
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন থাকায় ডিএমপির সাবেক যুগ্ম-কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও তার স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমের ২৮ ব্যাংক হিসাব ও দুটি বিও হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আলমগীর এ আদেশ দেন।
এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থার সহকারী পরিচালক রাসেল রনি এসব ব্যাংক হিসাব ও বিও হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধানকালে জানা যায়, বিপ্লব কুমার সরকার ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে সরকারি চাকুরিজীবী হয়ে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে তার নিজ ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে অবৈধভাবে অর্জিত আয়ের উৎস আড়াল করার জন্য মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে সম্পৃক্ত অপরাধ করা ও নামে-বেনামে সম্পত্তি ক্রয়সহ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। বিপ্লব কুমার সরকার ও হোসনেয়ারা বেগমের নামে ব্যাংক ও বিও হিসাবসমূহ থেকে অর্থ অন্যত্র স্থানান্তর, হস্তান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা চলছে। এসব সম্পদ স্থানান্তর, হস্তান্তর বা বেহাত হয়ে গেলে পরবর্তীতে টাকা উদ্ধারকরণ দুরূহ হয়ে পড়বে। এজন্য দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৮ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ১৪ অনুযায়ী ছকে উল্লিখিত ব্যংক ও বিও হিসাবসমূহ থেকে অর্থ উত্তোলন অবিলম্বে অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।
এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর বিপ্লব কুমার সরকার, তার স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম, ভাই প্রণয় কুমার সরকার ও হোসনেয়ারার বোন শাহানারা বেগমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয় একই আদালত।

দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন থাকায় ডিএমপির সাবেক যুগ্ম-কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও তার স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমের ২৮ ব্যাংক হিসাব ও দুটি বিও হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আলমগীর এ আদেশ দেন।
এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থার সহকারী পরিচালক রাসেল রনি এসব ব্যাংক হিসাব ও বিও হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধানকালে জানা যায়, বিপ্লব কুমার সরকার ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে সরকারি চাকুরিজীবী হয়ে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে তার নিজ ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে অবৈধভাবে অর্জিত আয়ের উৎস আড়াল করার জন্য মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে সম্পৃক্ত অপরাধ করা ও নামে-বেনামে সম্পত্তি ক্রয়সহ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। বিপ্লব কুমার সরকার ও হোসনেয়ারা বেগমের নামে ব্যাংক ও বিও হিসাবসমূহ থেকে অর্থ অন্যত্র স্থানান্তর, হস্তান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা চলছে। এসব সম্পদ স্থানান্তর, হস্তান্তর বা বেহাত হয়ে গেলে পরবর্তীতে টাকা উদ্ধারকরণ দুরূহ হয়ে পড়বে। এজন্য দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৮ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ১৪ অনুযায়ী ছকে উল্লিখিত ব্যংক ও বিও হিসাবসমূহ থেকে অর্থ উত্তোলন অবিলম্বে অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।
এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর বিপ্লব কুমার সরকার, তার স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম, ভাই প্রণয় কুমার সরকার ও হোসনেয়ারার বোন শাহানারা বেগমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয় একই আদালত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে একসঙ্গে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ওই পাঁচজন। পথেই তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা।
১১ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। আসক বলেছে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় একজন তরুণের মৃত্যু জনমনে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
১১ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
১৩ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে