
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ এক ঘণ্টার মধ্যেই স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। চেম্বার আদালতের এ আদেশের ফলে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচন আয়োজনে কোনো বাধা থাকল না।
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।
চেম্বার জজের আদেশের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, ডাকসু নির্বাচনে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে এক আদেশে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। ফলে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো বাধা রইল না।
এর আগে ডাকসু নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটে’র প্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়েএ করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি হাবিবুল গনি ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ ডাকসু নির্বাচনে দুই মাসের স্থগিতাদেশ দেন।
রিটটি করেছিলেন একই নির্বাচনে বামজোট মনোনীত ‘অপরাজেয় ৭১, অদম্য ২৪’ প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী বি এম ফাহমিদা আলম।
জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সভাপতি। তার প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে করা রিটে তার বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট প্রকাশিত ডাকসু নির্বাচনে চূড়ান্ত তালিকায় বাকি ৪৭০ জনের সঙ্গে তাকেও প্রার্থী হিসেবে বৈধ ঘোষণা করা হয়।
আদালত পরে শুনানি নিয়ে নির্বাচন আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেন। পাশাপাশি নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকাও স্থগিত করেন। চেম্বার আদালতের আদেশে হাইকোর্টের এই স্থগিতাদেশ আর কার্যকর রইল না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ এক ঘণ্টার মধ্যেই স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। চেম্বার আদালতের এ আদেশের ফলে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচন আয়োজনে কোনো বাধা থাকল না।
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।
চেম্বার জজের আদেশের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, ডাকসু নির্বাচনে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে এক আদেশে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। ফলে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো বাধা রইল না।
এর আগে ডাকসু নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটে’র প্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়েএ করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি হাবিবুল গনি ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ ডাকসু নির্বাচনে দুই মাসের স্থগিতাদেশ দেন।
রিটটি করেছিলেন একই নির্বাচনে বামজোট মনোনীত ‘অপরাজেয় ৭১, অদম্য ২৪’ প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী বি এম ফাহমিদা আলম।
জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সভাপতি। তার প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে করা রিটে তার বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট প্রকাশিত ডাকসু নির্বাচনে চূড়ান্ত তালিকায় বাকি ৪৭০ জনের সঙ্গে তাকেও প্রার্থী হিসেবে বৈধ ঘোষণা করা হয়।
আদালত পরে শুনানি নিয়ে নির্বাচন আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেন। পাশাপাশি নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকাও স্থগিত করেন। চেম্বার আদালতের আদেশে হাইকোর্টের এই স্থগিতাদেশ আর কার্যকর রইল না।

পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ‘আজমেরী হক বাঁধন, আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত। আপনি এই দেশের জন্য লড়াই করেছেন, দেশের মানুষকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করার জন্য লড়াই করেছেন।’
৩ ঘণ্টা আগে
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করা কয়েকজন ব্যক্তি বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ অ্যাখ্যা দিয়ে গালিগালাজ করছেন এবং তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, চলচ্চিত্র উৎসব প্রাঙ্গণে বাঁধনের উপস্থিতি কেন্দ্র করে রাজনৈতিক স্লোগান ও বাগবিতণ্ডা শু
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী দেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সরকারি হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে অনুমোদিত জনবল কাঠামো অনুযায়ীও চিকিৎসকের শূন্য পদ রয়েছে ১১ হাজার ৪৯৫টি।
১২ ঘণ্টা আগে
এর আগে ছাদে সৌর বিদ্যুতের প্ল্যান্ট স্থাপন করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য প্রণোদনা ঘোষণা করেছিল সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগের এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এ ক্ষেত্রে সরকার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়া প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য সাড়ে ১০ টাকা করে দেবে।
১২ ঘণ্টা আগে