
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রতারণা ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে কর্মীর দায়ের করা এক মামলায় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমানসহ তিনজন কর্মকর্তা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
রবিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিন পাওয়া অপর দুই আসামি হলেন—গ্রামীণফোন ট্রাস্টি বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফজলুল হক এবং চিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার (সিএইচআরও) সাইয়িদা হোসেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আদালত শুনানি শেষে তিন আসামির জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন।’
গত ২৬ সেপ্টেম্বর গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মী রাকিবুল আজম বাদী হয়ে প্রতারণা ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত তখন আসামিদের ২৬ অক্টোবর হাজির হতে সমন জারি করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৬ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত গ্রামীণফোন কোম্পানি লিমিটেডে চাকরি করেন বাদী রাকিবুল আজম। চাকরিরত অবস্থায় ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত আউটসোর্সিংয়ের রক্ষিত টাকা কর্মচারীদের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই কাজের জন্য কোম্পানির কাছে বাদীর ৮ লাখ ২৮ হাজার ৯৯৮ টাকা পাওনা হয়।
গত বছরের ১০ নভেম্বর গ্রামীণফোন থেকে তাকে ডেকে ওই পাওনা টাকা পরিশোধ করার আশ্বাস দেওয়া হয়। তাকে ডেকে নিয়ে আসামিরা তার কাছ থেকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করান। এরপর টাকা না দিয়ে বিভিন্নভাবে টালবাহানা শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী রোকেয়া আক্তার রোকসানা আদালতে জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, ‘বাদীর ৮ লাখ টাকার বেশি পাওনা ছিল। টাকা বুঝে পাওয়ার নামে তাকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করানো হয়, কিন্তু টাকা দেওয়া হয়নি। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরছেন।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে তিনি (রাকিবুল আজম) শ্রম আদালতেও একটি মামলা করেছেন। হাই কোর্টে রিট করা হয়েছে। হাই কোর্ট রুল জারি করে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে।’
আদালতের অনুমতি নিয়ে বাদী রাকিবুল আজম এসময় বলেন, ‘এ মামলা শ্রম আদালতের মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। শ্রম আদালতে তারা হেরে গিয়ে হাইকোর্টে স্থগিতাদেশ নিয়েছে। এখন আমাকে হয়রানি করার জন্য ভিন্নভাবে চাপ দিচ্ছে।’
গ্রামীণফোন এক বিবৃতিতে এটিকে একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক মামলা বলে দাবি করেছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে শত শত শ্রমিক শোষণ ও হয়রানির অভিযোগ করে আসছে। গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন এবং মামলা-পাল্টা মামলার ঘটনাও ঘটেছে।
গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে প্রধানত প্রতিযোগিতা আইন লঙ্ঘন করে বাজার দখল, গ্রাহকের তথ্য ফাঁস, নিম্নমানের গ্রাহকসেবাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। অন্যান্য মোবাইল অপারেটর যেমন রবি ও বাংলালিংক সিম বিক্রিতে অনিয়ম এবং বাজার দখলের জন্য গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছে।

প্রতারণা ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে কর্মীর দায়ের করা এক মামলায় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমানসহ তিনজন কর্মকর্তা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
রবিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিন পাওয়া অপর দুই আসামি হলেন—গ্রামীণফোন ট্রাস্টি বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফজলুল হক এবং চিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার (সিএইচআরও) সাইয়িদা হোসেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আদালত শুনানি শেষে তিন আসামির জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন।’
গত ২৬ সেপ্টেম্বর গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মী রাকিবুল আজম বাদী হয়ে প্রতারণা ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত তখন আসামিদের ২৬ অক্টোবর হাজির হতে সমন জারি করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৬ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত গ্রামীণফোন কোম্পানি লিমিটেডে চাকরি করেন বাদী রাকিবুল আজম। চাকরিরত অবস্থায় ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত আউটসোর্সিংয়ের রক্ষিত টাকা কর্মচারীদের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই কাজের জন্য কোম্পানির কাছে বাদীর ৮ লাখ ২৮ হাজার ৯৯৮ টাকা পাওনা হয়।
গত বছরের ১০ নভেম্বর গ্রামীণফোন থেকে তাকে ডেকে ওই পাওনা টাকা পরিশোধ করার আশ্বাস দেওয়া হয়। তাকে ডেকে নিয়ে আসামিরা তার কাছ থেকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করান। এরপর টাকা না দিয়ে বিভিন্নভাবে টালবাহানা শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী রোকেয়া আক্তার রোকসানা আদালতে জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, ‘বাদীর ৮ লাখ টাকার বেশি পাওনা ছিল। টাকা বুঝে পাওয়ার নামে তাকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করানো হয়, কিন্তু টাকা দেওয়া হয়নি। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরছেন।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে তিনি (রাকিবুল আজম) শ্রম আদালতেও একটি মামলা করেছেন। হাই কোর্টে রিট করা হয়েছে। হাই কোর্ট রুল জারি করে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে।’
আদালতের অনুমতি নিয়ে বাদী রাকিবুল আজম এসময় বলেন, ‘এ মামলা শ্রম আদালতের মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। শ্রম আদালতে তারা হেরে গিয়ে হাইকোর্টে স্থগিতাদেশ নিয়েছে। এখন আমাকে হয়রানি করার জন্য ভিন্নভাবে চাপ দিচ্ছে।’
গ্রামীণফোন এক বিবৃতিতে এটিকে একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক মামলা বলে দাবি করেছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে শত শত শ্রমিক শোষণ ও হয়রানির অভিযোগ করে আসছে। গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন এবং মামলা-পাল্টা মামলার ঘটনাও ঘটেছে।
গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে প্রধানত প্রতিযোগিতা আইন লঙ্ঘন করে বাজার দখল, গ্রাহকের তথ্য ফাঁস, নিম্নমানের গ্রাহকসেবাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। অন্যান্য মোবাইল অপারেটর যেমন রবি ও বাংলালিংক সিম বিক্রিতে অনিয়ম এবং বাজার দখলের জন্য গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছে।

পিএসসি জানিয়েছে, প্রার্থীদের ৪৭তম বিসিএসের নির্ধারিত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কমিশনের ওয়েবসাইটে লগইন করতে হবে। সেখানে নির্ধারিত ফরমটি অনলাইনে বাংলায় পূরণ করে জমা দেওয়ার পর তার দুই কপি প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করতে হবে। এই প্রিন্ট করা ফরমের দুই কপি মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। ফর
১৪ ঘণ্টা আগে
এতে বলা হয়েছে, এসএসসি, দাখিল এবং এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১৫ লাখ ৯ হাজার ৬ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নেয় ১৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫৯৮ জন। বাকি ২৫ হাজার ৪০৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দেশজুড়ে ৩ হাজার ৮৭৫টি পরীক্ষাকেন্দ্রের তথ্য দিয়েছে কমিটি।
১৪ ঘণ্টা আগে
জনগণের সরাসরি ভোটে নারীদের সংসদের যাওয়ার দাবি তুলে তাসনিম জারা লিখেন, ‘আজ ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ঘোষণা হয়েছে। অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করে, সহানুভূতি জানিয়ে লিখেছেন যে আমি সংসদে থাকছি না। আপনাদের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞ। সংরক্ষিত আসনে যাওয়ার জন্য আমাকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। আমি কৃত
১৫ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, আজকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল। পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী আজ বিকেল ৪টায় সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত আমরা বিএনপি এবং জোট থেকে ৩৬টি মনোনয়নপত্র পেয়েছি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ১৩টি এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে একটি মনোনয়নপত্র পেয়েছি।
১৫ ঘণ্টা আগে