
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইসলাম এবং অন্যান্য ধর্ম নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিশেষ আইন এর অধ্যাদেশ জারি করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আইন উপদেষ্টাসহ চারজনকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন এক আইনজীবী।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জাকির হোসেন ডাকযোগে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠান।
লিগ্যাল নোটিশপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন, আইন সচিব, ধর্মীয় উপদেষ্টা ও ধর্ম সচিব।
লিগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয় ও ধর্মীয় মন্ত্রণালয়কে ধর্মীয় অবমাননার বিষয়ে স্পেশাল আইনের অধ্যাদেশ জারি করার অনুরোধ জানান এই আইনজীবী। অন্যথায় উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ৯০% মুসলিম দেশ বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ ইসলামকে ধারণ করে এবং মেনে চলে। মসজিদেও এক সাথে সমবেত হয়ে নামাজ আদায় করে এবং এক আল্লাহ ইবাদাত করে ও আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর উপর দুরুদ পাঠ করে। ঠিক এমন পর্যায় এসে ৯০% মুসলিম দেশে বাউল আবুল সরকার স্বয়ং আল্লাহকে নিয়ে কটুক্তি করেছে তার বিচারে কেন মৃত্যুদণ্ড হবে না? কঠিন বিচারের মাধ্যমে ইসলামকে নিয়ে কটুক্তি করার সাহস ও চিন্তা চেতনা যেন কারো না হয় এমন শক্ত আইন হিসাবে স্পেশাল আইন এর অধ্যাদেশ জারী করা আবশ্যক। অন্যথায় দিনের পর দিন ধর্ম অবমাননা বেড়েই চলবে।
আরও বলা হয়, যেহেতু ইসলাম ধর্মে স্পষ্ট বলা আছে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার কথা তাই দেশকে সুরক্ষা দিতেও দেশের মানুষকে ধর্ম আবমাননা মত জঘন্য কাজে লিপ্ত না হতে ধর্মীয় বিষয় অবমাননা বিষয়ে স্পেশাল আইন অধ্যাদেশ জারী করা একান্ত আবশ্যক। এক ধর্ম হয়ে অন্য ধর্মের অবমাননা না করতে পারে এবং নিজ ধর্মের মানুষ ও নিজ ধর্মকে কটাক্ষ করতে না পারে সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।

ইসলাম এবং অন্যান্য ধর্ম নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিশেষ আইন এর অধ্যাদেশ জারি করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আইন উপদেষ্টাসহ চারজনকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন এক আইনজীবী।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জাকির হোসেন ডাকযোগে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠান।
লিগ্যাল নোটিশপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন, আইন সচিব, ধর্মীয় উপদেষ্টা ও ধর্ম সচিব।
লিগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয় ও ধর্মীয় মন্ত্রণালয়কে ধর্মীয় অবমাননার বিষয়ে স্পেশাল আইনের অধ্যাদেশ জারি করার অনুরোধ জানান এই আইনজীবী। অন্যথায় উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ৯০% মুসলিম দেশ বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ ইসলামকে ধারণ করে এবং মেনে চলে। মসজিদেও এক সাথে সমবেত হয়ে নামাজ আদায় করে এবং এক আল্লাহ ইবাদাত করে ও আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর উপর দুরুদ পাঠ করে। ঠিক এমন পর্যায় এসে ৯০% মুসলিম দেশে বাউল আবুল সরকার স্বয়ং আল্লাহকে নিয়ে কটুক্তি করেছে তার বিচারে কেন মৃত্যুদণ্ড হবে না? কঠিন বিচারের মাধ্যমে ইসলামকে নিয়ে কটুক্তি করার সাহস ও চিন্তা চেতনা যেন কারো না হয় এমন শক্ত আইন হিসাবে স্পেশাল আইন এর অধ্যাদেশ জারী করা আবশ্যক। অন্যথায় দিনের পর দিন ধর্ম অবমাননা বেড়েই চলবে।
আরও বলা হয়, যেহেতু ইসলাম ধর্মে স্পষ্ট বলা আছে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার কথা তাই দেশকে সুরক্ষা দিতেও দেশের মানুষকে ধর্ম আবমাননা মত জঘন্য কাজে লিপ্ত না হতে ধর্মীয় বিষয় অবমাননা বিষয়ে স্পেশাল আইন অধ্যাদেশ জারী করা একান্ত আবশ্যক। এক ধর্ম হয়ে অন্য ধর্মের অবমাননা না করতে পারে এবং নিজ ধর্মের মানুষ ও নিজ ধর্মকে কটাক্ষ করতে না পারে সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।

পরিপত্রে জানানো হয়, সংবিধানের ৬৬(১)(২) অনুচ্ছেদ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর ১২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা বিচার করা হবে। এছাড়া সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ‘প্রজাতন্ত্রের কর্ম’ ও ‘সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ’ এর ব্যাখ্যাও এতে স্পষ্ট করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সম্মানিত উপস্থিতি, বাংলাদেশের মানুষ আজ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে, অনেক আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, অনেক আশা নিয়ে আমাদের সবার দিকে তাকিয়ে আছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর
১২ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছেড়ে গুলশানে নিজের বাসায় উঠেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
১৩ ঘণ্টা আগে
মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রথম ধাপে দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত বয়োজ্যেষ্ঠ নারীদের জন্য চালু করা হবে। পরবর্তীতে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিকেও অন্তর্ভুক্ত করে এই কার্যক্রম সর্বজনীন করা হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে