ্টার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিচারক।
শনিবার (১৬ আগস্ট) ঢাকার মহানগর হাকিম ইসরাত জেনিফার জেরিন শুনানি নিয়ে ওই রিকশাচালককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এ দিন আজিজুরকে শনিবার আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান।
আদালতে আজিজুরের পক্ষে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নাকচ করে আজিজুরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিকে এ ঘটনায় গণমাধ্যমে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের দায়িত্বে থাকা উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে আজিজুর রহমানকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে প্রচার করা হচ্ছে, যা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক। প্রকৃতপক্ষে তাকে ধানমন্ডি থানায় এপ্রিল মাসে দায়ের করা দণ্ডবিধির নিয়মিত একটি মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
এপ্রিল মাসের কত তারিখে দায়ের করা কোন মামলায় আজিজুরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, সেটি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।
এর আগে ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফুল নিয়ে গিয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর চেষ্টা করেন রিকশাচালক আজিজুর। এ সময় তিনি মারধরের শিকার হন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যায়।
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে মারধর করে আজিজুরকে যখন পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছিল ওই সময় আজিজুর বলছিলেন, আমি কোনো দল করি না। শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ভালোবাসি। তাই এসেছিলাম। আমি আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে আসিনি। আমি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি। তাই আমার হালাল টাকা দিয়ে কেনা ফুল নিয়ে এসেছি।

গত ১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে মারধরের শিকার ও পরে গ্রেপ্তার রিকশাচালক আজিজুর রহমানকে জুলাই আন্দোলনের সময়কার হত্যাচেষ্টার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিচারক।
শনিবার (১৬ আগস্ট) ঢাকার মহানগর হাকিম ইসরাত জেনিফার জেরিন শুনানি নিয়ে ওই রিকশাচালককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এ দিন আজিজুরকে শনিবার আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান।
আদালতে আজিজুরের পক্ষে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নাকচ করে আজিজুরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিকে এ ঘটনায় গণমাধ্যমে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের দায়িত্বে থাকা উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে আজিজুর রহমানকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে প্রচার করা হচ্ছে, যা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক। প্রকৃতপক্ষে তাকে ধানমন্ডি থানায় এপ্রিল মাসে দায়ের করা দণ্ডবিধির নিয়মিত একটি মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
এপ্রিল মাসের কত তারিখে দায়ের করা কোন মামলায় আজিজুরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, সেটি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।
এর আগে ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফুল নিয়ে গিয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর চেষ্টা করেন রিকশাচালক আজিজুর। এ সময় তিনি মারধরের শিকার হন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যায়।
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে মারধর করে আজিজুরকে যখন পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছিল ওই সময় আজিজুর বলছিলেন, আমি কোনো দল করি না। শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ভালোবাসি। তাই এসেছিলাম। আমি আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে আসিনি। আমি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি। তাই আমার হালাল টাকা দিয়ে কেনা ফুল নিয়ে এসেছি।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, জুলাই সনদ কালো কালিতে লেখা হলেও মূলত এটি লেখা হয়েছে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের রক্ত দিয়ে। এই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হলে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
মামলার বাদি পক্ষের আইনজীবী মেজবাহ উদ্দিন ভূঞা বলেন, মামলায় ১৫৬ জন এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাত ৬৫ জনসহ ২২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এরমধ্যে তদন্তে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা না থাকায় ১০ জনকে অব্যহতি দেওয়া হয়। এরই মধ্যে ৫১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
ইসি সচিব বলেন, আজ ১০০ জন প্রার্থী ইসি আপিল করেছিল, আমরা ৭২ জনের আবেদন মঞ্জুর করেছি। এছাড়া ১৭ জনের আপিল আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। ১০ জনের আপিল আবেদন পেন্ডিং আছে। ৫ দিনে মোট ৩৮০ জন প্রার্থী ইসিতে আবেদন করেছিল। এর মধ্যে ২৭৭ জন প্রার্থীর আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। এছাড়া ৮১টি আবেদন বাতিল করা হয়েছে। বাকিগুলো
১৭ ঘণ্টা আগে
এদিন সকালে এ মামলায় জবানবন্দি দেয়া তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনকে পুনঃপরীক্ষা করেন প্রসিকিউশন। পরে তাকে জেরা করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর শরিফুল ইসলামের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। তবে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য সকালে তারিখ নির্ধারণ করেননি ট্রাইব্যুনাল।
১৭ ঘণ্টা আগে