
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকার গঠন ও শপথের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের মতামত নেওয়া প্রক্রিয়া নিয়ে রিট খারিজের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে আদেশ দেবেন সর্বোচ্চ আদালত।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হয়। আদালতে লিভ টু আপিলের পক্ষে আবেদনকারী জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন রশিদ নিজেই শুনানি করেন।
ইন্টারভেনার হিসেবে লিভ টু আপিলে যুক্ত হন লেখক ফিরোজ আহমেদ। তার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। নওগাঁর বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন ইন্টারভেনার (পক্ষ) হন এ মামলায়। তার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক। এ ছাড়া ইন্টারভেনার হিসেবে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে গত বছর ৫ আগস্ট পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে শেখ হাসিনা সেদিন ভারতে পালিয়ে যান।
এমন পরিস্থিতিতে ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে মতামত চান রাষ্ট্রপ্রধান। এই মতামত চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ ৮ আগস্ট মতামত দিলে তার ভিত্তিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের কাছ থেকে এই মতামত নেওয়ার প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন রশিদ।
রিট আবেদনে বলা হয়, সংবিধানে নেই, এমন বিষয়ে রেফারেন্স (মতামত) চাওয়া যায় না।
তাছাড়া সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে মতামত দেওয়ার ক্ষেত্রে আপিল বিভাগকে সুপ্রিম কোর্টের রুলস অনুসরণ করে অ্যাটর্নি জেনারেল ও অন্যদের নোটিশ দিয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শুনানি করতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এবং শপথ নিয়ে শুনানির জন্য নোটিশ দেওয়া হয়নি। প্রাথমিক শুনানির পর গত ১৩ জানুয়ারি রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ। পরে ৯ ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ আদেশটি প্রকাশ করা হয়।
৯ পৃষ্ঠার আদেশে বলা হয়, রিট আবেদনটি কেবল ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করেই করা হয়নি, আবেদনটি উসকানিমূলকও।
এতে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধান এখনো কার্যকর এবং সম্পূর্ণভাবে সক্রিয়। তবে রিট আবেদনকারীর অবস্থান স্ববিরোধী। কারণ একদিকে বলছেন, গত ৫ আগস্টের পর বিদ্যমান সংবিধান চাপা পড়েছে, অন্যদিকে বিদ্যমান সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন এই রিট আবেদন করেছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অধীনে সাংবিধানিক আদালত হিসেবে এই ধরনের অসাংবিধানিক আবেদন বিবেচনা করার কোনো সুযোগ নেই। ফলে রিট আবেদনটি পর্যবেক্ষণসহ সরাসরি খারিজ করা হলো।
আদেশের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ যে মতামত দিয়েছেন, তা সাংবিধানিক কর্তৃত্বের অধীনেই দিয়েছেন এবং তা যথাযথভাবে কার্যকর হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ইতিহাসের এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে আপিল বিভাগের মতামত নিয়েছেন এবং সেই মতামত অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেছেন। ফলে এটি (অন্তর্বর্তী সরকার) আইনগতভাবে যেমন সমর্থিত, তেমনি তা বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছা সমর্থিতও। গত বছর জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থান আমাদের ইতিহাসের একটি অংশ। আশা করা যায়, দেশের মানুষ বহু যত্নে এই ইতিহাস লালন করবে। পরে এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন (লিভ টু আপিল) করেন মহসিন রশিদ। গত ২ নভেম্বর এই আবেদনে প্রথম শুনানির পর ৬ নভেম্বর ফের শুনানি হয়। এরপর শুনানি মুলতবি ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় গত দুইদিন শুনানির পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য রাখেন সর্বোচ্চ আদালত।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠন ও শপথের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের মতামত নেওয়া প্রক্রিয়া নিয়ে রিট খারিজের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে আদেশ দেবেন সর্বোচ্চ আদালত।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হয়। আদালতে লিভ টু আপিলের পক্ষে আবেদনকারী জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন রশিদ নিজেই শুনানি করেন।
ইন্টারভেনার হিসেবে লিভ টু আপিলে যুক্ত হন লেখক ফিরোজ আহমেদ। তার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। নওগাঁর বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন ইন্টারভেনার (পক্ষ) হন এ মামলায়। তার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক। এ ছাড়া ইন্টারভেনার হিসেবে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে গত বছর ৫ আগস্ট পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে শেখ হাসিনা সেদিন ভারতে পালিয়ে যান।
এমন পরিস্থিতিতে ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে মতামত চান রাষ্ট্রপ্রধান। এই মতামত চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ ৮ আগস্ট মতামত দিলে তার ভিত্তিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের কাছ থেকে এই মতামত নেওয়ার প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন রশিদ।
রিট আবেদনে বলা হয়, সংবিধানে নেই, এমন বিষয়ে রেফারেন্স (মতামত) চাওয়া যায় না।
তাছাড়া সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে মতামত দেওয়ার ক্ষেত্রে আপিল বিভাগকে সুপ্রিম কোর্টের রুলস অনুসরণ করে অ্যাটর্নি জেনারেল ও অন্যদের নোটিশ দিয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শুনানি করতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এবং শপথ নিয়ে শুনানির জন্য নোটিশ দেওয়া হয়নি। প্রাথমিক শুনানির পর গত ১৩ জানুয়ারি রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ। পরে ৯ ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ আদেশটি প্রকাশ করা হয়।
৯ পৃষ্ঠার আদেশে বলা হয়, রিট আবেদনটি কেবল ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করেই করা হয়নি, আবেদনটি উসকানিমূলকও।
এতে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধান এখনো কার্যকর এবং সম্পূর্ণভাবে সক্রিয়। তবে রিট আবেদনকারীর অবস্থান স্ববিরোধী। কারণ একদিকে বলছেন, গত ৫ আগস্টের পর বিদ্যমান সংবিধান চাপা পড়েছে, অন্যদিকে বিদ্যমান সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন এই রিট আবেদন করেছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অধীনে সাংবিধানিক আদালত হিসেবে এই ধরনের অসাংবিধানিক আবেদন বিবেচনা করার কোনো সুযোগ নেই। ফলে রিট আবেদনটি পর্যবেক্ষণসহ সরাসরি খারিজ করা হলো।
আদেশের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ যে মতামত দিয়েছেন, তা সাংবিধানিক কর্তৃত্বের অধীনেই দিয়েছেন এবং তা যথাযথভাবে কার্যকর হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ইতিহাসের এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে আপিল বিভাগের মতামত নিয়েছেন এবং সেই মতামত অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেছেন। ফলে এটি (অন্তর্বর্তী সরকার) আইনগতভাবে যেমন সমর্থিত, তেমনি তা বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছা সমর্থিতও। গত বছর জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থান আমাদের ইতিহাসের একটি অংশ। আশা করা যায়, দেশের মানুষ বহু যত্নে এই ইতিহাস লালন করবে। পরে এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন (লিভ টু আপিল) করেন মহসিন রশিদ। গত ২ নভেম্বর এই আবেদনে প্রথম শুনানির পর ৬ নভেম্বর ফের শুনানি হয়। এরপর শুনানি মুলতবি ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় গত দুইদিন শুনানির পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য রাখেন সর্বোচ্চ আদালত।

পরিপত্রে জানানো হয়, সংবিধানের ৬৬(১)(২) অনুচ্ছেদ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর ১২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা বিচার করা হবে। এছাড়া সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ‘প্রজাতন্ত্রের কর্ম’ ও ‘সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ’ এর ব্যাখ্যাও এতে স্পষ্ট করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সম্মানিত উপস্থিতি, বাংলাদেশের মানুষ আজ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে, অনেক আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, অনেক আশা নিয়ে আমাদের সবার দিকে তাকিয়ে আছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর
১০ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছেড়ে গুলশানে নিজের বাসায় উঠেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
১১ ঘণ্টা আগে
মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রথম ধাপে দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত বয়োজ্যেষ্ঠ নারীদের জন্য চালু করা হবে। পরবর্তীতে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিকেও অন্তর্ভুক্ত করে এই কার্যক্রম সর্বজনীন করা হবে।
১১ ঘণ্টা আগে