
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত ২০ জন বিচারপতি নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল। বুধবার (২৬ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম।
এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে দরখাস্তের আহ্বান জানিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ছবিসহ নির্ধারিত ফরম পূরণ করে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ে সরাসরি অথবা রেজিস্ট্রি ডাকে দরখাস্ত পাঠাতে বলা হয়েছে।
স্থায়ী ও স্বতন্ত্র সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগের বিধান রেখে চলতি বছর ২১ জানুয়ারি ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫’ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগে উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাই করে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে অধ্যাদেশটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
অধ্যাদেশের ৩ ধারায় বলা আছে, ‘এই অধ্যাদেশ অনুসারে উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাইপূর্বক সুপারিশ করিবার জন্য একটি স্থায়ী কাউন্সিল থাকিবে এবং উহা সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল নামে অবিহিত হইবে।’
অধ্যাদেশ অনুসারে প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের চেয়ারপারসন।
‘হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ বিষয়ক সুপারিশ’ শিরোনামে অধ্যাদেশের ৭ (ক) ধারায় গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে দরখাস্ত আহ্বানের কথা বলা আছে। এই কাউন্সিল গঠণের পর গত ২৫ আগস্ট প্রথমবারের মতো সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের মাধ্যমে হাইকোর্ট বিভাগে ২৫ জন অতিরিক্ত বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত ২০ জন বিচারপতি নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল। বুধবার (২৬ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম।
এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে দরখাস্তের আহ্বান জানিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ছবিসহ নির্ধারিত ফরম পূরণ করে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ে সরাসরি অথবা রেজিস্ট্রি ডাকে দরখাস্ত পাঠাতে বলা হয়েছে।
স্থায়ী ও স্বতন্ত্র সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগের বিধান রেখে চলতি বছর ২১ জানুয়ারি ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫’ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগে উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাই করে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে অধ্যাদেশটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
অধ্যাদেশের ৩ ধারায় বলা আছে, ‘এই অধ্যাদেশ অনুসারে উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাইপূর্বক সুপারিশ করিবার জন্য একটি স্থায়ী কাউন্সিল থাকিবে এবং উহা সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল নামে অবিহিত হইবে।’
অধ্যাদেশ অনুসারে প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের চেয়ারপারসন।
‘হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ বিষয়ক সুপারিশ’ শিরোনামে অধ্যাদেশের ৭ (ক) ধারায় গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে দরখাস্ত আহ্বানের কথা বলা আছে। এই কাউন্সিল গঠণের পর গত ২৫ আগস্ট প্রথমবারের মতো সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের মাধ্যমে হাইকোর্ট বিভাগে ২৫ জন অতিরিক্ত বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্পাদক পরিষদ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। একই সঙ্গে পরিষদ স্পষ্টভাবে বলতে চায়— কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তবে তা অবশ্যই প্রচলিত আইন ও ন্যায়বিচারসম্মত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগ ছাড়াই ডিবি কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া, সেখানে আটকে রাখা, কিংবা
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশের ভেতরের রাজনৈতিক লড়াই দেশের ভেতরেই মোকাবিলা করার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করেছিলাম, আমরা এই দেশের ভেতরের রাজনৈতিক লড়াইকে, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে এই দেশের ভেতরে মোকাবিলা করব। আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই যে, যদি এই দেশের লড়াই দেশের বাইরে যায়, তাহলে এই দেশের মুক্তির লড়াইও এই দেশের বাইরে
১৪ ঘণ্টা আগে
এতে আরও বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলনে অবর্ণনীয় আত্মত্যাগের বিনিময়ে সামগ্রিক পুলিশ ব্যবস্থা সংস্কারের যে অভূতপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল, এই অধ্যাদেশ তার সঙ্গে রীতিমতো বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এ অধ্যাদেশ অনুসারে পুলিশ কমিশন গঠিত হলে তা স্বাধীন ও উদ্দেশ্য পূরণে সক্ষম হওয়া দূরে থাক, বাস্তবে তা হবে সরকারের আজ্ঞাব
১৫ ঘণ্টা আগে
নীতিমালায় বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা এবং নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রতিরোধে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগের লক্ষ্যে সরকার এই নীতিমালা প্রণয়ন ও জারি করেছে।
১৬ ঘণ্টা আগে