
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের আপিলের নবম দিনের শুনানি শেষে আগামী ১১ নভেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আপিল বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এ দিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পেছনে যে যুক্তি দিয়েছিল আপিল বিভাগ, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভ্রান্ত ছিল। এর ফলে দেশে ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে, সমাজব্যবস্থাও নষ্ট হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র অর্থহীন—এখনকার পরিস্থিতি অনেকটা জমিদারের ভাঙা বাড়ির মতো।”
গত ২১ অক্টোবর থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরানোর আপিলের শুনানি শুরু হয়। ধারাবাহিকভাবে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও রিটকারী পক্ষের আইনজীবীরা শুনানি করেন। শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ড. শরীফ ভূঁইয়া প্রমুখ।
শুনানিকালে প্রধান বিচারপতি বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে দিয়ে সাময়িক সমাধান দিতে চায় না আপিল বিভাগ। আমরা এমন একটি কার্যকর নির্বাচনকালীন কাঠামো চাই, যা দীর্ঘমেয়াদে গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখবে এবং বারবার রাজনৈতিক সংঘাতের জন্ম দেবে না।”
এর আগে ২৭ আগস্ট আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন এবং শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে গৃহীত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা চালু হয়। তবে ২০১১ সালে এটি বাতিল করা হয়। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা মামলাটি থেকেই বর্তমান আপিলের সূত্রপাত।

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের আপিলের নবম দিনের শুনানি শেষে আগামী ১১ নভেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আপিল বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এ দিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পেছনে যে যুক্তি দিয়েছিল আপিল বিভাগ, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভ্রান্ত ছিল। এর ফলে দেশে ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে, সমাজব্যবস্থাও নষ্ট হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র অর্থহীন—এখনকার পরিস্থিতি অনেকটা জমিদারের ভাঙা বাড়ির মতো।”
গত ২১ অক্টোবর থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরানোর আপিলের শুনানি শুরু হয়। ধারাবাহিকভাবে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও রিটকারী পক্ষের আইনজীবীরা শুনানি করেন। শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ড. শরীফ ভূঁইয়া প্রমুখ।
শুনানিকালে প্রধান বিচারপতি বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে দিয়ে সাময়িক সমাধান দিতে চায় না আপিল বিভাগ। আমরা এমন একটি কার্যকর নির্বাচনকালীন কাঠামো চাই, যা দীর্ঘমেয়াদে গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখবে এবং বারবার রাজনৈতিক সংঘাতের জন্ম দেবে না।”
এর আগে ২৭ আগস্ট আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন এবং শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে গৃহীত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা চালু হয়। তবে ২০১১ সালে এটি বাতিল করা হয়। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা মামলাটি থেকেই বর্তমান আপিলের সূত্রপাত।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) অফিসের সাবেক উচ্চমান সহকারী কাম ক্যাশিয়ার মোহাম্মদ হোসেন, একই কার্যালয়ের সাবেক বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) মো. কামরুল আলম এবং সাবেক বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) সাদিকুর রহমান খা
২ ঘণ্টা আগে
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে পাঁচ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি গঠন করেছে সরকার। আজ সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৩ ঘণ্টা আগে
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে চলমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দুই নেতা। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে মানবিক দায়িত্ব পালন করছে, তার প্রশংসা করেছে মালয়েশিয়া এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠক শেষে তাদের উপস্থিতিতে সমঝোতা স্মারক ও অন্যান্য দলিল বিনিময়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী উতামা হাজি মোহাম্মদ বিন হাজি হাসান নিজ দেশের পক্ষে দলিলগুলো বিনিময় করেন।
৫ ঘণ্টা আগে