
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি জানান, ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। বিএনপি এখন পর্যন্ত এ আসনে কোনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি।
বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমি ভোট করব। আমি ওখান (ঝিনাইদহ-১) থেকে নমিনেশন চেয়েছি। আমি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে আছি এখনো। যখন প্রয়োজন হবে, অ্যাটর্নি জেনারেল পদ ছেড়ে গিয়ে আমি ভোট করব।’
জুলাই অভ্যুত্থানের পর গত বছরের ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত এই আইনজীবী দলটির মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেলে তিনি ওই সম্পাদকীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে এলএলবি ও এলএলএম সম্পন্ন করার পর ১৯৯৫ সালে বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত হন। প্রথিতযশা আইনজীবী সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের এই জুনিয়র পরের বছর হাইকোর্ট বিভাগে কাজ করার সুযোগ পান। ২০০৫ সালে তালিকাভুক্ত হন আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে।
নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে পরে আরও বিস্তারিত জানাবেন বলে জানান আসাদুজ্জামান। তিনি সরে দাঁড়ালে নতুন অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে কে আসবেন— এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যাকে করবে তিনিই হবেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের কর্মকাণ্ড নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, কোনো একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দিতেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় দেওয়া হয়েছিল।

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি জানান, ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। বিএনপি এখন পর্যন্ত এ আসনে কোনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি।
বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমি ভোট করব। আমি ওখান (ঝিনাইদহ-১) থেকে নমিনেশন চেয়েছি। আমি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে আছি এখনো। যখন প্রয়োজন হবে, অ্যাটর্নি জেনারেল পদ ছেড়ে গিয়ে আমি ভোট করব।’
জুলাই অভ্যুত্থানের পর গত বছরের ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত এই আইনজীবী দলটির মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেলে তিনি ওই সম্পাদকীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে এলএলবি ও এলএলএম সম্পন্ন করার পর ১৯৯৫ সালে বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত হন। প্রথিতযশা আইনজীবী সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের এই জুনিয়র পরের বছর হাইকোর্ট বিভাগে কাজ করার সুযোগ পান। ২০০৫ সালে তালিকাভুক্ত হন আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে।
নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে পরে আরও বিস্তারিত জানাবেন বলে জানান আসাদুজ্জামান। তিনি সরে দাঁড়ালে নতুন অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে কে আসবেন— এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যাকে করবে তিনিই হবেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের কর্মকাণ্ড নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, কোনো একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দিতেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় দেওয়া হয়েছিল।

এতে বলা হয়েছে, এসএসসি, দাখিল এবং এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১৫ লাখ ৯ হাজার ৬ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নেয় ১৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫৯৮ জন। বাকি ২৫ হাজার ৪০৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। দেশজুড়ে ৩ হাজার ৮৭৫টি পরীক্ষাকেন্দ্রের তথ্য দিয়েছে কমিটি।
১৩ ঘণ্টা আগে
জনগণের সরাসরি ভোটে নারীদের সংসদের যাওয়ার দাবি তুলে তাসনিম জারা লিখেন, ‘আজ ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ঘোষণা হয়েছে। অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করে, সহানুভূতি জানিয়ে লিখেছেন যে আমি সংসদে থাকছি না। আপনাদের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞ। সংরক্ষিত আসনে যাওয়ার জন্য আমাকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। আমি কৃত
১৪ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, আজকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল। পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী আজ বিকেল ৪টায় সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত আমরা বিএনপি এবং জোট থেকে ৩৬টি মনোনয়নপত্র পেয়েছি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ১৩টি এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে একটি মনোনয়নপত্র পেয়েছি।
১৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ শিরোনামে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাইয়ে ৫ সদস্যের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। কমিটিকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে