প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ১৫ অক্টোবর থেকে ভাইভা

এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করে সংশোধিত বিধান বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।
ফলে আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা অংশ নিতে পারবেন।
হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।
পরে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার বিচারপতির এ আদেশের পর ওই বিধানের আওতায় অবশিষ্ট পদগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারের কোনো আইনি বাধা নেই।
গত ২৫ মার্চ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার শর্ত যুক্ত করা হয়। তবে ২০২১ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী, প্রার্থীদের ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হতো। এর মধ্যে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক ছিল।
নতুন ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তকে চ্যালেঞ্জ করে ৪৬ জন শিক্ষক হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। পরে হাইকোর্ট ২৫ মার্চের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) আপিল বিভাগে আবেদন করে।
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, চেম্বার আদালত এখন হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।
তবে ৪৬ জন রিট আবেদনকারীর জন্য ৪৬টি পদ সংরক্ষণ রাখতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বার আদালত। ফলে অবশিষ্ট পদগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানান রুহুল কুদ্দুস কাজল।
















