
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চাঞ্চল্যকর ও ভয়ংকর সব তথ্য দিয়েছেন।
রাজসাক্ষী হিসেবে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান ও পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজিবি ও বিশেষ শাখার (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনীতে দুটি গ্রুপ গড়ে উঠেছিল। এই দুই গ্রুপের লোকজনের সঙ্গে ঊর্ধ্বতন মহলের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। আর দুই গ্রুপের নেতৃত্ব দেওয়া হাবিবুর রহমান ও মনিরুল ইসলাম চাইতেন তাঁদের নিজস্ব বলয়ের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং পাক এবং ঢাকায় থাকুক।
আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই জবানবন্দী গ্রহণ করা হচ্ছে।
জবানবন্দিতে সাবেক এই আইজিপি বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর পুলিশের রাজনৈতিক প্রভাব আরও বেড়ে যায়। প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন কিছু কিছু কর্মকর্তা। ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তাঁদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। এসব কর্মকর্তা প্রায় রাতেই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসায় বৈঠকে করতেন। গোপন সেসব বৈঠক গভীর রাত পর্যন্ত চলত।
সাবেক আইজিপি বলেন, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিবিপ্রধান হারুনুর রশীদ, এসবির মনিরুল ইসলাম, ঢাকার ডিআইজি নুরুল ইসলাম, অ্যাডিশনাল ডিআইজি বিপ্লব কুমার, এএসপি কাফী, ওসি মাজহার, ফোরকান অপূর্বসহ আরও অনেকে বৈঠকে অংশ নিতেন। এর মধ্যে কারও কারও সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি যোগাযোগ ছিল।
রাজসাক্ষী মামুন বলেন, ‘সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের ব্যক্তিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ থাকায় চেইন অব কমান্ড মানতেন না এসব কর্মকর্তা। কিন্তু আমি চাইতাম তারা পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুক। মূলত পুলিশ বাহিনীতে গড়ে তোলা দুটি গ্রুপই এসব কর্মকাণ্ড চালাত। একটির নেতৃত্ব দিতেন হাবিব ও আরেকটির নেতৃত্বে ছিলেন মনির। দুই গ্রুপের নেতৃত্বদানকারীরা চাইতেন তাদের নিজস্ব বলয়ের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং পাক এবং ঢাকায় থাকুক।’
জবানবন্দিতে র্যাবে থাকাকালীন টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন বা টিএফআই সেলসহ বহু বন্দিশালার বর্ণনাও দেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী মামুন।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চাঞ্চল্যকর ও ভয়ংকর সব তথ্য দিয়েছেন।
রাজসাক্ষী হিসেবে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান ও পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজিবি ও বিশেষ শাখার (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনীতে দুটি গ্রুপ গড়ে উঠেছিল। এই দুই গ্রুপের লোকজনের সঙ্গে ঊর্ধ্বতন মহলের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। আর দুই গ্রুপের নেতৃত্ব দেওয়া হাবিবুর রহমান ও মনিরুল ইসলাম চাইতেন তাঁদের নিজস্ব বলয়ের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং পাক এবং ঢাকায় থাকুক।
আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই জবানবন্দী গ্রহণ করা হচ্ছে।
জবানবন্দিতে সাবেক এই আইজিপি বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর পুলিশের রাজনৈতিক প্রভাব আরও বেড়ে যায়। প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন কিছু কিছু কর্মকর্তা। ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তাঁদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। এসব কর্মকর্তা প্রায় রাতেই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসায় বৈঠকে করতেন। গোপন সেসব বৈঠক গভীর রাত পর্যন্ত চলত।
সাবেক আইজিপি বলেন, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিবিপ্রধান হারুনুর রশীদ, এসবির মনিরুল ইসলাম, ঢাকার ডিআইজি নুরুল ইসলাম, অ্যাডিশনাল ডিআইজি বিপ্লব কুমার, এএসপি কাফী, ওসি মাজহার, ফোরকান অপূর্বসহ আরও অনেকে বৈঠকে অংশ নিতেন। এর মধ্যে কারও কারও সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি যোগাযোগ ছিল।
রাজসাক্ষী মামুন বলেন, ‘সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের ব্যক্তিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ থাকায় চেইন অব কমান্ড মানতেন না এসব কর্মকর্তা। কিন্তু আমি চাইতাম তারা পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুক। মূলত পুলিশ বাহিনীতে গড়ে তোলা দুটি গ্রুপই এসব কর্মকাণ্ড চালাত। একটির নেতৃত্ব দিতেন হাবিব ও আরেকটির নেতৃত্বে ছিলেন মনির। দুই গ্রুপের নেতৃত্বদানকারীরা চাইতেন তাদের নিজস্ব বলয়ের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং পাক এবং ঢাকায় থাকুক।’
জবানবন্দিতে র্যাবে থাকাকালীন টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন বা টিএফআই সেলসহ বহু বন্দিশালার বর্ণনাও দেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী মামুন।

বাংলা কলেজের শিক্ষার্থী মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষা প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ গঠনের লক্ষ্যে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির এক দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতিবাজার মোড়ে একযোগে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
যারা এই গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে থাকবে তাদের ফ্যাসিস্টের দোসর বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, গণভোটকে যারা ‘না’ বলবে, তাদের ঠিকানা এই বাংলাদেশে হবে না।
১৫ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, নির্বাচনের সময় অনেক রকমের চেষ্টা হতে পারে। হুট করে যেন কেউ হাজির হতে না পারে এছাড়া নির্বাচনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
নিরাপত্তাহীনতা ও জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছাড়াও স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও র
১৬ ঘণ্টা আগে